
নিজস্ব প্রতিবেদন; জ্বীন—এ এক রহস্যময় সৃষ্টি, যাদের নিয়ে মানুষের আগ্রহ ও কৌতূহলের শেষ নেই। আমাদের চোখে দেখা না গেলেও, তারা বসবাস করে আমাদের আশেপাশেই। কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে—জ্বীন যখন মারা যায়, তখন আসলে কী ঘটে? তারা কি মানুষের মতো মাটিতে মিশে যায়? নাকি ধারণ করে অন্য কোনো ভিন্ন রূপ?
ইসলামি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, জ্বীনদেরও মৃত্যুবরণ করতে হয়। কোরআনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে” (সূরা আল-ইমরান, আয়াত ১৮৫)। তবে তাদের মৃত্যুর পর তারা কী রূপ নেয়, তা নিয়ে রয়েছে নানা মত, নানা গল্প।
ধর্মীয় পণ্ডিতরা বলেন—জ্বীন যেহেতু আগুন থেকে সৃষ্টি, তাই মৃত্যুর সময় তাদের সেই অদৃশ্য শরীর ধ্বংস হয়ে যায়। তারা আর কোনো দৃশ্যমান রূপে থাকে না। তাদের আত্মা চলে যায় ‘আলমে বরযাখ’ নামক এক ভিন্ন জগতে—যেটি মানুষের বোধের বাইরে।
তবে বিভিন্ন অলৌকিক অভিজ্ঞতা ও কাহিনিতে দেখা যায়, জ্বীন মৃত্যুর আগে বা পরে নানা ভীতিকর রূপ নিতে পারে—কখনো সাপের আকৃতি, কখনো ধোঁয়ার মতো, আবার কখনো ছায়ার মতো এক অজানা অবয়ব! কেউ কেউ দাবি করেন, কোনো জ্বীন মারা গেলে আশেপাশে অস্বাভাবিক গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, শোনা যায় অদ্ভুত শব্দ বা দেখা যায় ঘন ধোঁয়ার আবরণ।
তবে এসব ঘটনা কতটা বাস্তব, আর কতটা কল্পনা—তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। কারণ জ্বীনদের জগৎ আমাদের দৃষ্টির বাইরে, তাদের মৃত্যু বা রূপান্তরও আমাদের কাছে এক গভীর রহস্যই রয়ে গেছে।
তবে একটি সত্য অস্বীকার করা যায় না—জ্বীন মারা গেলেও, তাদের ঘিরে মানুষের ভয়ের অনুভূতি আর চিরন্তন কৌতূহল কখনোই মরে না।
আশা/

দিনভর ব্যস্ততা, কর্মজীবনের চাপ আর নানা দুশ্চিন্তার পর রাতের ঘুমই হয়ে ওঠে মানুষের সবচেয়ে বড় প্রশান্তির সময়। কিন্তু অনেকেই ঘুমানোর আগে সময় কাটান মোবাইল ফোনে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবা অপ্রয়োজনীয় কাজে। অথচ ইসলাম একজন মুমিনের জন্য ঘুমানোর আগেও রেখে দিয়েছে সহজ কিন্তু অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল, যা পালন করতে সময় লাগে মাত্র এক মিনিট।
১৮ জুন ২০২৬

পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ শুধু জীবদ্দশায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাদের মৃত্যুর পরও এই দায়িত্ব অব্যাহত রাখার নির্দেশনা এসেছে হাদিসে।
১ জুন ২০২৬

মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর একটি ঈদুল আজহা। ত্যাগ, আনুগত্য ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের শিক্ষা নিয়ে প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আসে কোরবানির এই ঈদ। এই দিনটিকে ঘিরে মুসলমানদের মধ্যে থাকে বিশেষ প্রস্তুতি, আর দিনের শুরু হয় ঈদের নামাজের মাধ্যমে।
২৭ মে ২০২৬

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মুসলমানদের মধ্যে কুরবানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা যায়। বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পরিবারের একজন সদস্য, বিশেষ করে পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলেই পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি ভিন্ন।
২২ মে ২০২৬

প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ছেড়ে চিরস্থায়ী জীবনের পথে যাত্রা করতে হবে এটাই মানবজীবনের চিরন্তন বাস্তবতা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেই-ই প্রকৃত সফল। আর পার্থিব জীবন শুধুই ছলনার বস্তু।
২ মে ২০২৬

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬