
রিপোর্টার

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মুসলমানদের মধ্যে কুরবানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা যায়। বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পরিবারের একজন সদস্য, বিশেষ করে পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলেই পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি ভিন্ন।
ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, কুরবানি মূলত ব্যক্তিগত ইবাদত। এটি কোনো পরিবারের ওপর একসঙ্গে ওয়াজিব হয় না। বরং পরিবারের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষ, যারা নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক, তাদের প্রত্যেকের ওপর পৃথকভাবে কুরবানি ওয়াজিব।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, যেমন একজনের নামাজ অন্যজনের পক্ষ থেকে আদায় হয় না, তেমনি একজনের কুরবানিতেও অন্যজনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন—
“কোনো ব্যক্তি অন্য কারও বোঝা বহন করবে না।”
(সুরা আন-নাজম: ৩৮)
ফিকহশাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ আল-ফাতাওয়াল আলমগীরিয়্যাহ-এ বলা হয়েছে, যৌথ পরিবার বা পৃথক পরিবার— উভয় ক্ষেত্রেই প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর কুরবানি ওয়াজিব।
তবে কুরবানির পশু আলাদা হলেও পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে সেই গোশত রান্না করে খেতে পারবেন। এতে শরিয়তের কোনো নিষেধ নেই।
যৌথ পরিবারে কুরবানির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভুল হয় ছোট পশু নিয়ে। ইসলামি বিধান অনুযায়ী, ছাগল, ভেড়া বা দুম্বার মতো ছোট পশুতে একাধিক ব্যক্তি শরিক হতে পারবেন না। অর্থাৎ দুই ভাই মিলে একটি ছাগল কুরবানি দিলে কারও কুরবানিই শুদ্ধ হবে না।
তবে গরু, মহিষ বা উটের মতো বড় পশুতে সর্বোচ্চ সাতজন পর্যন্ত শরিক হওয়ার সুযোগ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, পরিবারের পাঁচজন সদস্য যদি কুরবানির যোগ্য হন, তাহলে তারা পাঁচজন মিলে একটি গরু কুরবানি দিতে পারবেন। এতে প্রত্যেকের কুরবানি আদায় হবে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গরুর এক ভাগে একাধিক ব্যক্তির নাম দেওয়া যাবে না। একটি ভাগ শুধুমাত্র একজনের জন্য নির্ধারিত থাকবে। অন্যথায় পুরো কুরবানি অশুদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
হাদিসে কুরবানির গুরুত্ব তুলে ধরে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যার কুরবানির সামর্থ্য রয়েছে, অথচ সে কুরবানি করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।”
ইসলামি গবেষকদের মতে, কুরবানি কেবল পশু জবাইয়ের নাম নয়; এটি আল্লাহর প্রতি আনুগত্য, ত্যাগ ও তাকওয়ার প্রতীক। তাই সামাজিক রীতি বা প্রচলিত ভুল ধারণার বদলে শরিয়তের সঠিক বিধান জানা ও তা মেনে চলাই প্রকৃত ঈমানদারের দায়িত্ব।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আসছে বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেল। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির চাপে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মচারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি সুবিধা রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে

ঈদুল আজহা ঘিরে বাড়তি বিদ্যুৎ চাহিদা মোকাবিলায় মাঠে নেমেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগাম রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হওয়ায় শনিবার (২৩ মে) দেশের কয়েকটি এলাকায় কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
৩ ঘণ্টা আগে

দেশের সব ভূমি মালিক ও খতিয়ানধারীদের জন্য জরুরি বার্তা দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে চলতি অর্থবছরের ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) এবং আগের সব বকেয়া পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কর পরিশোধের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
৫ ঘণ্টা আগে

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হলো বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেল সংক্রান্ত সচিব কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এই সভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো, অতিরিক্ত ব্যয়ের হিসাব এবং পেনশন সুবিধা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে

আসন্ন ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিকে সামনে রেখে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটির আমেজ শুরু হলেও এর আগেই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
৮ ঘণ্টা আগে

সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতন কাঠামোর প্রথম ধাপ কার্যকর হতে পারে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কমিটির সুপারিশ চূড়ান্ত করার কাজ চলছে এবং অনুমোদনের পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে বলে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
১ দিন আগে

নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় সচিবালয়ে শুরু হওয়া এ বৈঠক দুপুরে শেষ হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
১ দিন আগে

আগামী অর্থবছরের শুরুতেই, অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের নীতিগত প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১ দিন আগে

আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে দেশের প্রবাসী আয়ের প্রবাহে নতুন গতি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চলতি মে মাসের প্রথম ২০ দিনেই দেশে এসেছে ২৬২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৩২ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা (ডলার প্রতি ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা ধরে)।
১ দিন আগে