
রিপোর্টার

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩৪ রান। উনিশতম ওভারে নাথান এলিসের বিপক্ষে আসে মাত্র ১১ রান। ফলে শেষ ওভারে দরকার হয় ২৩ রান। অ্যারন হার্ডির করা শেষ ওভারে তাওহিদ হৃদয় ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন দুটি চার হাঁকিয়ে ১৫ রান তুললেও লক্ষ্য ছোঁয়া সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৮৯ রান।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া শুরুতে কিছুটা ধাক্কা খেলেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায়। ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে সফরকারীরা। ইনিংসের নায়ক ছিলেন ম্যাট রেনশো। অপরাজিত ৮৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া ডেভিডের ৪৫ রানের ইনিংস বড় সংগ্রহ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশের বোলাররা শুরুতে দারুণ সাফল্য এনে দেন। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে জশ ইংলিসকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন নাসুম আহমেদ। এরপর নাহিদ রানা নিজের প্রত্যাবর্তন ম্যাচেই উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে আরও চাপে ফেলেন। পরে মিচেল মার্শও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। কিন্তু এরপর রেনশো ও ডেভিডের ৯৭ রানের জুটি ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেয়।
ব্যাট হাতে বাংলাদেশও শুরুটা করেছিল দুর্দান্ত। তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসানের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৪৮ রান। তামিম ১৫ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন। এরপর সৌম্য সরকার ৯ বলে ১৫ রান করেন। পারভেজ হোসেন ইমন ২২ বলে ৩৬ রান করে আশা জাগালেও আউট হওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে অস্ট্রেলিয়ার দিকে চলে যায়। সাইফ হাসানও ৪২ রান করে ফিরে গেলে চাপ আরও বাড়ে।
শেষদিকে তাওহিদ হৃদয় একাই লড়াই চালিয়ে যান। তার ৩৫ রানের ইনিংস বাংলাদেশের সমর্থকদের কিছুটা আশা দেখালেও শেষ পর্যন্ত সেটি হার এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। ফলে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় তুলে নিয়ে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাসুম আহমেদ। তিনি ২৭ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। এছাড়া নাহিদ রানা, আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও মুস্তাফিজুর রহমান একটি করে উইকেট শিকার করেন।

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
১ দিন আগে

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলছে ভারত।
২ দিন আগে

খেলাপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটবে। ক্রিকেট, টেনিস ও ফুটবল—তিন জনপ্রিয় খেলাতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর মধ্যে নারী এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট ও ইউএস ওপেনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশনে।
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের ইনিংস শেষে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংসের ২ দশমিক ১ ওভার শেষে ১৪ রান এসেছে, কোনো উইকেট হারায়নি নিগার সুলতানার দল।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের নারী এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন লড়াইয়ের অপেক্ষায় নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ডাম্বুলার পর এবার দুবাইয়ের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। আগামী অক্টোবর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৩ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে এবারও পদকের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তবে পদকের মঞ্চে পৌঁছাতে হলে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দুই দলকে। পুরুষ ও নারী—উভয় দলই সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে। আর সেই ধাপ পেরোতে পারলেই ব্রোঞ্জ নয়, সোনার পদকের লড়াইয়ে নামার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। আনন্দের কোনো কারণও ছিল না। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দলকে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে না পারলেও বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেছিল মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনদের বোলিং নৈপুণ্য। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬