
রিপোর্টার

পৃথিবীতে সফল ও ব্যর্থ মানুষের মধ্যে দিনশেষে সবচেয়ে বড় পার্থক্যটি গড়ে দেয় সময়ের সঠিক ব্যবহার। দিন বা রাতের ২৪ ঘণ্টা সময় সবার জন্যই সমান বরাদ্দ, কেউ তা বাড়িয়ে নিতে পারে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কিছু মানুষ এই সীমিত সময়ের মধ্যেই নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করে সফলতার শিখরে পৌঁছে যান, আবার অনেকেই সারাদিন ব্যস্ত থেকেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য থেকে অনেক দূরে রয়ে যান। এর মূল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে নিখুঁত এবং কার্যকর 'সময় ব্যবস্থাপনা' বা Time Management-এর দক্ষতার মধ্যে। সময় একবার চলে গেলে তা আর কোনোভাবেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাই সময়ের সদ্ব্যবহার করা অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ।
কার্যকর সময় ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ হলো কাজের অগ্রাধিকার বা প্রায়োরিটি নির্ধারণ করা। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আজকের দিনে কোন কাজগুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, তার একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা বা টু-ডু লিস্ট (To-Do List) তৈরি করে নেওয়া উচিত। এতে মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় এবং অপ্রয়োজনীয় কাজে মূল্যবান সময় অপচয় রোধ করা যায়। এছাড়া বর্তমান ডিজিটাল যুগে মনোযোগ কেড়ে নেওয়ার অনেক মাধ্যম রয়েছে, যেমন সোশ্যাল মিডিয়া বা অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন। কাজের সময় এই ধরনের ডিজিটাল ডিস্ট্রাকশন বা বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি।
সময়ের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে কাজের পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং মানসিক শান্তির জন্যও সময় রাখা উচিত। একটানা কাজ করলে কাজের মান যেমন কমে যায়, তেমনি ক্লান্তি এসে ভর করে। তাই পোমোডোরো টেকনিক বা নির্দিষ্ট সময় অন্তর ছোট বিরতি নেওয়ার পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রোডাক্টিভিটি বহুগুণ বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব। সময়কে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার এই অভ্যাসটি কেবল পেশাগত বা শিক্ষাজীবন নয়, বরং ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং দীর্ঘমেয়াদে সফলতার পথ সুগম করতে অতীব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আধুনিক ব্যস্ততার এই যুগে মানুষের জীবনযাত্রা দিন দিন যান্ত্রিক হয়ে পড়ছে। কর্মব্যস্ততা, অপর্যাপ্ত ঘুম এবং ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে। অথচ একটু সচেতনতা এবং জীবনধারায় সামান্য ইতিবাচক পরিবর্তন এনে খুব সহজেই একটি দীর্ঘ, সুস্থ ও রোগমুক্ত জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব। আর এজন্য নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প কিছু হতে পারে না। যুগের পর যুগ ধরে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে এই দুটি বিষয়ই সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর ও চিরন্তন ফর্মুলা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
১ ঘণ্টা আগে

আমরা প্রতিদিন অজান্তেই অসংখ্যবার নিজের শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিই। কখনও অভ্যাসবশত, কখনও অস্বস্তি দূর করতে, আবার কখনও একেবারেই অচেতনভাবে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই সাধারণ অভ্যাসই অনেক সময় বিভিন্ন সংক্রমণ, ত্বকের সমস্যা এমনকি গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
১৭ জুলাই ২০২৬

সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প নেই। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সঠিক পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার রাখলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমে এবং সার্বিক সুস্থতা বজায় থাকে।
১৪ জুলাই ২০২৬

বর্তমান বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণগুলোর একটি হলো ক্যানসার। প্রতি বছর লাখো মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসারের অনেক ধরনের ঝুঁকি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার মাধ্যমে অনেকটাই কমানো সম্ভব।
১৪ জুলাই ২০২৬

অনেকেই দিনের শুরু করেন এক গ্লাস পানি পান করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি অভ্যাস। এটি শুধু শরীরকে সতেজ রাখে না, বরং বিভিন্ন শারীরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১২ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করে, তাহলে দেশটির ওপর এমন পরিস্থিতি নেমে আসবে, যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না।
১৬ জুন ২০২৬

দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হামের বিস্তার। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার হিসাব পরিস্থিতিকে আরও চিন্তার মধ্যে ফেলেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্যখাতে বাড়ছে চাপ।
২৫ মে ২০২৬

বাংলাদেশে থাইরয়েড রোগ এখন বড় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে থাইরয়েডজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। এর মধ্যে নারীদের আক্রান্ত হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি। উদ্বেগের বিষয় হলো, আক্রান্তদের অধিকাংশই জানেন না যে তারা এই রোগে ভুগছেন।
২০ মে ২০২৬

বাংলাদেশজুড়ে হাম পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, আর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হাম রোগে হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৮ জন শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ ছিল।
১৫ মে ২০২৬