
সিনিয়ার রিপোর্টার

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
এমন বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলছে বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরু থেকেই ব্যাটাররা আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকেন এবং দ্রুত রান তুলতে সক্ষম হন। ৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান। এখনও জয়ের জন্য ৯৬ বলে করতে হবে ১৪৯ রান।
বাংলাদেশের ব্যাটাররা শুরুতে যেভাবে রান তুলছেন, তাতে ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস স্পষ্ট। ওভারপ্রতি ১২ দশমিক ৫২ রান তোলার গতিতে এগোচ্ছে টাইগাররা, যা প্রয়োজনীয় রান রেট ৯ দশমিক ২১-এর তুলনায় অনেক বেশি। তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একটি বা দুটি উইকেটের পতনই ম্যাচের গতি বদলে দিতে পারে। তাই শুরুটা ভালো হলেও শেষ পর্যন্ত একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
অন্যদিকে বড় সংগ্রহ গড়ে তোলার পর অস্ট্রেলিয়ার বোলাররাও দ্রুত ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর চেষ্টা করবে। তাই ম্যাচটি এখন দুই দলের জন্যই সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিটি ওভার, প্রতিটি রান এবং প্রতিটি উইকেট ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের সম্ভাবনা ৬৬ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা ৩৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্যই হলো অনিশ্চয়তা। তাই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছুই বলা যাচ্ছে না। ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন চট্টগ্রামের মাঠে, যেখানে যে কোনো সময় বদলে যেতে পারে ম্যাচের চিত্র।

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
৩ ঘণ্টা আগে

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
৫ দিন আগে

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬

অবশেষে পাকিস্তান বধের স্বপ্ন পূরণ করল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক লড়াই শেষে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে টেস্ট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করলো টাইগাররা। ঘরের মাঠে এই প্রথম পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জয় পেল বাংলাদেশ।
১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের অংশ না নেওয়া। সেই সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে সমালোচনা, বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন ওঠার পর এবার আনুষ্ঠানিক তদন্তে নেমেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
১১ মে ২০২৬