
রিপোর্টার

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শুরুতেই ফুটবলপ্রেমীরা উপভোগ করছেন আরেকটি রোমাঞ্চকর লড়াই। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি সমান উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ ঘিরে। মাত্র দুই ম্যাচ শেষ হলেও বিশ্বের সেরা কয়েকজন তারকা ফরোয়ার্ড গোলের পর গোল করে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছেন। ফলে কে শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন, তা নিয়ে এখন থেকেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে অবস্থান করছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দুই ম্যাচ শেষে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫। বিশ্ব ফুটবলের এই কিংবদন্তি আবারও প্রমাণ করছেন যে বয়স তার পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এখনও তিনি প্রতিপক্ষের জন্য সবচেয়ে ভয়ঙ্কর আক্রমণভাগের অস্ত্র।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে জোড়া গোল করে আর্জেন্টিনাকে জয় এনে দেওয়ার পাশাপাশি গোল্ডেন বুটের তালিকায় নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন মেসি। তার অসাধারণ ফিনিশিং, খেলার নিয়ন্ত্রণ এবং অভিজ্ঞতা আর্জেন্টিনাকে যেমন এগিয়ে নিচ্ছে, তেমনি ব্যক্তিগত অর্জনের দৌড়েও তাকে সবার সামনে রেখেছে।
তবে মেসির পথ মোটেও সহজ নয়। তার ঠিক পেছনেই অবস্থান করছেন দুই তরুণ সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে ও এরলিং হালান্ড। দুইজনেরই গোলসংখ্যা বর্তমানে ৪। ফ্রান্সের জার্সিতে এমবাপ্পে এবং নরওয়ের হয়ে হালান্ড দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। বিশ্ব ফুটবলের বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত এই দুই তারকা প্রতিটি ম্যাচেই গোল করে মেসির ওপর চাপ তৈরি করছেন।
সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে তাদের পারফরম্যান্সও ছিল অসাধারণ। ইরাকের বিপক্ষে ফ্রান্সের হয়ে জোড়া গোল করেন এমবাপ্পে। অন্যদিকে সেনেগালের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন হালান্ড, যেখানে তিনিও জোড়া গোল করেন। ফলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে ব্যবধান খুবই কম এবং যেকোনো ম্যাচের পর অবস্থান বদলে যেতে পারে।
এই প্রতিযোগিতায় আলোচিত আরেকটি নাম ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেন। যদিও তিনি এখনও শীর্ষ তিনজনের পেছনে রয়েছেন, তবুও তার গোল করার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা তাকে অন্যতম দাবিদার হিসেবে রেখেছে। সামনে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থাকায় কেন যে কোনো সময় গোলের সংখ্যা বাড়িয়ে শীর্ষ লড়াইয়ে জায়গা করে নিতে পারেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে অনেকবারই দেখা গেছে, গ্রুপ পর্ব শেষে গোল্ডেন বুটের সমীকরণ নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। তাই এখনই কাউকে নিশ্চিত বিজয়ী বলা কঠিন। তবে এবারের আসরের শুরুতেই যেভাবে মেসি, এমবাপ্পে, হালান্ড ও কেন নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিচ্ছেন, তাতে গোল্ডেন বুটের লড়াই বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু ব্যক্তিগত পুরস্কারের লড়াই নয়; বরং প্রতিটি গোল তাদের দলকেও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে শিরোপার পথে। ফলে গোল্ডেন বুটের এই যুদ্ধ দলগত সাফল্যের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে।
গ্রুপ পর্বের এখনও বেশ কয়েকটি ম্যাচ বাকি। সামনে রয়েছে নকআউট পর্বের আরও বড় মঞ্চ। তাই ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষা এখন একটাই শেষ পর্যন্ত কার পায়ে উঠবে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার? মেসি কি নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারবেন, নাকি এমবাপ্পে, হালান্ড কিংবা কেন তাকে ছাড়িয়ে যাবেন? সেই উত্তর মিলবে সময়ের সঙ্গে, তবে নিশ্চিতভাবেই এই রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতা বিশ্বকাপের উত্তেজনাকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

কাতার বিশ্বকাপের শিরোপার স্বপ্ন আগেই শেষ হয়ে গেছে ব্রাজিলের। তবে মাঠের বাইরে কোয়ার্টার ফাইনালের একটি ম্যাচ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য বয়ে এনেছে স্বস্তির বার্তা। মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের জয় শুধু বর্তমান আসরের সেমিফাইনালের একটি জায়গাই নিশ্চিত করেনি, একই সঙ্গে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিলের অবস্থানও আপাতত নিরাপদ রেখেছে।
১ দিন আগে

ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এসেছে দারুণ সুখবর। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবং অস্ট্রেলিয়ার পুরুষ ফুটবল দল। বিশ্বকাপ-পরবর্তী সময়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই দুই ম্যাচের সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে।
১ দিন আগে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উত্তেজনা এখন চরমে। শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে আরেকটি বড় পরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে শক্তিশালী সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে লিওনেল স্কালোনির দল। শেষ ষোলোর রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেওয়া আলবিসেলেস্তেরা এবারও মূল একাদশে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটছে না। তবে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পজিশন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি কোচ।
১ দিন আগে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উত্তেজনা এখন চরমে পৌঁছেছে। টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচই এখন শিরোপা জয়ের স্বপ্নকে আরও কাছে টেনে নিচ্ছে কিংবা এক মুহূর্তেই শেষ করে দিচ্ছে। সেই রোমাঞ্চের মধ্যেই শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত কোয়ার্টার ফাইনালের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় মুখোমুখি হয়েছে ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি ফ্রান্স এবং আফ্রিকার শক্তিশালী প্রতিনিধি মরক্কো। সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে দুই দলই মাঠে নেমেছে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে।
২ দিন আগে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উত্তেজনা এখন চরমে। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব কোয়ার্টার ফাইনালে অবশেষে মাঠে নেমেছে ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি ফ্রান্স এবং আফ্রিকার শক্তিশালী প্রতিনিধি মরক্কো। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত এই হাইভোল্টেজ লড়াই।
২ দিন আগে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এখন পৌঁছে গেছে সবচেয়ে রোমাঞ্চকর পর্যায়ে। শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে আজ কোয়ার্টার ফাইনালের মহারণে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের পরাশক্তি ফ্রান্স এবং আফ্রিকার অন্যতম শক্তিশালী দল মরক্কো। দুই দলের এই হাইভোল্টেজ লড়াই ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তুমুল উন্মাদনা। কোটি কোটি দর্শকের চোখ এখন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন স্টেডিয়ামের দিকে, যেখানে নির্ধারিত হবে সেমিফাইনালে ওঠার প্রথম দল।
২ দিন আগে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এখন সবচেয়ে রোমাঞ্চকর সময়ে। নকআউট পর্ব পেরিয়ে টুর্নামেন্ট পৌঁছে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে, যেখানে একটি জয়ই খুলে দেবে সেমিফাইনালের দরজা, আর একটি হার শেষ করে দেবে বিশ্বকাপের স্বপ্ন। এমনই এক হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি ফ্রান্স এবং উত্তর আফ্রিকার অন্যতম সেরা দল মরক্কো। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর চোখ এখন এই ম্যাচের দিকে।
২ দিন আগে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বড় ধরনের ধাক্কা খেল বর্তমান রানার্সআপ ফ্রান্স। মরক্কোর বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের অন্যতম ভরসা মিডফিল্ডার মাইকেল ওলিসকে দেওয়া হলুদ কার্ড বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ফলে এই ম্যাচে বাড়তি চাপ নিয়েই মাঠে নামতে হবে ফরাসি তারকাকে।
২ দিন আগে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে উত্তেজনা। শেষ ষোলোর লড়াই শেষ হওয়ার পর কোয়ার্টার ফাইনালের লাইনআপ চূড়ান্ত হয়েছে। তবে শেষ আটের সমীকরণ প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে ফিফার ড্র প্রক্রিয়া। কারণ এবারের বিশ্বকাপে এমন একটি নতুন কাঠামো অনুসরণ করা হয়েছে, যার ফলে বিশ্বের শীর্ষ দলগুলোকে টুর্নামেন্টের শুরুতেই একে অপরের মুখোমুখি হতে হয়নি। বরং পরিকল্পিতভাবে তাদের আলাদা ব্র্যাকেটে রাখা হয়েছে, যাতে সেমিফাইনালের আগে তাদের মধ্যে কোনো লড়াই না হয়।
২ দিন আগে