
রির্পোটার

দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও নানা টানাপোড়েনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। সাকিব আল হাসানকে জাতীয় দলে ফেরানোর বিষয়ে অবশেষে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী মার্চে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজেই আবার লাল-সবুজ জার্সিতে দেখা যেতে পারে দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডারকে।
বোর্ড সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিসিবির বোর্ড সভায় সাকিব ইস্যুটি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়। সভা শেষে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন জানান, সাকিবকে পুনরায় জাতীয় দলের জন্য বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন তার ফর্ম ও ফিটনেস মূল্যায়নের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচকদের ওপর। নির্বাচকেরা সন্তুষ্ট হলে দলে অন্তর্ভুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকবে না।
সরকারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে বিসিবি সভাপতি
সাকিবের দেশে ফেরা ও মাঠে নামার পথে সম্ভাব্য রাজনৈতিক ও আইনি জটিলতা দূর করতে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ শুরু করেছেন। বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর একটি জাতীয় দৈনিককে বলেন,“বোর্ড সভাপতি সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন। আমরা আশাবাদী, পাকিস্তানের বিপক্ষে মার্চের সিরিজেই সাকিবকে আবার জাতীয় দলে দেখা যাবে।”
শেষ সিরিজ কি না সিদ্ধান্ত সাকিবের
পাকিস্তান সিরিজই কি সাকিব আল হাসানের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় এমন প্রশ্নে বিসিবির অবস্থান স্পষ্ট। বোর্ড জানিয়েছে, আপাতত তাদের মূল লক্ষ্য সাকিবের ফেরার পরিবেশ নিশ্চিত করা। তিনি কতদিন খেলবেন বা কোন সিরিজে বিদায় নেবেন, সে সিদ্ধান্ত পুরোপুরি সাকিবের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিসিবি শুধু চায়, দেশের মাটিতে তিনি আবার মাঠে নামুন।
অতীতের অপূর্ণ বিদায় ও নতুন আশার আলো
এর আগে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট খেলে বিদায় নিতে চেয়েছিলেন সাকিব। তবে বিশেষ পরিস্থিতির কারণে সে ইচ্ছা পূরণ হয়নি। এবার বিসিবির প্রকাশ্য অবস্থান ও সক্রিয় উদ্যোগ সাকিবভক্তদের জন্য বড় স্বস্তি ও আশার বার্তা হয়ে এসেছে।

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬

অবশেষে পাকিস্তান বধের স্বপ্ন পূরণ করল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক লড়াই শেষে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে টেস্ট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করলো টাইগাররা। ঘরের মাঠে এই প্রথম পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জয় পেল বাংলাদেশ।
১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের অংশ না নেওয়া। সেই সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে সমালোচনা, বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন ওঠার পর এবার আনুষ্ঠানিক তদন্তে নেমেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
১১ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট-বলের লড়াই জমে উঠেছে। প্রথম ইনিংসে শক্ত ভিত গড়ে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে ম্যাচে দারুণ অবস্থান তৈরি করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। বড় স্কোরের চাপ নিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান।
৯ মে ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্টে দারুণ অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্সে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা। শক্ত এই স্কোরের ওপর ভর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে রাখে বাংলাদেশ।
৯ মে ২০২৬

বিপিএলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তদন্তে উঠে এসেছে ম্যাচ ফিক্সিং, আন্তর্জাতিক বেটিং সিন্ডিকেটের যোগাযোগ এবং ক্রিকেটারদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ।
৭ মে ২০২৬