
সিনিয়র রিপোর্টার

রাকিব: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে আজ মিরপুরের ঐতিহাসিক শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম মাঠে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক Shaheen Shah Afridi। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১.৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১২ রান।
সতর্ক সূচনা, এরপর তানজিদের আক্রমণ
টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশের ইনিংস শুরু করেন Saif Hasan ও Tanzid Hasan Tamim। পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদির করা প্রথম ওভারটি বেশ সতর্কভাবে খেলেন দুই ওপেনার। সেই ওভার থেকে আসে মাত্র ১ রান।
তবে দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে আসেন Haris Rauf, আর সেখানেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। হারিসের করা ওভারে তানজিদ হাসান একটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা ও একটি চার হাঁকিয়ে দ্রুত রান তোলার ইঙ্গিত দেন। বর্তমানে তানজিদ ৭ বলে ১০ রান করে অপরাজিত আছেন। অন্যদিকে সাইফ হাসান ৫ বলে ১ রান নিয়ে ধীরে ধীরে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করছেন। বাংলাদেশের বর্তমান রান রেট ৬.০০।
শক্তিশালী একাদশ নিয়ে মাঠে দুই দল
আজকের দিবারাত্রির ম্যাচে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন Mehidy Hasan Miraz। টপ অর্ডারে রয়েছেন Najmul Hossain Shanto, Litton Das ও Towhid Hridoy।
বোলিং আক্রমণে আছেন Taskin Ahmed, Mustafizur Rahman এবং তরুণ গতিতারকা Nahid Rana, যারা পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে ফেলতে প্রস্তুত।
অন্যদিকে পাকিস্তানের বোলিং বিভাগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি। তার সঙ্গে আছেন হারিস রউফ ও রহস্য স্পিনার Abrar Ahmed।
বাংলাদেশ একাদশ
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), তাওহীদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।
পাকিস্তান একাদশ
সাহেবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, গাজী ঘরি, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), সালমান আঘা, আব্দুল সামাদ, সাদ মাসুদ, ফাহিম আশরাফ, শাহীন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), হারিস রউফ ও আবরার আহমেদ।
মিরপুরের পিচ সাধারণত ব্যাটিং সহায়ক হলেও শুরুতে পেসাররা কিছুটা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। তাই শুরুটা পার করে বড় সংগ্রহ গড়তে পারবে কি না—এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা বাংলাদেশের সমর্থকদের।
সরাসরি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬