
সিনিয়ার রিপোর্টার

বাংলাদেশে সেবা খাতে দুর্নীতি ও ঘুষের বিস্তার এখনো ভয়াবহ মাত্রায় রয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির সর্বশেষ জাতীয় খানা জরিপে উঠে এসেছে এমন এক বাস্তবতা, যেখানে দেশের অধিকাংশ মানুষ সেবা নিতে গিয়ে কোনো না কোনো ধরনের দুর্নীতি কিংবা ঘুষের মুখোমুখি হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ‘সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভাগীয় পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির শিকার হয়েছেন ময়মনসিংহ বিভাগের নাগরিকরা। জরিপ অনুযায়ী, এ বিভাগের ৮৮ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ দুর্নীতির অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ৬৬ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষকে সেবা পেতে ঘুষ দিতে হয়েছে।
অন্যদিকে ঘুষ প্রদানের ক্ষেত্রে দেশের শীর্ষে রয়েছে খুলনা বিভাগ। এখানে ৭০ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ সেবা গ্রহণের জন্য ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছেন। দুর্নীতির সামগ্রিক হারও উদ্বেগজনক, যা ৮৮ শতাংশ।
বরিশাল, রংপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগেও দুর্নীতি এবং ঘুষের হার উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। বরিশালে দুর্নীতির শিকার হয়েছেন ৮৭ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ, রংপুরে ৮৫ দশমিক ৭ শতাংশ, ঢাকায় ৮০ দশমিক ১ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭৯ দশমিক ৪ শতাংশ এবং সিলেটে ৭৯ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ।
তবে অন্যান্য বিভাগের তুলনায় রাজশাহীতে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো। সেখানকার ৭২ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ দুর্নীতির শিকার হয়েছেন এবং ৫৮ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ ঘুষ দিয়েছেন, যা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন।
টিআইবির জরিপে আরও বলা হয়েছে, জাতীয়ভাবে ৮১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ দুর্নীতির শিকার হয়েছেন এবং ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ ঘুষ দিয়েছেন। অর্থাৎ প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৮ জন নাগরিক কোনো না কোনোভাবে দুর্নীতির অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন।
খাতভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসপোর্ট সেবা ও বিআরটিএ এখনো দুর্নীতির সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ খাত হিসেবে রয়ে গেছে। পাসপোর্ট সেবায় ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ এবং বিআরটিএ সেবায় ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ ঘুষ ও দুর্নীতির অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, কৃষি এবং ভূমি সেবাও দুর্নীতির তালিকায় উপরের দিকে রয়েছে।
জরিপে অংশগ্রহণকারী ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবার মনে করে, ঘুষ ছাড়া কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব। এই ধারণা দেশের সেবা খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার সংকটকেই আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
যদিও পরিবারপ্রতি গড় ঘুষের পরিমাণ কিছুটা কমেছে এবং বর্তমানে তা ৫ হাজার ১২৪ টাকায় নেমে এসেছে, তবুও দুর্নীতির বিস্তার দেশের প্রশাসনিক ও সেবাখাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্যকর জবাবদিহি, স্বচ্ছতা এবং সুশাসন নিশ্চিত না হলে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ কঠিন হবে।

রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দাদের জন্য নতুন আবহাওয়ার বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতের দিকে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ফলে দিনের তীব্র গরমের পর রাতের আবহাওয়ায় কিছুটা পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর আর্থিক, কারিগরি ও আইনি বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
২৩ ঘণ্টা আগে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে নানা আলোচনা, প্রত্যাশা ও জল্পনা-কল্পনা। বিশেষ করে নতুন পে-স্কেলের গেজেট কবে প্রকাশ হবে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সরকার কি ইচ্ছাকৃতভাবে গেজেট প্রকাশে বিলম্ব করছে? তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে ভিন্ন চিত্রই সামনে আসে।
১ দিন আগে

দীর্ঘ ১১ বছরের প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হলেও মূল বেতনের কত শতাংশ বৃদ্ধি প্রথম ধাপে কার্যকর হবে, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত সামনে আসেনি। ফলে দেশের লাখো সরকারি চাকরিজীবীর মধ্যে যেমন আশার সঞ্চার হয়েছে, তেমনি তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।
১ দিন আগে

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন দেশের লাখো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়ার পর সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতায় নতুন এই পে-স্কেলকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
১ দিন আগে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে আজ (২৪ জুন) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক। পে-স্কেল সংক্রান্ত সচিব কমিটির এই সভাকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পদ্ধতি, বেতন বৃদ্ধি, বিভিন্ন ভাতা সমন্বয় এবং দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য নিরসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে এ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।
১ দিন আগে

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও এলো স্বস্তির বার্তা। স্বর্ণ ও রুপার দাম কমার খবরে নতুন করে আশার আলো দেখছেন ক্রেতারা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণ ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য মূল্যহ্রাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
১ দিন আগে

সরকার নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি অগ্রাধিকার পেতে পারে। জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার পরিকল্পনা থাকলেও এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের ভারসাম্য আনার দিকে এগোচ্ছে বলে জানা গেছে।
১ দিন আগে

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও স্বস্তির খবর এসেছে ক্রেতাদের জন্য। টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকায়।
১ দিন আগে