
সিনিয়ার রিপোর্টার

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে লিওনেল মেসির বিদায়ের ঘোষণা এসেছে মাঠের ভেতর থেকে নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর দুই দশকেরও বেশি সময়ের অসাধারণ পথচলা এবং বর্ণিল ক্যারিয়ারকে এবার মাঠেই বিশেষভাবে স্মরণ করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। মেসির বিদায়ী অধ্যায়কে সম্মান জানাতে দেশের সব ঘরোয়া ফুটবল ম্যাচে নেওয়া হয়েছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।
চলতি সপ্তাহান্তে আর্জেন্টিনার সব ঘরোয়া ম্যাচের ১০ম মিনিটে খেলা থামিয়ে এক মিনিটের জন্য করতালি দেওয়া হবে। পুরুষ ও নারী—উভয় বিভাগের সব ধরনের ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় এই শ্রদ্ধা নিবেদন কার্যকর হবে। গত বুধবার এক বিবৃতিতে এএফএ এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
মেসির বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সির প্রতি সম্মান জানাতেই ম্যাচের ১০ম মিনিটকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের বড় একটি সময় ১০ নম্বর জার্সিতেই মাঠ মাতিয়েছেন এই কিংবদন্তি। তাই তাঁর বিদায়ের মুহূর্তে দেশের ঘরোয়া ফুটবলের মাঠগুলোতেও সেই সংখ্যাটিকেই প্রতীকীভাবে স্মরণ করা হবে।
জায়ান্ট স্ক্রিনেও থাকবে মেসির স্মৃতি
শুধু এক মিনিটের করতালিতেই শেষ হবে না মেসিকে সম্মান জানানোর আয়োজন। যেসব স্টেডিয়ামে জায়ান্ট স্ক্রিন রয়েছে, ম্যাচ শুরুর আগে সেখানে মেসিকে নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিও প্রদর্শন করা হবে।
মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর এএফএর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছিল। এবার সেই ভিডিওই মাঠে থাকা দর্শকদের সামনে প্রদর্শনের মাধ্যমে আর্জেন্টাইন ফুটবলের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকাদের একজনকে শ্রদ্ধা জানানো হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবসরের ঘোষণা মেসির
চলতি সপ্তাহের সোমবার ইনস্টাগ্রামে স্প্যানিশ ভাষায় হাতে লেখা তিনটি কাগজের ছবি পোস্ট করেন মেসি। সেখানেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে নিশ্চিত করেন, ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটিই আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর শেষ ম্যাচ।
৩৯ বছর বয়সে এসে জাতীয় দলের অধ্যায়ের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তাঁর এই ঘোষণা শুধু আর্জেন্টিনা নয়, বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যেও আবেগের জন্ম দিয়েছে।
নিজের বিদায়ী বার্তায় মেসি লিখেছেন, ‘আমি আমার সবটুকু দিয়েছি; দেওয়ার মতো আর কিছুই বাকি নেই।’ সিদ্ধান্তটি তাঁকে কষ্ট দিয়েছে এবং এখনো ভেতর থেকে কষ্ট দেয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে তাঁর উপলব্ধি, সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসে গেছে—আর সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর পথ বেছে নিয়েছেন।
২০০৫ থেকে শুরু, দুই দশকে ইতিহাসের পাতায় মেসি
আর্জেন্টিনার মূল জাতীয় দলে মেসির অভিষেক ২০০৫ সালে। এরপর থেকে জাতীয় দলের জার্সিতে একের পর এক সাফল্য ও রেকর্ড গড়েছেন তিনি। আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর গোলসংখ্যা ১২৫, যা দেশটির হয়ে সর্বোচ্চ।
জাতীয় দলের হয়ে মেসি রেকর্ড ছয়টি বিশ্বকাপ খেলেছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দিয়ে পূর্ণ করেন তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নগুলোর একটি।
২০২২ সালের সেই বিশ্বকাপ জয় ছিল আর্জেন্টিনার জন্যও ঐতিহাসিক। ৩৬ বছর পর দেশটি বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে। একই সঙ্গে এটি আর্জেন্টিনার ইতিহাসে তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়। আর সেই সাফল্যের কেন্দ্রে ছিলেন মেসি।
বিশ্বকাপেও একাধিক রেকর্ড মেসির
শুধু শিরোপা জয় নয়, বিশ্বকাপের ইতিহাসেও একাধিক রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন মেসি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ৩৪টি ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন তাঁর দখলে।
এ ছাড়া বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ২৩টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডও রয়েছে তাঁর নামে। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে একের পর এক অর্জন যোগ করেছেন তিনি।
আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির শেষ অধ্যায় তাই কেবল একজন ফুটবলারের অবসরের গল্প নয়। এটি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এক বর্ণিল আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি। ২০০৫ সালে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালকে সামনে রেখে সেটিই এবার শেষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
আর মেসির সেই দীর্ঘ পথচলার স্মৃতি ধরে রাখতে আর্জেন্টিনার প্রতিটি ঘরোয়া প্রতিযোগিতার মাঠে ১০ম মিনিটে এক মিনিটের করতালিতে তাঁকে সম্মান জানাবে এএফএ। ফুটবল মাঠে এই প্রতীকী শ্রদ্ধা হয়ে থাকবে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের এক আবেগঘন স্মারক।

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এ মাসে জাপান ও স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলবে কার্লো আনচেলত্তির দল। দুই ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে। ফলে ব্রাজিলের সমর্থকেরা বাংলাদেশ সময় বিকেলেই ম্যাচ দুটি উপভোগ করতে পারবেন।
৪ দিন আগে

এশিয়ার মাটিতে আবারও দেখা যাবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে। আগামী নভেম্বরে সিঙ্গাপুরে চার জাতির ফুটবল আয়োজনে দুটি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ জাপান, আর দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক সিঙ্গাপুর।
৪ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল। শনিবার (৩ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিক ভারতকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। এস্তেভাও, পেদ্রো ও স্যামুয়েল লিনোর গোলে জয় নিশ্চিত করে দলটি। স্যামুয়েল লিনো করেছেন জোড়া গোল।
৩ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে চলছে ভারত ও পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। প্রথমার্ধে দুই গোল করে এগিয়ে থাকা ব্রাজিলকে পিছনে রেখেই দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় নেমেছে ভারত। বিরতির পর শুরু হয়েছে ম্যাচের শেষ ৪৫ মিনিটের লড়াই।
৩ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে চলছে ভারত ও পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। সিনিয়র পুরুষ জাতীয় দলের পর্যায়ে প্রথমবার মুখোমুখি হওয়া দুই দলের লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল।
৩ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আজ শনিবার মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল। সিনিয়র পুরুষ জাতীয় দলের পর্যায়ে এই প্রথমবার একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নামছে দুই দল। ফলে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ হলেও ভারত-ব্রাজিলের এই লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।
৩ অক্টোবর ২০২৬

বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভারতের মাটিতে মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও ভারত। শনিবার (৩ অক্টোবর) কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে দুই দলের আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
২ অক্টোবর ২০২৬

জাকার্তার বুং কার্নো স্টেডিয়ামে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ফিফা আসিয়ান কাপের শেষ ম্যাচে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধেই ছয় গোল হজম করেছে জামাল ভূঁইয়ার দল। বিপরীতে বাংলাদেশের হয়ে একটি গোল করেছেন শাহরিয়ার ইমন। ফলে বিরতিতে ৬-১ গোলে পিছিয়ে ছিল লাল-সবুজের দল।
১ অক্টোবর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রোমাঞ্চকর প্রীতি ম্যাচে ৪-২ গোলের জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল। ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গিয়েও প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় ছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে লাতিন আমেরিকার দলটি। ম্যাচে গোল করেছেন ভ্যান্ডারসন, রাফিনহা, ব্রুনো গিমারায়েস ও ভিনিসিউস জুনিয়র।
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬