
নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে চমৎকার জয় তুলে নিয়ে আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ৯ নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। টাইগার শিবিরে উচ্ছ্বাস থাকলেও ফুটে উঠেছে একটি বড় প্রশ্ন—এই জয় কি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণের পথ খুলে দিল?
এই প্রশ্নের সরাসরি জবাব দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সংস্থাটির নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত যেসব দল ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আটে থাকবে, কেবল তারাই বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে।
অর্থাৎ, এখনও নিশ্চিত নয় বাংলাদেশের বিশ্বকাপ যাত্রা। সামনে রয়েছে কঠিন পথ।
বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা:
* বর্তমান র্যাঙ্কিং: ৯ নম্বর
* লক্ষ্য: শীর্ষ আটে প্রবেশ এবং সেই অবস্থান ধরে রাখা
* সময়সীমা: মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত
* ব্যর্থ হলে: খেলতে হবে কঠিন ও অনিশ্চিত কোয়ালিফায়ার পর্ব
বিশেষজ্ঞদের মতে, এক-দুইটি ম্যাচ জিতে কিছু হবে না। শীর্ষ আটে জায়গা করে নিতে হলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি শক্ত প্রতিপক্ষদের বিপক্ষেও জয় তুলে আনতে হবে।
বাংলাদেশের সামনে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ—শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাকি ম্যাচগুলোর পাশাপাশি অপেক্ষা করছে আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দল।
প্রতিটি সিরিজই হবে বাংলাদেশের জন্য র্যাঙ্কিং লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স থাকলে শীর্ষ আটে উঠে আসা সম্ভব, আর তখনই মিলবে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নেওয়ার সুযোগ। না হলে অপেক্ষা করছে কঠিন কোয়ালিফায়ার ধাপ।
তবে প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে—বাংলাদেশ কি পারবে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে, নাকি আবারও পড়তে হবে অনিশ্চয়তার জালে?
আশা/

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
৫ দিন আগে

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
৫ দিন আগে

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
৫ দিন আগে

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬