
সিনিয়ার রিপোর্টার

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর শেষ ষোলোর সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচগুলোর একটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউরোপের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্রের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই মহারণ ঘিরে ইতোমধ্যেই ফুটবলবিশ্বে তৈরি হয়েছে তুমুল উত্তেজনা। কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই ম্যাচে জড়িয়ে আছে দুই আইবেরিয়ান দেশের দীর্ঘদিনের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই।
একদিকে অভিজ্ঞ অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বে পর্তুগাল, অন্যদিকে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্পেন। ফলে ম্যাচটি শুধু দুই দলের জন্য নয়, বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর জন্যও হয়ে উঠেছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে পর্তুগাল
রবার্তো মার্টিনেজের অধীনে এবারের বিশ্বকাপে দারুণ লড়াই করে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে পর্তুগাল। নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়লেও শেষ পর্যন্ত স্নায়ুচাপ সামলে জয় তুলে নেয় সেলেসাওরা।
পুরো ম্যাচজুড়ে দুই দলের মধ্যে ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে ক্রোয়েশিয়ার সম্ভাব্য সমতাসূচক গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে গেলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে পর্তুগাল। সেই নাটকীয় জয় তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তবে বিশ্বকাপের সাম্প্রতিক ইতিহাস পর্তুগালের জন্য খুব সুখকর নয়। ২০১০ এবং ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল রোনালদোদের। এবার সেই হতাশার অধ্যায় পেছনে ফেলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে তারা।
দুর্দান্ত ছন্দে স্পেন
অন্যদিকে লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে এবারের বিশ্বকাপে অন্যতম সেরা দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে স্পেন। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে নকআউট পর্যন্ত প্রতিটি ম্যাচেই ভারসাম্যপূর্ণ ফুটবল উপহার দিয়েছে লা রোজা।
শেষ ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় স্পেনের আত্মবিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করেছে। সেই ম্যাচে মিকেল ওইয়ারসাবালের জোড়া গোল এবং পেদ্রো পোরোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই বিভাগেই কতটা শক্তিশালী তারা।
এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত একটি গোলও হজম করেনি স্পেন। তাদের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ এবং নিয়ন্ত্রিত মাঝমাঠ প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
মুখোমুখি পরিসংখ্যানে স্পেনের আধিপত্য
ইতিহাসের পরিসংখ্যান স্পেনের পক্ষেই কথা বলছে। দুই দল এখন পর্যন্ত ৪১ বার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে।
এর মধ্যে স্পেন জয় পেয়েছে ১৭টি ম্যাচে, পর্তুগাল জিতেছে ৭টিতে এবং বাকি ১৭টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দলের লড়াই হয়েছে বেশ সমানতালে। সর্বশেষ নেশনস লিগের ফাইনালে টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল পর্তুগাল। ফলে অতীতের রেকর্ড স্পেনের পক্ষে থাকলেও বর্তমান ফর্ম বিবেচনায় ম্যাচটি হতে পারে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
সম্ভাব্য একাদশ
পর্তুগাল: ডিয়োগো কোস্তা; জোয়াও কানসেলো, রুবেন দিয়াস, রেনাতো ভেইগা, নুনো মেন্দেস; ভিতিনিয়া, জোয়াও নেভেস; পেদ্রো নেতো, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, রাফায়েল লেয়াও; ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
স্পেন: উনাই সিমন; পেদ্রো পোরো, পাও কুবারসি, আয়মেরিক লাপোর্তে, মার্ক কুকুরেয়া; রদ্রি, পেদ্রি; লামিন ইয়ামাল, দানি ওলমো, আলেক্স বায়েনা; মিকেল ওইয়ারসাবাল।
যাদের দিকে থাকবে সবার নজর
পর্তুগালের সবচেয়ে বড় ভরসা অভিজ্ঞ অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বড় ম্যাচে নিজের সেরাটা তুলে ধরার অসংখ্য নজির রয়েছে তার। বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচেও তার দিকেই তাকিয়ে থাকবে পর্তুগিজ সমর্থকরা।
অন্যদিকে স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল, মাঝমাঠের কারিগর পেদ্রি এবং গোলমুখে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা মিকেল ওইয়ারসাবাল প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারেন।
মাঝমাঠে ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও রদ্রির লড়াই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বল দখল, আক্রমণ গড়া এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ—সবকিছুতেই এই দুই ফুটবলারের ভূমিকা থাকবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ম্যাচের পূর্বাভাস
দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে ভালোবাসে এবং বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখতে চায়। তাই ম্যাচজুড়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
তবে এবারের বিশ্বকাপে স্পেনের রক্ষণভাগ যেভাবে প্রতিপক্ষকে আটকে রেখেছে এবং আক্রমণভাগ যেভাবে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, তাতে বিশ্লেষকদের মতে সামান্য এগিয়ে রয়েছে স্পেন।
সম্ভাব্য ফলাফল: স্পেন ২-১ ব্যবধানে জয় পেতে পারে।
কোথায় দেখবেন ম্যাচ?
বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা টেলিভিশনের পাশাপাশি বিভিন্ন লাইভ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও এই ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া জনপ্রিয় মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও সরাসরি দেখা যাবে ইউরোপের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এই মহারণ।
ম্যাচের সময়: বাংলাদেশ সময় ৭ জুলাই, মঙ্গলবার রাত ১টা।
এখন পুরো ফুটবল বিশ্বের চোখ আটলান্টার এই মহারণে। রোনালদোর অভিজ্ঞতা নাকি স্পেনের দুর্দান্ত দলগত ফুটবল—শেষ পর্যন্ত কে নিশ্চিত করবে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট, তার উত্তর মিলবে মাঠের লড়াই শেষেই।

বিশ্ব ফুটবলের অবিসংবাদিত জাদুকর লিওনেল মেসি বর্তমানে তার জীবনের অন্যতম কঠিন ও শোকাবহ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তার বাবা হোর্হে মেসির প্রয়াণে গভীর শোকে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছেন এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। প্রিয় বাবাকে হারানোর এই অপূরণীয় বেদনায় মানসিকভাবে নিজেকে সামলে নিতে তিনি আপাতত ফুটবল থেকে অনির্দিষ্টকালের বিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে মার্কিন মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে এই মহাতারকা ঠিক কবে আবার সবুজ মাঠে পা রাখবেন, তা নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে

বিশ্ব ফুটবলের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে ২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালে গুরুতর নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের ফাঁস হওয়া একটি নথিতে। বিশেষ করে মেসিকে লক্ষ্য করে আত্মঘাতী হামলা, বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে স্টেডিয়ামে হামলার কথিত হুমকির তথ্য সামনে এসেছে।
৫ দিন আগে

লিওনেল মেসিকে ঘিরে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের কৌতূহলের অন্ত নেই। বিশেষ করে ২০২৮ কোপা আমেরিকায় আকাশি-নীল জার্সিতে বিশ্বসেরা এই জাদুকরকে মাঠে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। তবে এ বিষয়ে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, মেসির ওপর কোনো ধরনের অদৃশ্য চাপ তৈরি করা হবে না।
৫ দিন আগে

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বে নতুন এক দলবদলের গুঞ্জন চারদিকে ডালপালা মেলতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্রীড়া গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইংলিশ ক্লাব লিস্টার সিটি অধ্যায় চিরতরে পেছনে ফেলে এবার আজারবাইজান প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ক্লাব সাবাহ এফসিতে নাম লেখাতে পারেন ২৮ বছর বয়সী এই তারকা ফুটবলার। তার এই সম্ভাব্য ক্লাব পরিবর্তন দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝেও ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
৬ আগস্ট ২০২৬

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে তীব্র লড়াইয়ের পর পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হিসেবে টুর্নামেন্ট শেষ করতে হয়েছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে। শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার গভীর বেদনা ও হতাশা সঙ্গী হলেও, পুরো আসর জুড়ে লিওনেল মেসির দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং লড়াকু মানসিকতা বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছে। তবে সেই হতাশার দীর্ঘশ্বাস কাটিয়ে খুব দ্রুতই মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে আলবিসেলেস্তেরা।
৬ আগস্ট ২০২৬

ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার জুনিয়রের ভবিষ্যৎ ঘিরে চলা জল্পনা-কল্পনার বিন্দুমাত্র কমতি নেই। তিনি কি সান্তোসে থাকছেন, নাকি নতুন কোনো ক্লাবে নাম লেখাবেন কিংবা একেবারে ফুটবলকে বিদায় জানাবেন এসব বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নন ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা ফরোয়ার্ড। সাও পাওলোতে নেইমার জুনিয়র ইনস্টিটিউটের একটি দাতব্য নিলাম অনুষ্ঠানে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেইমার স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, আগামী ডিসেম্বরের পরই তিনি তার পরবর্তী গন্তব্য বা ক্যারিয়ার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। বর্তমান ক্লাব সান্তোসের সঙ্গে তার চুক্তি রয়েছে ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং সেই চুক্তির প্রতি তিনি পুরোপুরি শ্রদ্ধাশীল থাকতে চান।
৫ আগস্ট ২০২৬

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি দীর্ঘদিন ধরে চলা তার প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন। মরক্কোর তারকা ফুটবলার ও গোলকিপার ইয়াসিন বোনোর সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে নানা আলোচনা চললেও, নোরা নিজেই এবার এ বিষয়ে একেবারে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, বোনোর সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই; বরং তিনি কেবলই তার একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
৫ আগস্ট ২০২৬

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর ২০২৬ ঘিরে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। সদ্য সমাপ্ত মহাযজ্ঞের মঞ্চে বিশ্বকাপ ফুটবলের রোমাঞ্চকর পারফরম্যান্স, ক্লাব মৌসুমের দীর্ঘ ধারাবাহিকতা এবং মাঠের দারুণ সব ব্যক্তিগত সাফল্য মিলিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের প্রকাশ করা পাওয়ার র্যাঙ্কিংয়ে জমে উঠেছে সেরা হওয়ার লড়াই। অভিজ্ঞ সুপারস্টারদের পাশাপাশি এই তালিকায় মাত্র ১৯ বছর বয়সে স্প্যানিশ সেনসেশন লামিনে ইয়ামালের মতো তরুণ তারকারাও জায়গা করে নিয়ে বিশ্ব ফুটবলে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।
৪ আগস্ট ২০২৬

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ও আর্জেন্টিনাকে ব্যাক-টু-ব্যাক বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাইয়ে দেওয়া মহাতারকা লিওনেল মেসিকে নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনার যেন কোনো শেষ নেই। ২০২৬ সালের সদ্য সমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপ জয় এবং সবশেষ কোপা আমেরিকার রাজত্ব সফলভাবে ধরে রাখার পর এবার এই জাদুকরী ফুটবলারকে আগামী ২০৩০ সালের বিশ্বমঞ্চেও সবুজ ঘাসের বুকে দেখার জন্য জোরালো দাবি উঠেছে। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের এই আবেগ ও ভালোবাসাকে বাস্তবে রূপ দিতে অনলাইনে স্বাক্ষর সংগ্রহের এক অভিনব ও আবেগী প্রস্তাব সামনে এসেছে, যা ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিশ্ব ফুটবল মহলে তুমুল আলোচনার ঝড় তুলেছে।
১ আগস্ট ২০২৬