
নিজস্ব প্রতিবেদক: ডিপিএল-এর ম্যাচ খেলতে আজ (২৪ মার্চ) সকালে শাইনপুকুরের বিপক্ষে মাঠে নামে তামিম ইকবালের মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। নিয়ম অনুযায়ী দলের হয়ে টস করতে গিয়েছিলেন অধিনায়ক তামিম, কিন্তু ফিল্ডিংয়ে নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
অসুস্থতার কথা টিম ম্যানেজমেন্টকে জানানোর পর তাকে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি আবার মাঠে ফিরে আসেন, তবে মাঠে ফেরার পর তার শারীরিক অবস্থা আরও অবনতি ঘটে।
শারীরিক অবস্থার খারাপ হওয়ায় হেলিকপ্টারযোগে তামিমকে ঢাকায় আনার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়লে তাকে আবার নিকটস্থ কেপিজে হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ে।
চিকিৎসকরা জানান, ব্লক ১০০ শতাংশ থাকায় আপাতত তামিমকে ঢাকায় নেওয়া সম্ভব হবে না। তাই ঢাকা থেকে চিকিৎসক পাঠানো হয়। এরই মধ্যে তার হার্টে রিং (স্টেন্ট) পরানো হয়েছে। তবে প্রথমে সেই রিং পরানোর উপযুক্ত অবস্থায়ও ছিলেন না তামিম।
২২ মিনিট ধরে সিপিআর দেওয়া হয় এবং ৩ বার ডি-সি শক দেওয়ার পর রিং পরানোর সুযোগ তৈরি হয়। অনেক প্রচেষ্টায় সফলভাবে অপারেশন সম্পন্ন হয় এবং ব্লক সরিয়ে রিং পরানোর পর দ্রুত সময়ের মধ্যে তামিম জ্ঞান ফিরে পান এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
তবে আপাতত তামিম হাসপাতাল ছাড়তে পারবেন না। আগামী ৪৮ ঘণ্টা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে এবং এই সময়ের মধ্যে তাকে কোথাও স্থানান্তরিত করারও কোন পরিকল্পনা নেই। অর্থাৎ সাভারের কেপিজে হাসপাতালে তিনি থাকবেন। তামিমের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে এসব তথ্য জানান বিসিবির চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ চৌধুরী।
সতীর্থের এই বিপদে তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন দীর্ঘদিনের সতীর্থ এবং বন্ধু মুশফিকুর রহিম। বিকেলে তামিমের জ্ঞান ফেরার পর মুশফিক হাসপাতালে পৌঁছান এবং সতীর্থের জন্য তিনি যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ছিলেন।
তামিমের অসুস্থতার খবর শুনে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ক্রিকেটার তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। এই তালিকায় রয়েছেন ভারতের যুবরাজ সিং, মনোজ তিওয়ারি এবং লাসিথ মালিঙ্গার মতো ক্রিকেটাররা। ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট দল কলকাতা নাইট রাইডার্সও তামিমের সুস্থতা কামনা করেছে।
সোহাগ/

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬