
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে গত বছর তিনি টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন। সেই সময়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত সিরিজে তিনি ইনজুরির কারণে দলে ছিলেন না। সিরিজটির জন্য বাংলাদেশ দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব নেন লিটন দাস। তার নেতৃত্বে, বাংলাদেশ তিন ম্যাচের সিরিজে ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে সবকটিতেই জয় লাভ করে। এখন, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নতুন অধিনায়ক কে হবেন, এ নিয়ে আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে গুঞ্জন রয়েছে যে, লিটন দাসই হতে যাচ্ছেন টাইগারদের পরবর্তী টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। যদিও বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি, তবে তার মন্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট যে, লিটন দাস অধিনায়ক হওয়ার দিক থেকে এগিয়ে আছেন।
আজ (শনিবার) মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বিসিবি সভাপতি বলেন, "অধিনায়ক বিষয়ে আমরা খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেব। কিছুদিনের মধ্যে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। ইতোমধ্যে কয়েকজন টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব করেছেন, যারা এখনও দলের বাইরে নেই। তাদের মধ্যে কাউকে আমরা চিন্তা করবো।"
২০২৬ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে, এবং বিসিবি ইতোমধ্যে আসন্ন বিশ্বকাপের পরিকল্পনা করতে শুরু করেছে। তাই তারা ফরম্যাটটির অধিনায়কসহ বিবেচনাধীন ক্রিকেটারদের এখন থেকেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাখতে চায়। এ প্রসঙ্গে ফারুক আহমেদ বলেন, "আমি আগামী বিশ্বকাপে ভালো করার পরিকল্পনা করছি না। ২০০৭ সালে যখন আমি নির্বাচক ছিলাম, তখন তামিম, সাকিব ও মুশফিকরা লাইমলাইটে এসেছিল। বোর্ড থেকে একটি পলিসি দেওয়া হবে, আমরা স্পষ্ট করে জানাবো কী চাই। ক্রিকেট অপারেশন্সের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা পরিকল্পনা করবো, আমাদের ক্রিকেটটাকে কীভাবে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।"
সিদ্দিকা/

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
৫ দিন আগে

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
৫ দিন আগে

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
৫ দিন আগে

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬