
রিপোর্টার

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দারুণ অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্সে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা। শক্ত এই স্কোরের ওপর ভর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে রাখে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সতর্ক কিন্তু ইতিবাচক সূচনা করেছে পাকিস্তান। ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে ৯.২ ওভার শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৫ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারীরা। ওপেনিং জুটিতে এখন পর্যন্ত দৃঢ়তা দেখিয়েছেন পাকিস্তানের দুই ব্যাটার। নতুন বলে বাংলাদেশের পেসার ও বোলাররা শুরুতে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করলেও এখনো সাফল্যের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা।
বর্তমানে পাকিস্তান বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ৩৬৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে। তাদের রানরেট ৪.৮২, যা টেস্ট ক্রিকেটের বিবেচনায় বেশ ইতিবাচক। হাতে এখনো সব ১০ উইকেট থাকায় সফরকারীরা লম্বা ইনিংস গড়ার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রথম ইনিংসে বড় স্কোর তুলে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ চাইবে দ্রুত উইকেট তুলে ম্যাচে নিজেদের আধিপত্য আরও শক্ত করতে। বিশেষ করে নতুন বলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি ভাঙাই এখন মূল লক্ষ্য টাইগার বোলারদের।
ম্যাচের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনো এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে পাকিস্তানের ওপেনাররা যদি এই জুটি বড় করতে পারেন, তাহলে ম্যাচে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। তাই দ্বিতীয় দিনের বাকি সময় দুই দলের জন্যই হতে যাচ্ছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
৬ দিন আগে

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬