
যুব এশিয়া কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল তাদের শিরোপা ধরে রাখার মিশনে দুর্দান্ত শুরু করেছে। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে তারা শক্ত প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানকে ৪৯ রানে হারিয়েছে। অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের অসাধারণ সেঞ্চুরি এবং বোলারদের দাপুটে পারফরম্যান্সে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে যুব টাইগাররা।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি। মাত্র ৩ রানে ওপেনার জাওয়াদ আকবর বিদায় নেন। তবে দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম এবং সিদ্দিকি আলিন ১৪২ রানের বিশাল জুটি গড়ে দলের ভিত মজবুত করেন।
সিদ্দিকি ৮২ বল খেলে ৫টি চারের সাহায্যে ৬৬ রান করেন। অন্যদিকে তামিম ছিলেন আরও দৃঢ়। একপ্রান্ত আগলে রেখে ১৩৩ বলের মোকাবিলায় ১০৩ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৯টি চার ও ১টি ছক্কার মার।
তাদের বিদায়ের পর বাংলাদেশের আর কেউই বলার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২২৮ রানে থামে যুব টাইগারদের ইনিংস। আফগানিস্তানের পক্ষে আব্দুল আজিজ, নসরতউল্লাহ নূরিস্তানি এবং খাতির স্টেনিজাই ২টি করে উইকেট নেন।
২২৮ রানের মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। বাংলাদেশের পেসার আল ফাহাদ ও ইকবাল হোসেন ইমন তাদের গতির ঝড়ে আফগান ব্যাটারদের বিপর্যস্ত করে দেন। দুজনই ৩টি করে উইকেট নেন। আরেক পেসার মারুফ মৃধা শিকার করেন ২ উইকেট এবং রাফি উজ্জামান নেন ১টি উইকেট।
আফগানিস্তানের হয়ে খান আহমাদজাই সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ রান আসে খান মারুফখিলের ব্যাট থেকে। তবে দলের বাকিরা ব্যর্থ হন উল্লেখযোগ্য কোনো অবদান রাখতে। ফলে ৪৭.৫ ওভারে ১৯৩ রানে গুটিয়ে যায় আফগানিস্তানের ইনিংস।
আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ গাজানফার ছিলেন বিশেষ নজর কাড়ার মতো। জাতীয় দলে খেলা অভিজ্ঞ এই স্পিনারকে বেশ ভালোভাবেই সামলান বাংলাদেশের ব্যাটাররা। তার শিকার হননি তামিম বা সিদ্দিকি, যা বাংলাদেশ দলের জন্য দারুণ ইতিবাচক দিক।
স্কোরকার্ড (বাংলাদেশ ইনিংস):
আজিজুল হাকিম তামিম: ১৩৩ বলে ১০৩ (৯ চার, ১ ছক্কা)
সিদ্দিকি আলিন: ৮২ বলে ৬৬ (৫ চার)
আফগান বোলিং:
আব্দুল আজিজ: ১০ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ২ উইকেট
নসরতউল্লাহ নূরিস্তানি: ১০ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ২ উইকেট
খাতির স্টেনিজাই: ১০ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে ২ উইকেট
স্কোরকার্ড (আফগানিস্তান ইনিংস):
খান আহমাদজাই: ৭২ বলে ৫৮
খান মারুফখিল: ৫২ বলে ৩৪
বাংলাদেশ বোলিং:
আল ফাহাদ: ১০ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট
ইকবাল হোসেন ইমন: ৯ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট
মারুফ মৃধা: ৮ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ২ উইকেট
রাফি উজ্জামান: ৭.৫ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ১ উইকেট
এই জয়ে গ্রুপ পর্বে ভালো অবস্থানে থাকার পাশাপাশি শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আত্মবিশ্বাসী শুরু করেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে তামিমের সেঞ্চুরি এবং পেসারদের দাপুটে বোলিং দলের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। পরবর্তী ম্যাচগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন পূরণ করা অসম্ভব নয়।

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬

অবশেষে পাকিস্তান বধের স্বপ্ন পূরণ করল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক লড়াই শেষে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে টেস্ট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করলো টাইগাররা। ঘরের মাঠে এই প্রথম পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জয় পেল বাংলাদেশ।
১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের অংশ না নেওয়া। সেই সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে সমালোচনা, বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন ওঠার পর এবার আনুষ্ঠানিক তদন্তে নেমেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
১১ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট-বলের লড়াই জমে উঠেছে। প্রথম ইনিংসে শক্ত ভিত গড়ে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে ম্যাচে দারুণ অবস্থান তৈরি করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। বড় স্কোরের চাপ নিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান।
৯ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দারুণ অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্সে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা। শক্ত এই স্কোরের ওপর ভর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে রাখে বাংলাদেশ।
৯ মে ২০২৬

বিপিএলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তদন্তে উঠে এসেছে ম্যাচ ফিক্সিং, আন্তর্জাতিক বেটিং সিন্ডিকেটের যোগাযোগ এবং ক্রিকেটারদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ।
৭ মে ২০২৬