
সিনিয়ার রিপোর্টার

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
দ্বিতীয় টেস্টে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে অসাধারণ ব্যাটিং করে বাংলাদেশ তোলে ৩৯০ রান। প্রথম ইনিংসের লিড যোগ হয়ে পাকিস্তানের সামনে দাঁড়ায় ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য। অর্থাৎ ম্যাচ জিততে হলে চতুর্থ ইনিংসে রেকর্ড গড়া ব্যাটিং করতে হবে সফরকারীদের।
টেস্ট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ সফল রান তাড়ার রেকর্ড ৪১৮ রান। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই কীর্তি গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর পাকিস্তানের নিজেদের সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া ৩৮২, যা তারা করেছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
তাই সিলেটে জয়ের জন্য পাকিস্তানকে একসঙ্গে দুটি ইতিহাস ভাঙতে হবে নিজেদের রেকর্ড এবং বিশ্বরেকর্ড।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে অভিজ্ঞতার ছাপ রেখে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম। ১৩৭ রানের ইনিংসে তিনি পাকিস্তানি বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেন। লিটন দাস ৬৯ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ও ৫২ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন।
টাইগারদের ব্যাটিং দৃঢ়তা ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেয়। একসময় সমতায় থাকা ম্যাচ এখন বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।
পাকিস্তানের হয়ে খুররম শাহজাদ ৪ উইকেট নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। সাজিদ খানও ৩টি উইকেট শিকার করেন। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটারদের ধৈর্যের সামনে শেষ পর্যন্ত বড় ক্ষতি ঠেকানো যায়নি।
এর আগে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৩২ রানে। বাবর আজমের ৬৮ ও শান মাসুদের ৫৪ রান ছাড়া বড় কোনো ইনিংস দেখা যায়নি। বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে নাহিদ রানা, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ ছিলেন দুর্দান্ত।
এখন সিলেট টেস্টের শেষ অধ্যায়ে সব চোখ পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের দিকে। তারা কি অসম্ভবকে সম্ভব করবে, নাকি বাংলাদেশের বোলাররা ইতিহাস গড়ে দেবে সেটিই এখন কোটি ক্রিকেটভক্তের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে যেন বদলে গেছে বাংলাদেশ! ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে ডারউন টেস্টে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে টাইগাররা। অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে এরই মধ্যে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ।
৩ দিন আগে

দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর রোমাঞ্চের এক নতুন অধ্যায় রচনা করে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতেই বিশ্বকে চমকে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে প্রথম সেশনেই একের পর এক আঘাত হানেন টাইগার পেসাররা। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগেই অজি শিবিরের টপ অর্ডারের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দারুণ ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ।
৪ দিন আগে

আইপিএলের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে আলো ছড়ানো তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলকে একটি গুরুতর অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা পুরো ক্রীড়াঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
৫ দিন আগে

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
২ আগস্ট ২০২৬

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬