
হঠাৎ করেই মোবাইল ফোনে তীব্র অ্যালার্ট সাউন্ড আর সঙ্গে ‘অত্যন্ত গুরুতর সতর্কবার্তা’। মুহূর্তেই চমকে ওঠেন ভারতের লাখো মানুষ।
শনিবার সকালে দেশজুড়ে একযোগে এই বার্তা পৌঁছানোর পর অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে পরে জানা যায়, এটি আসলে সরকারের একটি পরীক্ষামূলক সম্প্রচার।
হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, ‘Extremely Severe Alert’ শিরোনামের এই বার্তা জরুরি দুর্যোগ সতর্কতা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পাঠানো হয়েছিল।
বার্তায় বলা হয়, নাগরিকদের জন্য তাৎক্ষণিক সতর্কতা পৌঁছে দিতে সেল ব্রডকাস্ট প্রযুক্তি চালু করা হচ্ছে। তবে এটি কেবল একটি টেস্ট, তাই কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
ভারতের টেলিকমিউনিকেশন বিভাগ জানায়, ভবিষ্যতে দুর্যোগের সময় দ্রুত তথ্য পৌঁছে দিতে এই ব্যবস্থাকে কার্যকর করা হবে। তাই আগে থেকেই এর কার্যকারিতা যাচাই করা হচ্ছে।
এই পরীক্ষার অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও একাধিকবার বিভিন্ন ভাষায় এমন বার্তা আসতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন-এর নির্দেশনা অনুযায়ী তৈরি এই ব্যবস্থাটি বাস্তবায়নে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে সরকার।
এর আগে ফেব্রুয়ারিতেও একই ধরনের একটি অ্যালার্ট পাঠানো হয়েছিল, যা নিয়েও তখন ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছিল।

আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। দেশটির হিন্দুকুশ অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার কম্পন ছড়িয়ে পড়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিসহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায়। হঠাৎ ভূকম্পনের কারণে অনেক এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষ ঘরবাড়ি ও অফিস থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
২ ঘণ্টা আগে

বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা। মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প দেশটির একাধিক অঞ্চলকে কার্যত মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে। মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়েছে শত শত ভবন, ধ্বংস হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, আর হাজারো পরিবার হারিয়েছে তাদের স্বজনদের। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ২৩৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বিপুলসংখ্যক মানুষ আটকে থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে

ভেনেজুয়েলায় এক মিনিটেরও কম সময়ের ব্যবধানে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ধ্বংসস্তূপ, আতঙ্ক এবং আর্তনাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৯৭১ জন। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২ দিন আগে

ভারতের উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনৌয়ে একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৩ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া আগুনে ভবনের ভেতরে আটকা পড়েন বহু মানুষ। প্রাণ বাঁচাতে কয়েকজন শিক্ষার্থী তিনতলা ভবন থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকার পর দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলে ধ্বংসস্তূপ থেকে একে একে উদ্ধার করা হয় অন্তত ১৩ জনের মরদেহ।
৫ দিন আগে

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ নিয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে অন্তত ২৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, হরতাল, সড়ক অবরোধ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে অঞ্চলজুড়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
২০ জুন ২০২৬

ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যে বালু মহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে রূপ নিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় বিজেপি নেতা ও সাবেক জনপদ পঞ্চায়েত সভাপতি ভারত সিং ওরফে লাল্লা সিংসহ তিনজনকে একটি ফরচুনার গাড়ির ভেতরে আটকে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
১৮ জুন ২০২৬

বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন মোড় এনে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি। যুদ্ধবিরতির প্রাথমিক সমঝোতা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বাজারে একদিকে যেমন তেলের দাম কমেছে, অন্যদিকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের দাম রেকর্ড উত্থান দেখিয়েছে।
১৫ জুন ২০২৬

হঠাৎ করেই বিশ্বজুড়ে থমকে গিয়েছিল মেটার জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামে প্রবেশ এবং ব্যবহার করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন কোটি কোটি মানুষ। তবে প্রায় এক ঘণ্টার অচলাবস্থার পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়েছে সব সেবা, ফলে স্বস্তি ফিরেছে ব্যবহারকারীদের মাঝে।
১২ জুন ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের জন্য হঠাৎ করেই বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ফেসবুক। শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর থেকে বাংলাদেশের অসংখ্য ব্যবহারকারী জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে গিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেকের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগআউট হয়ে যাচ্ছে, আবার অনেকে নতুন করে লগইন করার চেষ্টা করেও সফল হচ্ছেন না।
১২ জুন ২০২৬