
নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রথম ম্যাচেই বড় ব্যবধানে হেরে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে গেছে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে ব্যাটিং ধসে পড়ে মাত্র ১০৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। ব্যর্থতার সেই ছাপ কাটাতে দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে একাদশে দুটি পরিবর্তন আনছে টাইগাররা।
শনিবার (৫ জুলাই) বিকেল ৩টায় মাঠে গড়াবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। এই ম্যাচের সম্ভাব্য একাদশে জায়গা পাচ্ছেন কয়েকজন নতুন মুখ।
প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হওয়া ওপেনার পারভেজ হোসেন ঈমনের বদলে একাদশে ফিরছেন নাঈম শেখ। ইনিংস শুরু করবেন তিনি এবং তানজিদ হাসান তামিম, যিনি আগের ম্যাচে ফিফটি করে আলো ছড়িয়েছিলেন।
ব্যাটিং লাইনআপে তিনে থাকবেন নাজমুল হোসেন শান্ত, চারে তাওহীদ হৃদয় এবং পাঁচে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। ব্যর্থতার কারণে দলে জায়গা হারাতে পারেন লিটন দাস, যার স্থানে সুযোগ পেতে পারেন লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও কার্যকর হবার সম্ভাবনা রয়েছে রিশাদের।
ছয় নম্বরে থাকবেন ফিফটি করা জাকির আলী অনিক, আর সাতে খেলতে পারেন রিশাদ হোসেন। পেস বিভাগে থাকছেন তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব ও মুস্তাফিজুর রহমান। স্পিন দায়িত্বে মিরাজ, রিশাদ ও তানভির ইসলাম।
সম্ভাব্য একাদশ – বাংলাদেশ (দ্বিতীয় ওয়ানডে):
তানজিদ হাসান তামিম, নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), জাকির আলী অনিক, রিশাদ হোসেন, তানভির ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব, মুস্তাফিজুর রহমান।
সোহাগ/

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
৫ দিন আগে

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
৫ দিন আগে

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
৫ দিন আগে

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬