
রিপোর্টার

মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো অঞ্চলে। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পের কম্পন শুধু মেক্সিকোতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পার্শ্ববর্তী গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরেও তা স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই সম্ভাব্য সুনামির ঝুঁকি বিবেচনায় উপকূলীয় এলাকাগুলোর জন্য সতর্কতা জারি করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে উপকূলজুড়ে শুরু হয়েছে সতর্কতা, উদ্বেগ এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের তৎপরতা।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) স্থানীয় সময় মেক্সিকোর চিয়াপাস রাজ্যের উপকূলীয় এলাকায় এই শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। কম্পনের তীব্রতায় বহু এলাকায় ভবন দুলে ওঠে এবং আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি, অফিস ও বিভিন্ন স্থাপনা ছেড়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল পুয়ের্তো মাদেরো শহরের কাছাকাছি এলাকায়। ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হওয়ায় কম্পনের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হয় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। অগভীর গভীরতার ভূমিকম্প সাধারণত বেশি ক্ষতিকর হয়ে থাকে, কারণ এর শক্তি সরাসরি ভূপৃষ্ঠে আঘাত হানে।
ভূমিকম্পের পরপরই মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সতর্কবার্তা প্রকাশ করে। সংস্থাটি জানায়, উপকেন্দ্র থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের উপকূলীয় এলাকায় বিপজ্জনক সুনামির ঢেউ আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ভূমিকম্পের কম্পন সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয় গুয়াতেমালার রাজধানী গুয়াতেমালা সিটিতে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কম্পনের সময় শহরের বিভিন্ন বহুতল ভবন কেঁপে ওঠে। আতঙ্কে অসংখ্য মানুষ দ্রুত ভবন ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিওতে সরকারি দপ্তর, অফিস ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ করে ভবন থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।
শুধু গুয়াতেমালাই নয়, প্রতিবেশী দেশ এল সালভাদরেও ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড ধরে ভূমিকম্পের কম্পন টের পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মেক্সিকোর ওক্সাকা রাজ্যের গভর্নর সালোমন জারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, রাজ্যের রাজধানীতেও ভূমিকম্পটি মাঝারি মাত্রায় অনুভূত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি না নেওয়া, সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
যদিও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবুও শক্তিশালী এই ভূমিকম্প এবং সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কা পুরো অঞ্চলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে পরবর্তী সময়ে নতুন নির্দেশনা বা সতর্কতা জারি করা হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ভারতের রেলপথে তীব্র যানজটের কারণে কয়লা পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক প্রভাব পড়েছে। দেশটির গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রে স্বাভাবিকের তুলনায় কম কয়লা পৌঁছানোয় উৎপাদন সমন্বয় করতে হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশে ওই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে আদানি পাওয়ার।
১ দিন আগে

বীরভূমের রামপুরহাটের কুশুম্বা গ্রামে বাবার বাড়ি থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ডাকাডাকি করেও তাঁর কোনো সাড়া না পাওয়ার পর পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা খুলে তাঁকে উদ্ধার করে।
২ দিন আগে

নতুন দিনের শুরুতে প্রবাসী বাংলাদেশি, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বর্তমান বিনিময় হার। প্রতিদিনই বৈদেশিক মুদ্রার দর কিছুটা ওঠানামা করায় দেশে টাকা পাঠানো কিংবা বিদেশি মুদ্রা কেনাবেচার আগে সর্বশেষ রেট জানা প্রয়োজন।
৫ দিন আগে

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের ভয়াবহ স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর বাংলাদেশের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার। তাঁর মতে, নেপালে যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশেও হুবহু একই ঘটনা ঘটবে—এমনটি বলার সুযোগ নেই। তবে দেশের পাহাড়ি এলাকায় পানি জমে থাকা, বাঁধের উপস্থিতি, ভূমিকম্পের ঝুঁকি এবং দীর্ঘদিনের পুরোনো বাঁধের কাঠামোগত দুর্বলতা থেকে হঠাৎ বিপুল পানির প্রবাহ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
৬ দিন আগে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সুখবর এসেছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার থেকে। বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে বিমান ভাড়াসহ কোনো ধরনের অভিবাসন ব্যয় ছাড়াই মালয়েশিয়ায় নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে দেশটির সরকার। ফলে প্রথম ধাপে ১০ হাজার কর্মীর মালয়েশিয়া যাত্রা হবে ‘জিরো কস্টে’।
৬ দিন আগে

নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চলে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের পর পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। বিপর্যয়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ, বরফ ও কাদার নিচে এখনো ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২৮ আগস্ট ২০২৬

পূর্ণ সূর্যগ্রহণের রোমাঞ্চকর দৃশ্যের স্মৃতি কাটতে না কাটতেই আকাশে দেখা দিতে যাচ্ছে আরেকটি বিরল মহাজাগতিক ঘটনা। আজ রাতে শুরু হবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। গ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৃথিবীর গাঢ় ছায়া চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ ঢেকে ফেলবে। তখন চাঁদের সামান্য যে অংশ ছায়ার বাইরে থাকবে, সেখানে ম্লান কমলা কিংবা রক্তিম আভা দেখা দিতে পারে।
২৮ আগস্ট ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। আকস্মিক এই বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি প্রায় ৪০০ পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজদের মধ্যে ২৯১ জনই বিদেশি নাগরিক।
২৬ আগস্ট ২০২৬

নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত-সংলগ্ন রসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার সঙ্গে পাহাড়ধস ও তুষারধসে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজে দেখা গেছে, মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে কীভাবে বিশাল মাটি ও পলির দেয়াল গড়িয়ে এসে মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা ঢেকে ফেলছে। প্রাণ বাঁচাতে মানুষকে ছোটাছুটি করে পালানোর চেষ্টা করতেও দেখা গেছে। কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কালো মাটি ও পলির প্রবল স্রোত সবকিছু গ্রাস করে নেয়।
২৬ আগস্ট ২০২৬