
সিনিয়ার রিপোর্টার

পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার জমির মূল্য এখন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল রিয়েল এস্টেট বাজারগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর আশপাশের জমির দাম এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা বিশ্বের শীর্ষ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর জমির মূল্যের সঙ্গেও প্রতিযোগিতা করছে। ধর্মীয় গুরুত্ব, সীমিত জমি, বিপুল সংখ্যক মুসল্লির আগমন এবং সৌদি আরবের ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রকল্প সবকিছু মিলিয়ে এই দুই শহরের ভূমির মূল্য ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।
রিয়েল এস্টেট বিশ্লেষকদের মতে, প্রতি বছর হজ ও ওমরাহ পালন করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কোটি কোটি মুসল্লি মক্কা ও মদিনায় আসেন। তাদের আবাসন, হোটেল, বাণিজ্যিক স্থাপনা এবং বিভিন্ন সেবার চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে জমির ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে পবিত্র নগরী হওয়ায় নতুন করে জমির সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগও সীমিত। ফলে চাহিদা বাড়লেও জমির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকায় মূল্য দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সাম্প্রতিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মক্কার হারামসংলগ্ন জাবাল ওমর এবং আজইয়াদ এলাকার জমির দাম সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকায় প্রতি বর্গমিটার জমির মূল্য প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার সৌদি রিয়াল পর্যন্ত পৌঁছেছে। কিছু বিশেষ উচ্চমূল্যের লেনদেনে প্রতি বর্গমিটার জমির মূল্য প্রায় ৮৭ হাজার মার্কিন ডলারের সমপর্যায়ে উঠেছে, যা বিশ্বজুড়ে অন্যতম ব্যয়বহুল জমির দামের মধ্যে গণ্য হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হারামের একেবারে কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এসব জমির বাণিজ্যিক মূল্য অত্যন্ত বেশি। হোটেল, বহুতল আবাসন, শপিং কমপ্লেক্স এবং ধর্মীয় পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসার জন্য এসব এলাকার জমির চাহিদা সব সময়ই তুঙ্গে থাকে।
তবে মক্কার সব এলাকায় জমির দাম সমান নয়। শহরের সাধারণ আবাসিক এলাকাগুলোতে জমির মূল্য তুলনামূলকভাবে অনেক কম। বিভিন্ন এলাকায় প্রতি বর্গমিটার জমির গড় মূল্য প্রায় ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার সৌদি রিয়াল। তবে অবস্থান, প্রধান সড়কের সংযোগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আশপাশের সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভর করে এই দাম আরও বাড়তে পারে।
একই ধরনের চিত্র দেখা যাচ্ছে মদিনাতেও। মসজিদে নববীর আশপাশের জমির মূল্য অন্যান্য এলাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ধর্মীয় গুরুত্ব এবং সারাবছর দর্শনার্থীদের উপস্থিতির কারণে এসব এলাকার জমির দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। তবে শহরের সাধারণ আবাসিক এলাকাগুলোতে তুলনামূলকভাবে কম দামে জমি পাওয়া যায় এবং সেখানেও অবস্থান ও উন্নয়ন সুবিধার ভিত্তিতে মূল্য নির্ধারিত হয়।
রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞদের মতে, সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার ফলে আগামী বছরগুলোতেও মক্কা ও মদিনার জমির মূল্য বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ধর্মীয় পর্যটনের সম্প্রসারণ, নতুন হোটেল নির্মাণ, বাণিজ্যিক অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির কারণে এই দুই শহরের সম্পত্তি বাজার আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ করে সৌদি সরকারের বৃহৎ উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় পবিত্র দুই নগরীতে নতুন নতুন অবকাঠামো, আবাসন ও সেবামূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বাড়ছে, যা জমির বাজারকে আরও সক্রিয় করে তুলছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ধর্মীয় গুরুত্ব, সীমিত জমি এবং ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয়ে ভবিষ্যতেও মক্কা ও মদিনা বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান রিয়েল এস্টেট বাজারগুলোর অন্যতম অবস্থান ধরে রাখবে।

ভারতের রেলপথে তীব্র যানজটের কারণে কয়লা পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক প্রভাব পড়েছে। দেশটির গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রে স্বাভাবিকের তুলনায় কম কয়লা পৌঁছানোয় উৎপাদন সমন্বয় করতে হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশে ওই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে আদানি পাওয়ার।
১ দিন আগে

বীরভূমের রামপুরহাটের কুশুম্বা গ্রামে বাবার বাড়ি থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ডাকাডাকি করেও তাঁর কোনো সাড়া না পাওয়ার পর পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা খুলে তাঁকে উদ্ধার করে।
২ দিন আগে

নতুন দিনের শুরুতে প্রবাসী বাংলাদেশি, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বর্তমান বিনিময় হার। প্রতিদিনই বৈদেশিক মুদ্রার দর কিছুটা ওঠানামা করায় দেশে টাকা পাঠানো কিংবা বিদেশি মুদ্রা কেনাবেচার আগে সর্বশেষ রেট জানা প্রয়োজন।
৫ দিন আগে

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের ভয়াবহ স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর বাংলাদেশের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার। তাঁর মতে, নেপালে যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশেও হুবহু একই ঘটনা ঘটবে—এমনটি বলার সুযোগ নেই। তবে দেশের পাহাড়ি এলাকায় পানি জমে থাকা, বাঁধের উপস্থিতি, ভূমিকম্পের ঝুঁকি এবং দীর্ঘদিনের পুরোনো বাঁধের কাঠামোগত দুর্বলতা থেকে হঠাৎ বিপুল পানির প্রবাহ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
৬ দিন আগে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সুখবর এসেছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার থেকে। বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে বিমান ভাড়াসহ কোনো ধরনের অভিবাসন ব্যয় ছাড়াই মালয়েশিয়ায় নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে দেশটির সরকার। ফলে প্রথম ধাপে ১০ হাজার কর্মীর মালয়েশিয়া যাত্রা হবে ‘জিরো কস্টে’।
৬ দিন আগে

নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চলে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের পর পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। বিপর্যয়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ, বরফ ও কাদার নিচে এখনো ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২৮ আগস্ট ২০২৬

পূর্ণ সূর্যগ্রহণের রোমাঞ্চকর দৃশ্যের স্মৃতি কাটতে না কাটতেই আকাশে দেখা দিতে যাচ্ছে আরেকটি বিরল মহাজাগতিক ঘটনা। আজ রাতে শুরু হবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। গ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৃথিবীর গাঢ় ছায়া চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ ঢেকে ফেলবে। তখন চাঁদের সামান্য যে অংশ ছায়ার বাইরে থাকবে, সেখানে ম্লান কমলা কিংবা রক্তিম আভা দেখা দিতে পারে।
২৮ আগস্ট ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। আকস্মিক এই বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি প্রায় ৪০০ পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজদের মধ্যে ২৯১ জনই বিদেশি নাগরিক।
২৬ আগস্ট ২০২৬

নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত-সংলগ্ন রসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার সঙ্গে পাহাড়ধস ও তুষারধসে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজে দেখা গেছে, মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে কীভাবে বিশাল মাটি ও পলির দেয়াল গড়িয়ে এসে মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা ঢেকে ফেলছে। প্রাণ বাঁচাতে মানুষকে ছোটাছুটি করে পালানোর চেষ্টা করতেও দেখা গেছে। কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কালো মাটি ও পলির প্রবল স্রোত সবকিছু গ্রাস করে নেয়।
২৬ আগস্ট ২০২৬