
নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—প্রধান উপদেষ্টার এই ঘোষণার পরও দেশের রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা পুরোপুরি কাটেনি। রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনো চলছে আলোচনা, গুঞ্জন ও নানা প্রতিক্রিয়া। সম্প্রতি সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে—সমঝোতার আলো কি অবশেষে দেখা যাবে?
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির শীর্ষ নেতার মধ্যে সরাসরি সংলাপকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দলের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা—এবার হয়তো একটি সমঝোতামূলক পথেই অগ্রসর হবে রাজনীতি। এই আলোচনাকে অনেকে দেখছেন শুধু রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ নয়, বরং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ, পারস্পরিক আস্থা ও জাতীয় সম্মানের প্রশ্ন হিসেবেও।
এদিকে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু জানান, রাষ্ট্র পরিচালনার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিএনপি যদি সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করে, তাহলে আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হতে পারে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই দুটি ইস্যুতে যদি ঐক্যমত্যে পৌঁছানো যায়, তাহলে তা হবে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি।
প্রথম ইস্যু হলো রাষ্ট্রপতির ভূমিকা, আর দ্বিতীয়টি হলো দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এই দুই ক্ষেত্রে বিএনপি নীতিগত বা পরোক্ষভাবে সরকারের প্রস্তাবে সম্মতি দিলে, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে এগিয়ে আনার পথ খুলে যেতে পারে।
তবে, বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, এটি যেমন এক সুবর্ণ সুযোগ, তেমনি ভুল সিদ্ধান্ত রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই উভয় পক্ষকেই দায়িত্বশীলতা ও সদিচ্ছার সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকার যেমন সংলাপের উদ্যোগ নিয়েছে, বিএনপিরও উচিত একটি গঠনমূলক ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখা। কারণ, একটি টেকসই গণতন্ত্র, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক মহলের আস্থা অর্জনের জন্য এই সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা স্পষ্ট হবে—গণতন্ত্র রক্ষার চেষ্টায় কেউ একা নন। প্রফেসর ইউনূস কিংবা বিএনপি কাউকেই আলাদা করে দেখার সময় এখন নয়—এটি এখন একটি জাতীয় দায়।
দেশবাসীর এখন একটাই প্রত্যাশা—রাজনীতির আকাশে যেন অনিশ্চয়তার অন্ধকার কেটে গিয়ে ফিরে আসে আশার রৌদ্রজ্জ্বল সকাল।
–সোহাগ/

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি মন্তব্যকে ঘিরে বুধবার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। সকালে সিলেটে সফরের শুরুতেই বিমানবন্দরে উপস্থিত কয়েকজন সংসদ সদস্যকে দেখে প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর বিকেলেই সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে জাতীয় সংসদে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
১৭ জুন ২০২৬

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনি প্রচারণায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তার দাবি, সরকারি কোষাগারের অর্থ ব্যবহার করে প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা গণতান্ত্রিক চর্চা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার পরিপন্থী।
৯ জুন ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন এ কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে আশা করছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
৪ জুন ২০২৬

শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন করে সরব হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটির দাবি, এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়; বরং এর পেছনে থাকতে পারে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। তাই ঘটনার পূর্ণ সত্য উদঘাটনে জাতিসংঘের অধীনে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে তারা।
৩ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের অন্যতম ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে সরকারি সরকারি বাঙলা কলেজ শাখার কয়েকজন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে আবারও সংগঠনের নিয়মিত কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ ফিরে পেয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
২৬ মে ২০২৬

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্র রাজনীতিতে গড়ে ওঠা ঐক্যকে ধ্বংস করতে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি সরাসরি জামায়াত-শিবিরকে লক্ষ্য করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, মব সৃষ্টি, চরিত্রহননসহ নানা অরাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা ছাত্রসমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে।
১৯ মে ২০২৬

ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তরুণ ছাত্রনেতা মোঃ মোফাজ্জল হোসেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘদিনের ত্যাগ-তিতিক্ষার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
১৯ মে ২০২৬

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়, তা নিয়ে এবার নতুন তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। ওই দিন বোনকে নিয়ে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
১৮ মে ২০২৬

রাজশাহীর মাদরাসা মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোড়ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিএনপির বিরুদ্ধে সরাসরি চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন জাতীয়তাবাদী দল নয়, ‘চাঁদাবাজি দল’ বলেই বিএনপিকে ডাকছে।
১৬ মে ২০২৬