
নিজস্ব প্রতিবেদক: আইপিএল ২০২৫ আসর শুরু হতে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশের পেস বোলার মুস্তাফিজুর রহমান এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। শাহরুখ খান পরিচালিত কলকাতা নাইট রাইডার্স, তাদের বোলিং শক্তি আরও বৃদ্ধি করতে মুস্তাফিজকে দলে নিতে চায়। তবে, কলকাতাকে ব্যাপক পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হবে, কারণ আনরিখ নরকিয়া ইনজুরির কারণে দলের পেস বোলিং লাইনআপে শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো খেলোয়াড় ইনজুরির কারণে দল থেকে বাদ পড়েন, তাহলে তার পরিবর্তে আসা খেলোয়াড়কে একই পরিমাণ অর্থ দিতে হয়। আনরিখ নরকিয়ার জন্য কলকাতা ইতিমধ্যেই ৬ কোটি ৫০ লাখ রুপি খরচ করেছে। সুতরাং, মুস্তাফিজকে দলে ভেড়াতে হলে কলকাতাকে ওই একই পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হবে, যদিও মুস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য ছিল ২ কোটি রুপি।
মুস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল ক্যারিয়ার অত্যন্ত সফল। ২০১৬ সালে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে তার আইপিএল অভিষেক হয়, এবং সে সময় তিনি আইপিএলের প্রথম বিদেশী ক্রিকেটার হিসেবে সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন। ২০২৩ সালে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে, যেখানে তিনি ১৪ উইকেট নেন।
যদি মুস্তাফিজ কলকাতার হয়ে খেলতে যান, তবে তিনি দলের পেস আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করবেন। কলকাতার জন্য এটি একটি বড় সুযোগ, কারণ তারা এখন পর্যন্ত একজন অভিজ্ঞ পেস বোলারের অভাবে ভুগছে। মুস্তাফিজের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা কলকাতার জন্য একটি বিশাল সুবিধা হতে পারে, যা তাদের টুর্নামেন্টে সাফল্য অর্জনে সাহায্য করবে।
২২ মার্চ থেকে আইপিএল ২০২৫ শুরু হতে যাচ্ছে এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে। দলের নতুন পরিকল্পনা, রিটার্ন এবং নিলাম প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি, তবে মুস্তাফিজের যোগদান কলকাতার জন্য একটি বড় সুযোগ হতে পারে।
এবারের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স শক্তিশালী দল গঠন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে, এবং মুস্তাফিজুর রহমান সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারেন। তার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং ম্যাচ জেতানোর পারফরম্যান্স কলকাতাকে এনে দিতে পারে কাঙ্ক্ষিত শিরোপা।
সোহাগ/

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬

অবশেষে পাকিস্তান বধের স্বপ্ন পূরণ করল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক লড়াই শেষে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে টেস্ট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করলো টাইগাররা। ঘরের মাঠে এই প্রথম পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জয় পেল বাংলাদেশ।
১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের অংশ না নেওয়া। সেই সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে সমালোচনা, বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন ওঠার পর এবার আনুষ্ঠানিক তদন্তে নেমেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
১১ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট-বলের লড়াই জমে উঠেছে। প্রথম ইনিংসে শক্ত ভিত গড়ে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে ম্যাচে দারুণ অবস্থান তৈরি করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। বড় স্কোরের চাপ নিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান।
৯ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দারুণ অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্সে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা। শক্ত এই স্কোরের ওপর ভর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে রাখে বাংলাদেশ।
৯ মে ২০২৬

বিপিএলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তদন্তে উঠে এসেছে ম্যাচ ফিক্সিং, আন্তর্জাতিক বেটিং সিন্ডিকেটের যোগাযোগ এবং ক্রিকেটারদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ।
৭ মে ২০২৬