
নিজস্ব প্রতিবেদন: টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রের প্রথম ম্যাচে গলের ঐতিহাসিক ভেন্যুতে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। রানের বন্যা, দারুণ সব পারফরম্যান্স, আর নাটকীয় শেষ দিনে জমে উঠেছিল ম্যাচ—কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো দলই জয়ের মুখ দেখেনি, ফলাফল গড়ায় ড্রয়ে।
ম্যাচের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত বাংলাদেশের। প্রথম ইনিংসে শান্ত, মুশফিকসহ ব্যাটারদের দৃঢ়তায় টাইগাররা তোলে ৪৯৫ রানের বিশাল সংগ্রহ। জবাবে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাও কম যায়নি—প্রথম ইনিংসে করে ৪৮৫ রান। মাত্র ১০ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ফের ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন শান্ত। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরির পর আবারও দুর্দান্ত শতক হাঁকিয়ে টেস্ট ইতিহাসে বিরল কীর্তি গড়েন তিনি—দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি! টেস্ট ইতিহাসে এটি মাত্র ১৫তম বার ঘটল। শান্তর অপরাজিত ১২৫ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ২৮৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে, শ্রীলঙ্কার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৯৬।
শেষ দিনে সেই লক্ষ্য তাড়ায় নামে লঙ্কানরা, কিন্তু শুরু থেকেই তারা পড়ে যায় চাপের মুখে। তাইজুল ইসলামের দুরন্ত বোলিংয়ে উইকেট হারাতে থাকে শ্রীলঙ্কা। লাহিরু উদারা মাত্র ৯ রানে ফিরে যান, প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত খেলা নিশাঙ্কাও থেমে যান ২৪ রানে। অভিজ্ঞ ম্যাথিউসও খুব একটা অবদান রাখতে পারেননি—৪৫ বল খেলে করেন মাত্র ৮ রান। পরে চান্দিমালকেও বোল্ড করে তাইজুল নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন।
শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৭২ রানে থাকা অবস্থায় আলোর স্বল্পতায় খেলা বন্ধ ঘোষণা করা হয়, এবং ম্যাচের ফলাফল ড্র হিসেবে নির্ধারিত হয়।
বাংলাদেশের জন্য ম্যাচের বড় প্রাপ্তি ছিল শান্তর দুর্দান্ত সেঞ্চুরি জোড়া ও তাইজুলের স্পিন ঝলক। যদিও জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও তা না পাওয়ায় কিছুটা হতাশ থাকতে হয়েছে টাইগারদের, তবুও এই টেস্ট ম্যাচ ছিল দারুণ লড়াইয়ে ভরপুর।
— সিদ্দিকা/

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬

অবশেষে পাকিস্তান বধের স্বপ্ন পূরণ করল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক লড়াই শেষে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে টেস্ট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করলো টাইগাররা। ঘরের মাঠে এই প্রথম পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জয় পেল বাংলাদেশ।
১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের অংশ না নেওয়া। সেই সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে সমালোচনা, বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন ওঠার পর এবার আনুষ্ঠানিক তদন্তে নেমেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
১১ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট-বলের লড়াই জমে উঠেছে। প্রথম ইনিংসে শক্ত ভিত গড়ে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে ম্যাচে দারুণ অবস্থান তৈরি করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। বড় স্কোরের চাপ নিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান।
৯ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দারুণ অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্সে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা। শক্ত এই স্কোরের ওপর ভর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে রাখে বাংলাদেশ।
৯ মে ২০২৬

বিপিএলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তদন্তে উঠে এসেছে ম্যাচ ফিক্সিং, আন্তর্জাতিক বেটিং সিন্ডিকেটের যোগাযোগ এবং ক্রিকেটারদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ।
৭ মে ২০২৬