
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এফডি (ফিক্সড ডিপোজিট) হস্তান্তর নিয়ে চলমান বিতর্কে মুখ খুলেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা মুফতি ইনামুল হক শামীম। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি বিসিবির সভাপতি এবং পরিচালকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁর মতে, এ নিয়ে বোর্ড শিগগিরই একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে পারে।
শামীম বলেন, “বিসিবির অনেক আগে করা কিছু দীর্ঘমেয়াদি এফডি রয়েছে, যেগুলোর সুদের হার ছিল মাত্র ৫-৬ শতাংশ। এখন যেসব ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে, সেখানে সুদের হার প্রায় দ্বিগুণ—১১ থেকে ১২ শতাংশ।”
তবে তিনি সতর্ক করে জানান, যেসব ব্যাংকে এ অর্থ সরানো হয়েছে, তার অনেকগুলোই বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘হলুদ সংকেত’ তালিকায় থাকা ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ, ঝুঁকি বিবেচনায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
“ব্যক্তি হোক বা প্রতিষ্ঠান, কেউই চায় না তাদের টাকা ঝুঁকিপূর্ণ হাতে থাকুক। সেদিক থেকে আমি মনে করি, এটি একটি যথাযথ পদক্ষেপ। তবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বোর্ডের অভ্যন্তরীণ নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না, বিশেষ করে ফাইন্যান্স ডিরেক্টরের মতামত নেওয়া হয়েছিল কি না, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা উচিত,” যোগ করেন শামীম।
তিনি আরও একটি উদাহরণ টেনে বলেন, “আমি যখন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে ছিলাম, তখন দেখি রাজনৈতিক প্রভাবে তৃতীয় শ্রেণির একটি ব্যাংকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা রাখা হয়েছিল। আজও সেই টাকার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত—না আসল, না সুদ।”
ক্রীড়া উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, “সরকারি হোক বা বেসরকারি—প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অর্থ জনগণের সম্পদ। সেই টাকা যেন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকে না রাখা হয়। আমাদের উচিত বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘এ গ্রেড’ ব্যাংকগুলোতে এসব অর্থ বিনিয়োগ করা, যাতে রাষ্ট্রীয় অর্থ নিরাপদ থাকে।”
সোহাগ/

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
৫ দিন আগে

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬

অবশেষে পাকিস্তান বধের স্বপ্ন পূরণ করল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক লড়াই শেষে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে টেস্ট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করলো টাইগাররা। ঘরের মাঠে এই প্রথম পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জয় পেল বাংলাদেশ।
১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের অংশ না নেওয়া। সেই সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে সমালোচনা, বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন ওঠার পর এবার আনুষ্ঠানিক তদন্তে নেমেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
১১ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট-বলের লড়াই জমে উঠেছে। প্রথম ইনিংসে শক্ত ভিত গড়ে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে ম্যাচে দারুণ অবস্থান তৈরি করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। বড় স্কোরের চাপ নিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান।
৯ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দারুণ অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্সে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা। শক্ত এই স্কোরের ওপর ভর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে রাখে বাংলাদেশ।
৯ মে ২০২৬

বিপিএলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তদন্তে উঠে এসেছে ম্যাচ ফিক্সিং, আন্তর্জাতিক বেটিং সিন্ডিকেটের যোগাযোগ এবং ক্রিকেটারদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ।
৭ মে ২০২৬