
রিপোর্টার

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
শুরুর দিকে ঘোষিত দলটিতে তার নাম না থাকায় ভক্ত-সমর্থকদের মনে কিছুটা হতাশা থাকলেও, শনিবার (১ আগস্ট) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে, এই উইকেটকিপার-ব্যাটার প্রথম টেস্টের স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার পেস ও বাউন্সি উইকেটে লিটনের মতো একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের উপস্থিতি টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপকে যে বহুগুণ শক্তিশালী করবে, তা বলাই বাহুল্য। ইনজুরি কাটিয়ে তার এই প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তির সুবাতাস বইছে।
পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় দুর্দান্ত সাফল্য: মেডিকেল টিমের সবুজ সংকেতে অস্ট্রেলিয়া যাত্রা
বিসিবির নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাম পায়ের কাফের চোট বা হ্যামস্ট্রিং ও পেশির ইনজুরি থেকে সম্পূর্ণ সফলভাবে সেরে ওঠার পরই লিটন দাসকে নির্বাচকদের মূল বিবেচনায় আনা হয়েছে। কঠোর রিহ্যাব বা পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় তার শারীরিক উন্নতির সন্তোষজনক অগ্রগতির কারণে শেষ পর্যন্ত মেডিকেল টিম তাকে প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার জন্য সম্পূর্ণ উপযুক্ত বলে ঘোষণা করেছে।
জানা গেছে, আগামী ১৩ আগস্ট অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে স্বাগতিকদের বিপক্ষে শুরু হতে যাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রথম টেস্ট ম্যাচকে সামনে রেখে আজ রোববারই দলের সঙ্গে যোগ দিতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়বেন লিটন। দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা এবং বিশেষজ্ঞদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকার সুবাদেই তিনি এত দ্রুত নিজের ফিটনেস ফিরে পেতে সক্ষম হয়েছেন।
ইনজুরির দীর্ঘ লড়াই ও মাঠের বাইরে কেটে যাওয়া কঠিন সময়
গত জুনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হওয়া ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে দুর্ভাগ্যজনকভাবে চোটের কবলে পড়েন লিটন কুমার দাস। পায়ে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পরও সেদিন দলের স্বার্থে ইনজুরি নিয়েই ব্যাটিং ইনিংস শেষ করেছিলেন তিনি; কিন্তু এর পরবর্তীতে তাকে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠের বাইরে কাটাতে বাধ্য হতে হয়।
এই চোটের করাল গ্রাসে পড়ে টাইগারদের হয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হাই-ভোল্টেজ টি-টোয়েন্টি সিরিজ, জিম্বাবুয়ে সফর এবং ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক জনপ্রিয় লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (LPL)—সবকটি গুরুত্বপূর্ণ মিশনই মিস করতে হয়েছিল তাকে। এমনকি এলপিএলে তার বদলি হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন উইকেটকিপার-ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান। তবে সকল প্রতিকূলতা ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তিনি আবারও জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামার অপেক্ষায়।
স্কোয়াডে রদবদল: নাহিদ রানা ও শরিফুল ছিটকে গেলেও লিটনের ফেরায় স্বস্তি
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন প্রথম টেস্টের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশ স্কোয়াডে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে অভিজ্ঞ ও তারুণ্যের দারুণ এক ভারসাম্য রাখা হয়েছে। স্কোয়াডের অন্যান্য সদস্যরা হলেন—সহ-অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, জাকের আলী অনিক, অমিত হাসান, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী এবং তরুণ পেসার মুশফিক হাসান।
অন্যদিকে, দলের পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টে কিছু হতাশাও রয়েছে। ইনজুরির মারাত্মক থাবায় পুরো টেস্ট সিরিজ থেকেই ছিটকে গেছেন গতি তারকা পেসার নাহিদ রানা। এছাড়া ফিটনেস সমস্যার কারণে প্রথম টেস্টে খেলতে পারছেন না আরেক প্রতিশ্রুতিশীল পেসার শরিফুল ইসলাম। এমন চোটের ধাক্কা ও ধাক্কা সামলানোর মিছিলে অভিজ্ঞ লিটন দাসের এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশ দলের জন্য অন্যতম বড় ইতিবাচক ও স্বস্তিদায়ক খবর হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬