
নিজস্ব প্রতিবেদন: জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতে আমরা অনেকেই ক্লান্ত ও হতাশ হয়ে পড়ি। চেষ্টার পরও কাজের ফল মিলছে না, সমস্যার সমাধান ধরা দিচ্ছে না—এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন বুঝে উঠতে পারি না। কিন্তু ইসলাম আমাদের সামনে এমন কিছু সহজ ও শক্তিশালী আমলের দিকনির্দেশনা রেখেছে, যা আল্লাহর রহমত ও সহায়তা অর্জনে অসাধারণ কার্যকর। নিচে এমন চারটি আমল তুলে ধরা হলো, যেগুলো অসংখ্য মানুষকে বাস্তব জীবনে উপকারে এসেছে।
১. ইস্তেগফার (ক্ষমা প্রার্থনা)
জীবনের যে কোনো সংকট কিংবা দুশ্চিন্তার মুহূর্তে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা এক অনন্য উপায়। “আস্তাগফিরুল্লাহ”, “আল্লাহুম্মাগফিরলি” কিংবা “লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ্জালিমীন”—এইসব বাক্য বারবার পাঠ করলে অন্তর শান্ত হয় এবং আল্লাহর রহমত টেনে আনে। নবী করীম (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার করে, আল্লাহ তার জন্য দুর্দিনে মুক্তির পথ খুলে দেন।”
২. দরুদ শরীফ
নবী করীম (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ আল্লাহর রহমত ও বরকত লাভের অন্যতম মাধ্যম। কোনো দোয়া কবুল না হলে দরুদের মাধ্যমে শুরু করুন। এমনকি শুধুমাত্র দরুদ শরীফ পাঠ করলেও তা অনেক সময় দোয়ার জায়গা পূরণ করে দেয়। হাদীসে এসেছে, “তুমি যদি শুধু দরুদ পাঠ করো, তাহলেও তা তোমার সব দোয়ার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে।”
৩. ইউনুস (আ.)-এর দোয়া
চরম সংকটে ইউনুস (আ.) যে দোয়া করেছিলেন, তা হচ্ছে—“লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ্জালিমীন”এই দোয়ার বরকতেই আল্লাহ তাঁকে মাছের পেট থেকে মুক্তি দেন। কুরআনে বলা হয়েছে, এই দোয়ার শক্তি শুধু ইউনুস (আ.)-এর জন্য নয়, বরং সকল মুমিনের জন্য। যারা বিপদে পড়ে এই দোয়া পাঠ করে, আল্লাহ তাদেরও মুক্তি দিয়ে থাকেন।
৪. ‘ইয়া জাল্লালালি ওয়াল ইকরাম’
আল্লাহর প্রশংসা ও মহানত্ব প্রকাশের একটি মহামূল্যবান শব্দগুচ্ছ—**“ইয়া জাল্লালালি ওয়াল ইকরাম”**। রাসূল (সা.) বলেছেন, যখন আল্লাহর কাছে কিছু চাইবেন, তখন এই নামে তাঁকে ডাকুন। এটি এমন একটি আমল, যার মাধ্যমে দ্রুত ফল লাভের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
এই চারটি আমল শুধু মুখের কথা নয়—প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ এগুলোর মাধ্যমে জীবনে স্বস্তি, সফলতা ও সমাধানের পথ খুঁজে পেয়েছেন। অনেকেই সাক্ষ্য দিয়েছেন, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে এই আমলগুলোই তাঁদের আলোর পথ দেখিয়েছে।
সোহাগ/

দিনভর ব্যস্ততা, কর্মজীবনের চাপ আর নানা দুশ্চিন্তার পর রাতের ঘুমই হয়ে ওঠে মানুষের সবচেয়ে বড় প্রশান্তির সময়। কিন্তু অনেকেই ঘুমানোর আগে সময় কাটান মোবাইল ফোনে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবা অপ্রয়োজনীয় কাজে। অথচ ইসলাম একজন মুমিনের জন্য ঘুমানোর আগেও রেখে দিয়েছে সহজ কিন্তু অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল, যা পালন করতে সময় লাগে মাত্র এক মিনিট।
১৮ জুন ২০২৬

পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ শুধু জীবদ্দশায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাদের মৃত্যুর পরও এই দায়িত্ব অব্যাহত রাখার নির্দেশনা এসেছে হাদিসে।
১ জুন ২০২৬

মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর একটি ঈদুল আজহা। ত্যাগ, আনুগত্য ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের শিক্ষা নিয়ে প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আসে কোরবানির এই ঈদ। এই দিনটিকে ঘিরে মুসলমানদের মধ্যে থাকে বিশেষ প্রস্তুতি, আর দিনের শুরু হয় ঈদের নামাজের মাধ্যমে।
২৭ মে ২০২৬

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মুসলমানদের মধ্যে কুরবানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা যায়। বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পরিবারের একজন সদস্য, বিশেষ করে পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলেই পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি ভিন্ন।
২২ মে ২০২৬

প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ছেড়ে চিরস্থায়ী জীবনের পথে যাত্রা করতে হবে এটাই মানবজীবনের চিরন্তন বাস্তবতা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেই-ই প্রকৃত সফল। আর পার্থিব জীবন শুধুই ছলনার বস্তু।
২ মে ২০২৬

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬