
সিনিয়ার রিপোর্টার

বর্তমান আধুনিক ও যান্ত্রিক জীবনযাত্রায় ব্যস্ততা, কাজের চাপ এবং নানা ধরনের দুশ্চিন্তার কারণে আমাদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক শান্তি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অথচ একটি সুন্দর ও সফল জীবনযাপনের জন্য শারীরিক স্বাস্থ্যের চেয়েও মানসিক স্বাস্থ্যের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। মানসিকভাবে সুস্থ না থাকলে জীবনের কোনো আনন্দই ঠিকমতো উপভোগ করা যায় না। দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে কীভাবে মানসিক শান্তি বজায় রাখা যায় এবং একটি চাপমুক্ত জীবনযাপন করা সম্ভব, সে বিষয়েই আজকের এই বিস্তারিত আলোচনা।
পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম খাদ্যাভ্যাস: মানসিক শান্তির প্রথম ও প্রধান শর্ত
আমাদের মানসিক সুস্থতার সঙ্গে ঘুমের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। প্রতিদিন রাতে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ও মানসম্মত ঘুম নিশ্চিত করা মস্তিষ্ককে রিফ্রেশ করতে এবং ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে। অনিদ্রা বা কম ঘুমানোর ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, কাজে মনোযোগের অভাব এবং অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার মতো সমস্যা তৈরি হয়।
পাশাপাশি, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি, ফলমূল এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি রাখা অত্যন্ত জরুরি। পুষ্টিকর খাবার শুধু শরীরকে ফিট রাখে না, বরং মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারের কার্যকারিতা বাড়িয়ে মানসিক অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে। ফাস্টফুড বা অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাবার অনেক সময় উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়, তাই এগুলো পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও মাইন্ডফুলনেস বা ধ্যান চর্চা
শারীরিক কসরত বা ব্যায়াম কেবল শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে না, এটি মস্তিষ্কে ‘এন্ডোরফিন’ নামক হরমোন নিঃসরন করে যা আমাদের মন ভালো রাখতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সরাসরি কাজ করে। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি, হালকা দৌড়, ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ বা ইয়োগা করা মানসিক অবসাদ দূর করার সবচেয়ে সহজ প্রাকৃতিক উপায়।
এর পাশাপাশি, প্রতিদিনের রুটিনে অন্তত ১০-১৫ মিনিট ধ্যান বা মাইন্ডফুলনেস চর্চা যুক্ত করতে পারেন। চোখ বন্ধ করে নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের ওপর মনোযোগ দিলে বা বর্তমান মুহূর্তে বেঁচে থাকার অনুভূতি উপলব্ধি করলে মনের ভেতরের অপ্রয়োজনীয় জট ও অস্থিরতা অনেকটাই কমে আসে।
ডিজিটাল ডিটক্স ও ইতিবাচক সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখা
আজকের দিনে মানসিক চাপের একটি অন্যতম প্রধান উৎস হলো অতিরিক্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার এবং স্ক্রিন টাইম। ভার্চুয়াল জগতের নেতিবাচক খবর ও অন্যের সফলতার সঙ্গে নিজের তুলনা করার অভ্যাস আমাদের মনে হীনম্মুন্যতা ও মানসিক চাপ তৈরি করে। তাই সপ্তাহের নির্দিষ্ট সময়ে বা প্রতিদিন কাজের ফাঁকে কিছু সময় ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ বা প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকা অত্যন্ত উপকারী।
একই সঙ্গে, পরিবার ও বিশ্বস্ত বন্ধুদের সঙ্গে মানসম্মত সময় কাটানো, মনের ভাব খোলামেলাভাবে শেয়ার করা এবং ইতিবাচক মানুষের সঙ্গে মেশা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য টনিকের মতো কাজ করে। মনে রাখবেন, যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি একা একা সহ্য না করে আপনজনদের সঙ্গে ভাগ করে নিলে মনের বোঝা অনেক হালকা হয়ে যায়।

বিশ্বের মূল্যবান ধাতুর বাজারে বেশ জোরালো ও স্থিতিশীল চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের মান দুর্বল হওয়া এবং বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমে আসার প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীদের মূল মনোযোগ এখন নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের দিকে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা তৃতীয় কার্যদিবসের মতো বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
৫ আগস্ট ২০২৬

পৃথিবীতে সফল ও ব্যর্থ মানুষের মধ্যে দিনশেষে সবচেয়ে বড় পার্থক্যটি গড়ে দেয় সময়ের সঠিক ব্যবহার। দিন বা রাতের ২৪ ঘণ্টা সময় সবার জন্যই সমান বরাদ্দ, কেউ তা বাড়িয়ে নিতে পারে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কিছু মানুষ এই সীমিত সময়ের মধ্যেই নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করে সফলতার শিখরে পৌঁছে যান, আবার অনেকেই সারাদিন ব্যস্ত থেকেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য থেকে অনেক দূরে রয়ে যান। এর মূল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে নিখুঁত এবং কার্যকর 'সময় ব্যবস্থাপনা' বা Time Management-এর দক্ষতার মধ্যে। সময় একবার চলে গেলে তা আর কোনোভাবেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাই সময়ের সদ্ব্যবহার করা অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ।
২৮ জুলাই ২০২৬

আধুনিক ব্যস্ততার এই যুগে মানুষের জীবনযাত্রা দিন দিন যান্ত্রিক হয়ে পড়ছে। কর্মব্যস্ততা, অপর্যাপ্ত ঘুম এবং ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে। অথচ একটু সচেতনতা এবং জীবনধারায় সামান্য ইতিবাচক পরিবর্তন এনে খুব সহজেই একটি দীর্ঘ, সুস্থ ও রোগমুক্ত জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব। আর এজন্য নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প কিছু হতে পারে না। যুগের পর যুগ ধরে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে এই দুটি বিষয়ই সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর ও চিরন্তন ফর্মুলা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
২৮ জুলাই ২০২৬

আমরা প্রতিদিন অজান্তেই অসংখ্যবার নিজের শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিই। কখনও অভ্যাসবশত, কখনও অস্বস্তি দূর করতে, আবার কখনও একেবারেই অচেতনভাবে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই সাধারণ অভ্যাসই অনেক সময় বিভিন্ন সংক্রমণ, ত্বকের সমস্যা এমনকি গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
১৭ জুলাই ২০২৬

সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প নেই। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সঠিক পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার রাখলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমে এবং সার্বিক সুস্থতা বজায় থাকে।
১৪ জুলাই ২০২৬

বর্তমান বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণগুলোর একটি হলো ক্যানসার। প্রতি বছর লাখো মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসারের অনেক ধরনের ঝুঁকি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার মাধ্যমে অনেকটাই কমানো সম্ভব।
১৪ জুলাই ২০২৬

অনেকেই দিনের শুরু করেন এক গ্লাস পানি পান করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি অভ্যাস। এটি শুধু শরীরকে সতেজ রাখে না, বরং বিভিন্ন শারীরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১২ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করে, তাহলে দেশটির ওপর এমন পরিস্থিতি নেমে আসবে, যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না।
১৬ জুন ২০২৬

দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হামের বিস্তার। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার হিসাব পরিস্থিতিকে আরও চিন্তার মধ্যে ফেলেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্যখাতে বাড়ছে চাপ।
২৫ মে ২০২৬