
সিনিয়ার রিপোর্টার

আইপিএলের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে আলো ছড়ানো তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলকে একটি গুরুতর অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা পুরো ক্রীড়াঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
গত মঙ্গলবার হুগলি জেলার মগরা থানার পুলিশ এই উদীয়মান ক্রিকেটারকে গ্রেপ্তার করে তাদের হেফাজতে নেয়। দেশের উঠতি একজন প্রমিজিং ক্রিকেটারের এমন আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে এখন চারদিকে নানা আলোচনা চলছে।
কর্ণাটকি তরুণীর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ও আইনি লড়াই: সাড়ে তিন বছরের সম্পর্ক এবং হুগলির মগরা থানা
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অভিষেকের বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগটি দায়ের করেছেন কর্ণাটকের এক তরুণী। গত ২৩ জুন তিনি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে হুগলির মগরা থানায় হাজির হন। ওই তরুণীর দাবি অনুযায়ী, ক্রিকেটারের সঙ্গে তার দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাদের মধ্যে বিয়ের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাও ছিল। এমনকি তারা একসঙ্গে বিদেশেও ভ্রমণ করেছিলেন।
তবে প্রায় দেড় বছর আগে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন ও সমস্যা তৈরি হয়। বিষয়টি সে সময় থানা পর্যন্ত গড়ালেও তখন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। পরবর্তীতে পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় ওই তরুণী পুনরায় থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টের হস্তক্ষেপ: উচ্চ আদালতের কঠোর নির্দেশে গ্রেপ্তার
থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় চরম হতাশ হন ওই তরুণী। ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় তিনি শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাই কোর্টের শরণাপন্ন হন।
মামলার শুনানি শেষে হাই কোর্টের সম্মানিত বিচারপতি অভিযুক্ত ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের কড়া নির্দেশ দেন। উচ্চ আদালতের এই সুনির্দিষ্ট ও কঠোর নির্দেশ পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ এবং দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
মাঠের ক্রিকেটে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালসের ঠিকানা: আইপিএলের উদীয়মান মুখ
ব্যক্তিগত জীবনের এই চরম বিতর্কের বাইরে মাঠের ক্রিকেটে অভিষেক পোড়েল গত দুই মৌসুমে বেশ ভালো এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলার হয়ে নিয়মিত ও দায়িত্বশীল রান করার সুবাদেই তিনি জাতীয় পর্যায়ের দৃষ্টি কাড়েন এবং আইপিএলের মতো জমজমাট টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পান।
গত মৌসুমে দিল্লি ক্যাপিটালস দল তাকে দলে ভেড়ায় এবং তিনি নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখার চেষ্টা করেন। তবে মাঠের সফলতার চেয়ে এই আইনি ও নৈতিক স্খলনের খবরটি এখন ক্রিকেটপ্রেমী মহলে প্রধান আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
২ আগস্ট ২০২৬

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬