
সিনিয়ার রিপোর্টার

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে ব্যাট হাতে নামার পর অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। মাত্র কয়েক ওভারের মধ্যেই দুই ওপেনারের উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।
ইনিংসের চতুর্থ বলেই প্রথম আঘাত হানে অস্ট্রেলিয়া। জেভিয়ার বার্টলেটের করা বল ঠিকভাবে বুঝতে না পেরে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সৌম্য সরকার। ব্যক্তিগত ২ রান করে ফিরে যাওয়ায় হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় এই বাঁহাতি ব্যাটারকে। শুরুতেই উইকেট হারানোয় চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
তবে অন্য প্রান্তে কিছুটা ইতিবাচক ব্যাটিং করেন তানজিদ হাসান তামিম। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে দেখা যায় তাকে। কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন শট খেলে রান তোলার গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন এই তরুণ ওপেনার। মাত্র ২০ বলে ১৯ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কার মার।
যদিও বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি তানজিদ। ম্যাট রেনশর করা বলে রাইলি মেরেডিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তানজিদের বিদায়ে ৫৩ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ এবং আবারও চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।
প্রথম ১০ ওভারের পাওয়ারপ্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫৩ রান। দুই উইকেট হারালেও ইনিংসকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ধৈর্যশীল ও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে এক প্রান্ত আগলে রেখেছেন তিনি।
৪০ বল মোকাবিলা করে ২২ রানে অপরাজিত রয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার সঙ্গে উইকেটে রয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার লিটন দাস। দুজনই চেষ্টা করছেন বড় একটি জুটি গড়ে দলকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে।
অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে জেভিয়ার বার্টলেট এবং ম্যাট রেনশ একটি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন। এছাড়া রাইলি মেরেডিথ ও বেন ডোয়ারশুইসও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে বাংলাদেশের ব্যাটারদের চাপে রেখেছেন। তবে সফরকারীদের বোলিংয়ে কিছুটা শৃঙ্খলার ঘাটতিও দেখা গেছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ পেয়েছে ১১টি অতিরিক্ত রান, যার মধ্যে রয়েছে ৭টি ওয়াইড।
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই ট্রফি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। ফলে শেষ ম্যাচে জয় পেলে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার গৌরব অর্জন করবে টাইগাররা। অন্যদিকে সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে মাঠে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া।
ম্যাচের এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মাঝের ওভারগুলোতে বড় একটি জুটি গড়ে তোলা। শান্ত ও লিটন যদি দীর্ঘ সময় উইকেটে থাকতে পারেন, তাহলে প্রতিযোগিতামূলক এবং শক্তিশালী সংগ্রহ গড়া সম্ভব হবে। তবে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররাও সহজে সুযোগ দিতে রাজি নয়। ফলে মিরপুরে জমে উঠেছে সিরিজের শেষ লড়াই।
এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ শান্ত-লিটনের ব্যাটের দিকে। তাদের জুটিই নির্ধারণ করতে পারে বাংলাদেশ বড় সংগ্রহের দিকে এগোবে, নাকি ম্যাচে আরও চাপে পড়ে যাবে।
সরাসরি খেলা দেখতে এখানে ক্লিক করুন-

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬