রিপোর্টার

বিশ্ব ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের আবির্ভাবের পর থেকে বিনোদন আর উত্তেজনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এই ফরম্যাটকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সালে ভারতের হাত ধরে শুরু হয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল), যা অল্প সময়েই বিশ্বসেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে পরিণত হয়। বর্তমানে এই টুর্নামেন্টের ১৯তম আসর মাঠে গড়াচ্ছে, আর তারই প্রেক্ষাপটে উঠে এসেছে এক বিশেষ আলোচনা।
আইপিএলের গত ১৮ আসরের সেরা পারফরমারদের নিয়ে নিজের মতো করে একটি সেরা একাদশ গড়েছেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক জস বাটলার। তার এই দলটিতে জায়গা পেয়েছেন মোট ১১ জন ক্রিকেটার যার মধ্যে ৭ জন ভারতীয় এবং ৪ জন বিদেশি।
তবে বাটলারের এই নির্বাচনে রয়েছে বেশ কিছু চমক। ভারতের দুই বিশ্বকাপজয়ী টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও সূর্যকুমার যাদব জায়গা পাননি তার দলে। একইভাবে আইপিএলের অন্যতম সফল অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়াও নেই এই তালিকায়। নিজের নামও রাখেননি বাটলার, এমনকি ডেভিড ওয়ার্নারের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারকেও বাদ দিয়েছেন।
স্টুয়ার্ট ব্রডের জনপ্রিয় ‘ফর দ্য লাভ অব ক্রিকেট’ পডকাস্টে বাটলার তার পছন্দের দল প্রকাশ করেন। ওপেনিংয়ে তিনি রেখেছেন বিরাট কোহলি ও ক্রিস গেইলকে যারা আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম ভয়ংকর ব্যাটিং জুটি হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন।
তিন নম্বরে আছেন সুরেশ রায়না, যিনি দীর্ঘদিন চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে অসাধারণ অবদান রেখেছেন এবং ‘মিস্টার আইপিএল’ নামে খ্যাত। চার নম্বরে জায়গা পেয়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স তার উদ্ভাবনী ব্যাটিংয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
উইকেটরক্ষকের দায়িত্বে আছেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অলরাউন্ডার বিভাগে বাটলারের পছন্দ কাইরন পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেল ও সুনীল নারিন যারা ম্যাচের গতিপথ একাই বদলে দিতে পারেন। স্পিন আক্রমণে আছেন রশিদ খান, আর পেস বিভাগে লাসিথ মালিঙ্গা ও জাসপ্রিত বুমরাহ।
তবে পুরো একাদশ সাজালেও দলটির অধিনায়ক হিসেবে কাউকে বেছে নেননি জস বাটলার, যা নিয়েও তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬