
নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৫ সালের পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে জোর আলোচনা চলছে। সৌদি আরবের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এবারের কোরবানির ঈদ অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী ৬ জুন, শুক্রবার।
এই হিসাব অনুযায়ী, সৌদি আরবে সরকারি ছুটি শুরু হতে পারে ৫ জুন, বুধবার থেকে, যা চলবে ৮ জুন, শনিবার পর্যন্ত—অর্থাৎ মোট চার দিনের টানা ছুটি।
চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করছে চূড়ান্ত তারিখ
ইসলামি বর্ষপঞ্জির গুরুত্বপূর্ণ মাস জিলহজের শুরু নির্ভর করে চাঁদ দেখার উপর। সৌদি চাঁদ দেখা কমিটি আগামী ২৭ মে, সোমবার সন্ধ্যায় বৈঠকে বসবে। ওই দিন চাঁদ দেখা গেলে পরদিন ২৮ মে থেকে জিলহজ মাস শুরু হবে। সেক্ষেত্রে ৫ জুন হবে আরাফাত দিবস এবং ৬ জুন উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা।
সাধারণত কেমন হয় সৌদির ছুটি
সৌদিতে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, আরাফাত দিবস থেকে ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত সরকারি ছুটি দেওয়া হয়। সেই হিসেবে এবছর ছুটি ৫ জুন (বুধবার) থেকে শুরু হয়ে ৮ জুন (শনিবার) পর্যন্ত চলতে পারে। যদিও এখনো পর্যন্ত এর কোনো সরকারি ঘোষণা আসেনি।
অন্যান্য দেশেও প্রস্তুতি
ইতোমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছে। সেখানে ৫ জুন আরাফাত দিবস ও ৬, ৭, ৮ জুন ঈদের ছুটি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। একই রকম ছুটি কাতার, কুয়েত, বাহরাইনসহ অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও ঘোষণা করা হতে পারে।
ঈদুল আজহার তাৎপর্য
ঈদুল আজহা শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, এটি আত্মত্যাগ, আনুগত্য ও ধৈর্যের প্রতীক। হজরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর আদেশে তাঁর প্রিয় পুত্রকে কোরবানি করতে রাজি হয়েছিলেন—এই আত্মত্যাগের শিক্ষাই মুসলিম উম্মাহ প্রতি বছর এই ঈদের মাধ্যমে স্মরণ করে।
হজ ও আরাফাত দিবসের গুরুত্ব
৫ জুন আরাফাত দিবস—হজ পালনকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। এদিন তারা আরাফাতের ময়দানে জমায়েত হয়ে ইবাদতে লিপ্ত থাকেন। হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা এই দিনেই সম্পন্ন হয়। অন্য মুসলমানরাও এই দিনটি রোজা ও বিশেষ ইবাদতের মাধ্যমে পালন করে থাকেন।
সারসংক্ষেপ:
- চাঁদ দেখার সম্ভাব্য দিন: ২৭ মে (সোমবার)
- জিলহজ শুরু (সম্ভাব্য): ২৮ মে
- আরাফাত দিবস: ৫ জুন (বুধবার)
- ঈদুল আজহা: ৬ জুন (শুক্রবার)
- সৌদিতে সম্ভাব্য সরকারি ছুটি: ৫ জুন থেকে ৮ জুন (বুধবার–শনিবার)
সোহাগ/

দিনভর ব্যস্ততা, কর্মজীবনের চাপ আর নানা দুশ্চিন্তার পর রাতের ঘুমই হয়ে ওঠে মানুষের সবচেয়ে বড় প্রশান্তির সময়। কিন্তু অনেকেই ঘুমানোর আগে সময় কাটান মোবাইল ফোনে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবা অপ্রয়োজনীয় কাজে। অথচ ইসলাম একজন মুমিনের জন্য ঘুমানোর আগেও রেখে দিয়েছে সহজ কিন্তু অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল, যা পালন করতে সময় লাগে মাত্র এক মিনিট।
৬ দিন আগে

পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ শুধু জীবদ্দশায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাদের মৃত্যুর পরও এই দায়িত্ব অব্যাহত রাখার নির্দেশনা এসেছে হাদিসে।
১ জুন ২০২৬

মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর একটি ঈদুল আজহা। ত্যাগ, আনুগত্য ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের শিক্ষা নিয়ে প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আসে কোরবানির এই ঈদ। এই দিনটিকে ঘিরে মুসলমানদের মধ্যে থাকে বিশেষ প্রস্তুতি, আর দিনের শুরু হয় ঈদের নামাজের মাধ্যমে।
২৭ মে ২০২৬

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মুসলমানদের মধ্যে কুরবানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা যায়। বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পরিবারের একজন সদস্য, বিশেষ করে পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলেই পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি ভিন্ন।
২২ মে ২০২৬

প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ছেড়ে চিরস্থায়ী জীবনের পথে যাত্রা করতে হবে এটাই মানবজীবনের চিরন্তন বাস্তবতা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেই-ই প্রকৃত সফল। আর পার্থিব জীবন শুধুই ছলনার বস্তু।
২ মে ২০২৬

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬