
রিপোর্টার

ক্রিকেটের সবচেয়ে অভিজাত সংস্করণ টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিয়মিত খেলার সুযোগ পায় না বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মতোই ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও দীর্ঘ বিরতিতে টেস্ট খেলতে হয় টাইগারদের। সর্বশেষ ২০১৬ সালে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল। আর ইংল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের সবশেষ টেস্ট সফর আরও আগে—২০১০ সালে। দীর্ঘ সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে আগামী বছর।
১৭ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী বছরের মে মাসে ঐতিহ্যবাহী লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড। ইতোমধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচের টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ফলে একদিকে যেমন বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে দর্শকদের মধ্যেও ম্যাচটি ঘিরে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড গতকাল নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর জন্য সাধারণ দর্শকদের ব্যালট উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্রিকেটপ্রেমীরা ‘হোম অব ক্রিকেট’ হিসেবে পরিচিত লর্ডসে গ্রীষ্মকালীন আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর টিকিট পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
সাধারণ দর্শকদের জন্য ব্যালটের আবেদন ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত খোলা থাকবে। এরপর নভেম্বরের শুরুতে সফল আবেদনকারীদের প্রথম ধাপের তালিকাভুক্তদের ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হবে। প্রথম ধাপে নির্বাচিত দর্শকদের জন্য টিকিট কেনার নির্ধারিত সময়সীমা থাকবে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত। আর যারা ব্যালটে টিকিট পাবেন না কিংবা প্রথম ধাপের বাইরে থাকবেন, তাদের জন্য ১০ ডিসেম্বর থেকে সাধারণ বিক্রি শুরু করবে লর্ডস।
লর্ডসে বাংলাদেশের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান
ইংল্যান্ডের মাঠে বাংলাদেশের সবশেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১০ সালে। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়। আগামী বছর সেই অপেক্ষার ১৭ বছর পূর্ণ হবে। মে মাসে লর্ডসে বাংলাদেশের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের টেস্ট দিয়েই আবারও ঐতিহাসিক এই মাঠে টাইগারদের দেখা যাবে।
লর্ডসের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেটের স্মৃতিও বেশ সমৃদ্ধ। ২০১০ সালে এই মাঠেই মাত্র ৯৪ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম ইকবাল। টেস্টে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছানোর পর তাঁর উদযাপনও ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। সময়ের ব্যবধানে তামিমের ভূমিকাতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি।
তাই আগামী বছরের মে মাসে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজরা যখন লর্ডসের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামবেন, তখন তামিমের সামনে ফিরে আসতে পারে সেই ২০১০ সালের স্মৃতি। একই মাঠে ১৭ বছর পর বাংলাদেশের আরেকটি টেস্ট উপস্থিতি তাই বাড়তি আবেগও তৈরি করবে।
২০১৬ সালে শেষবার মুখোমুখি
বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড সবশেষ টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৬ সালে। বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত সেই দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়েছিল। ওই সিরিজে মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাকিব আল হাসানদের সঙ্গে উদযাপনে ছিলেন তামিম ইকবালও।
এরপর আর টেস্ট ক্রিকেটে দুই দলের দেখা হয়নি। ফলে আগামী বছরের লর্ডস টেস্টটি শুধু বাংলাদেশের ইংল্যান্ড সফরই নয়, দীর্ঘ ১১ বছর পর দুই দলের টেস্ট লড়াইও ফিরিয়ে আনবে।
সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও দীর্ঘ বিরতির পর টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। সবশেষ অস্ট্রেলিয়া সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় ড্র করেছে টাইগাররা। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে বাংলাদেশের সবশেষ মুখোমুখি হওয়ার পর কেটে গিয়েছিল ৯ বছর।
২০২৭ সালে লর্ডসে একাধিক বড় ম্যাচ
বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্ট ছাড়াও ২০২৭ সালে লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। পুরুষ ও নারী অ্যাশেজের ম্যাচের পাশাপাশি ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডের ওয়ানডেও হবে ঐতিহ্যবাহী এই মাঠে।
লর্ডসে ২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর সূচি হলো—
বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড — ছেলেদের টেস্ট: ২৮ মে থেকে ১ জুন
ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া — ছেলেদের অ্যাশেজের টেস্ট: ৩০ জুন থেকে ৪ জুলাই
ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া — নারী অ্যাশেজ ওয়ানডে: ১৬ জুলাই
ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড — ছেলেদের ওয়ানডে: ১৬ সেপ্টেম্বর
সব মিলিয়ে ২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচিতে লর্ডস আবারও থাকবে আলোচনার কেন্দ্রে। আর বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হবে ২৮ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে নামার অপেক্ষা তাই এখন থেকেই শুরু হয়ে গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে যেন বদলে গেছে বাংলাদেশ! ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে ডারউন টেস্টে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে টাইগাররা। অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে এরই মধ্যে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ।
১৪ আগস্ট ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর রোমাঞ্চের এক নতুন অধ্যায় রচনা করে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতেই বিশ্বকে চমকে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে প্রথম সেশনেই একের পর এক আঘাত হানেন টাইগার পেসাররা। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগেই অজি শিবিরের টপ অর্ডারের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দারুণ ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ।
১৩ আগস্ট ২০২৬

আইপিএলের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে আলো ছড়ানো তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলকে একটি গুরুতর অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা পুরো ক্রীড়াঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
১২ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
২ আগস্ট ২০২৬

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬