
রিপোর্টার

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট-বলের লড়াই জমে উঠেছে। প্রথম ইনিংসে শক্ত ভিত গড়ে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে ম্যাচে দারুণ অবস্থান তৈরি করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। বড় স্কোরের চাপ নিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান।
তবে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং উপহার দিয়েছেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার। দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় সেশনে ১৩.৩ ওভার শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৭৩ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারীরা। ওপেনিং জুটির দৃঢ়তায় এখনো উইকেটশূন্য বাংলাদেশ। নতুন বল হাতে শুরুতে কয়েকবার সুযোগ তৈরি করলেও উইকেটের দেখা পায়নি টাইগার বোলাররা।
বর্তমানে পাকিস্তান বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ৩৪০ রানে পিছিয়ে রয়েছে। তবে তাদের ব্যাটিংয়ের গতি ছিল বেশ ইতিবাচক। দলটির বর্তমান রানরেট ৫.৪০, যা টেস্ট ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক সূচনার ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে শেষ ১০ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৮ রান তোলায় বোঝা যাচ্ছে, পাকিস্তানের দুই ওপেনার ধীরে ধীরে নিজেদের ইনিংস বড় করার পাশাপাশি বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে চাপে রাখার চেষ্টা করছেন।
অন্যদিকে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ এখন দ্রুত একটি ব্রেকথ্রু খুঁজছে। কারণ পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি যত সময় ক্রিজে কাটাবে, ম্যাচে তাদের অবস্থান তত শক্ত হবে। স্পিনার ও পেসারদের সমন্বয়ে উইকেট বের করে আনার পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছে স্বাগতিকরা।
ম্যাচের বর্তমান পরিস্থিতিতে স্কোরবোর্ডে এগিয়ে বাংলাদেশই। তবে পাকিস্তানের এই উদ্বোধনী জুটি যদি বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারে, তাহলে ম্যাচের গতি বদলে যেতে পারে যেকোনো সময়। তাই দ্বিতীয় দিনের বাকি সময় দুই দলের জন্যই হতে যাচ্ছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
৬ দিন আগে

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬