
রিপোর্টার

আধুনিক ব্যস্ততার এই যুগে মানুষের জীবনযাত্রা দিন দিন যান্ত্রিক হয়ে পড়ছে। কর্মব্যস্ততা, অপর্যাপ্ত ঘুম এবং ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে। অথচ একটু সচেতনতা এবং জীবনধারায় সামান্য ইতিবাচক পরিবর্তন এনে খুব সহজেই একটি দীর্ঘ, সুস্থ ও রোগমুক্ত জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব। আর এজন্য নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প কিছু হতে পারে না। যুগের পর যুগ ধরে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে এই দুটি বিষয়ই সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর ও চিরন্তন ফর্মুলা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা হালকা ব্যায়াম, দ্রুত হাঁটা (Brisk Walking), ইয়োগা বা ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে, হৃদযন্ত্রকে সবল রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এর পাশাপাশি মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়া সক্রিয় রাখতে এটি দারুণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, মানসিক অবসাদ দূর করতে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতেও শরীরচর্চার জুড়ি মেলা ভার।
ব্যায়ামের পাশাপাশি সুস্থতার আরেকটি প্রধান স্তম্ভ হলো সঠিক ও সুষম খাদ্যাভ্যাস। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কৃত্রিম চর্বি ও অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবারের পরিবর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি, ফলমূল, গোটা শস্য, প্রোটিন এবং বিশুদ্ধ পানি রাখা উচিত। ফাস্টফুড ও কোমল পানীয়র বদলে ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার এবং তাজা ফলের রস শরীরের শক্তি জোগাতে এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগ যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। তাই সুস্থ ও প্রাণবন্ত জীবনযাপনের জন্য আজই আপনার দৈনন্দিন রুটিনে যোগ করুন নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চমৎকার এই অভ্যাসটি।

পৃথিবীতে সফল ও ব্যর্থ মানুষের মধ্যে দিনশেষে সবচেয়ে বড় পার্থক্যটি গড়ে দেয় সময়ের সঠিক ব্যবহার। দিন বা রাতের ২৪ ঘণ্টা সময় সবার জন্যই সমান বরাদ্দ, কেউ তা বাড়িয়ে নিতে পারে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কিছু মানুষ এই সীমিত সময়ের মধ্যেই নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করে সফলতার শিখরে পৌঁছে যান, আবার অনেকেই সারাদিন ব্যস্ত থেকেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য থেকে অনেক দূরে রয়ে যান। এর মূল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে নিখুঁত এবং কার্যকর 'সময় ব্যবস্থাপনা' বা Time Management-এর দক্ষতার মধ্যে। সময় একবার চলে গেলে তা আর কোনোভাবেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাই সময়ের সদ্ব্যবহার করা অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে

আমরা প্রতিদিন অজান্তেই অসংখ্যবার নিজের শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিই। কখনও অভ্যাসবশত, কখনও অস্বস্তি দূর করতে, আবার কখনও একেবারেই অচেতনভাবে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই সাধারণ অভ্যাসই অনেক সময় বিভিন্ন সংক্রমণ, ত্বকের সমস্যা এমনকি গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
১৭ জুলাই ২০২৬

সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প নেই। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সঠিক পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার রাখলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমে এবং সার্বিক সুস্থতা বজায় থাকে।
১৪ জুলাই ২০২৬

বর্তমান বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণগুলোর একটি হলো ক্যানসার। প্রতি বছর লাখো মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসারের অনেক ধরনের ঝুঁকি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার মাধ্যমে অনেকটাই কমানো সম্ভব।
১৪ জুলাই ২০২৬

অনেকেই দিনের শুরু করেন এক গ্লাস পানি পান করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি অভ্যাস। এটি শুধু শরীরকে সতেজ রাখে না, বরং বিভিন্ন শারীরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১২ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করে, তাহলে দেশটির ওপর এমন পরিস্থিতি নেমে আসবে, যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না।
১৬ জুন ২০২৬

দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হামের বিস্তার। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার হিসাব পরিস্থিতিকে আরও চিন্তার মধ্যে ফেলেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্যখাতে বাড়ছে চাপ।
২৫ মে ২০২৬

বাংলাদেশে থাইরয়েড রোগ এখন বড় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে থাইরয়েডজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। এর মধ্যে নারীদের আক্রান্ত হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি। উদ্বেগের বিষয় হলো, আক্রান্তদের অধিকাংশই জানেন না যে তারা এই রোগে ভুগছেন।
২০ মে ২০২৬

বাংলাদেশজুড়ে হাম পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, আর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হাম রোগে হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৮ জন শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ ছিল।
১৫ মে ২০২৬