
নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান সময়ে নাটক ও সিনেমা আমাদের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে শহুরে জীবনে। অনেকেই দিনশেষে মানসিক চাপ কমাতে কিংবা অবসর কাটাতে টিভি বা মোবাইল স্ক্রিনে ডুব দেন। কিন্তু এই অভ্যাস নিয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের মনে একটি প্রশ্ন প্রায়ই ঘোরাফেরা করে—নাটক বা সিনেমা দেখা কি ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ? আর এসব দেখলে কি নামাজ কবুল হয়?
ইসলামি চিন্তাবিদ ও আলেমদের মতে, ইসলাম প্রতিটি ইবাদত—বিশেষত নামাজকে—গভীর গুরুত্ব দেয়। নামাজ এমন এক ইবাদত, যা মানুষকে অন্যায় ও অপকর্ম থেকে বিরত রাখে। তবে নাটক বা সিনেমা দেখা নিয়ে ইসলামে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা নেই, বরং বিষয়টি নির্ভর করে কী ধরণের কনটেন্ট দেখা হচ্ছে তার উপর।
যদি কোনো নাটক বা সিনেমা অশ্লীলতা, মিথ্যা বা অবৈধ কাজ প্রচার করে, তবে তা দেখা ইসলামের দৃষ্টিতে অনুচিত বা গুনাহ হতে পারে। তবে এর মানে এই নয় যে, এমন কিছু দেখার কারণে নামাজ সরাসরি অগ্রহণযোগ্য হয়ে যাবে। ইসলামি মতে, নামাজ কবুল হওয়া নির্ভর করে একজন ব্যক্তির নিয়ত, খুশু-খুজু (মনোযোগ ও বিনয়), এবং আল্লাহর প্রতি একাগ্রতার উপর। নামাজের কবুল হওয়া একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল।
একজন মানুষ যদি নিয়মিত নামাজ আদায় করেন, এবং তার জীবনযাপন ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী হয়, তাহলে সেই নামাজ তাকে পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করবে। সুতরাং, নামাজ কেবল একটি নিয়ম পালন নয়, বরং তা চরিত্রে ও আচরণে প্রতিফলন ঘটাতে হবে।
ইসলাম চায় মুসলমান যেন সচেতনভাবে জীবন পরিচালনা করে—যা আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আত্মিক উন্নয়নের পথপ্রদর্শক। তাই মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত, কোন ধরনের বিনোদন গ্রহণ করছি সে বিষয়ে সচেতন থাকা, এবং নামাজ ও অন্যান্য ইবাদতের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির পথে অগ্রসর হওয়া।
রনি/

প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ছেড়ে চিরস্থায়ী জীবনের পথে যাত্রা করতে হবে এটাই মানবজীবনের চিরন্তন বাস্তবতা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেই-ই প্রকৃত সফল। আর পার্থিব জীবন শুধুই ছলনার বস্তু।
২ মে ২০২৬

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬

জীবনে মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজন কখনোই শেষ হয় না। অভাব ও লোভের চাপ অনেক সময় মানুষকে হালাল-হারামের সীমা ভুলিয়ে দেয়। কিন্তু ইসলামে একজন মুমিনকে শেখানো হয়েছে, সে যেন সবসময় পবিত্র ও বরকতময় রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে।
১০ এপ্রিল ২০২৬

মুসলমানদের জন্য জুমার দিন শুধু সাপ্তাহিক দিবস নয় এটি বরকত, রহমত ও নূরে পরিপূর্ণ এক মহান দিন। এই দিনের প্রতিটি মুহূর্ত আল্লাহর মেহেরবানির ছায়ায় ঢাকা। আর সেই বিশেষ দিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হলো সুরা কাহাফ তিলাওয়াত।
১০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর যখন শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তখন মুসলিম বিশ্বের হৃদয়ে নেমে আসে আনন্দ, প্রশান্তি ও কৃতজ্ঞতার আবহ। সেই আনন্দকে পূর্ণতা দেয় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত নামাজ। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে ঈদের নামাজ মুসলিম সমাজে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
২১ মার্চ ২০২৬

রাকিব: পবিত্র মাহে রমজান ধীরে ধীরে বিদায়ের পথে। রহমত ও মাগফিরাতের পর এখন চলছে নাজাতের পর্ব রমজানের শেষ দশ দিন। ইসলামে এই সময়টিকে ইবাদত-বন্দেগির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
১০ মার্চ ২০২৬