
রিপোর্টার

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দিতে প্রতি মাসেই সেরা ক্রিকেটার নির্বাচন করে আইসিসি। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের মার্চ মাসের সেরা ক্রিকেটারের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এবার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনজন দুর্দান্ত পারফর্মার ভারতের দুই ক্রিকেটার এবং দক্ষিণ আফ্রিকার একজন।
ভারতের হয়ে মনোনয়ন পাওয়া দুই ক্রিকেটার হলেন সাঞ্জু স্যামসন ও জাসপ্রিত বুমরাহ। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তালিকায় আছেন কনর এস্তারহুইসেন। গত মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েই তারা এই সম্মানজনক তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
বিশেষ করে সাঞ্জু স্যামসনের ব্যাটিং ছিল দারুণ নজরকাড়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সীমিত সুযোগ পেলেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অপরাজিত ৯৭ রান, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৯ রান এবং ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সমান রান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মাত্র কয়েকটি ম্যাচ খেলেই তিনি হয়ে ওঠেন টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা রান সংগ্রাহক।
অন্যদিকে জাসপ্রিত বুমরাহ তার ধারালো বোলিং দিয়ে বারবার ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন। বিশেষ করে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ১৫ রান খরচ করে ৪ উইকেট নেওয়া তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের অন্যতম উদাহরণ। পুরো মাসজুড়ে ধারাবাহিকভাবে উইকেট নিয়ে তিনি দলের সাফল্যে বড় অবদান রাখেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার কনর এস্তারহুইসেনও ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তিনি ধারাবাহিকভাবে রান করে দলকে সিরিজ জয়ে সহায়তা করেন। তার ব্যাটিং গড় ও স্ট্রাইক রেট ছিল উল্লেখযোগ্য, যা তাকে এই তালিকায় জায়গা এনে দেয়।
নারী ক্রিকেটেও সমান উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেখানে মনোনয়ন পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের মেলি কের, অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার আয়াবোঙ্গা খাকা। তারাও নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে সেরাদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
সব মিলিয়ে মার্চ মাসের সেরা ক্রিকেটার কে হবেন তা নিয়ে এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল আগ্রহ তৈরি হয়েছে। পারফরম্যান্সের বিচারে সবাই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬