
নিজস্ব প্রতিবেদন: অনেকেই মনে করেন, জীবনের নানা ঘটনা যেমন নিয়তির অংশ—তেমনই বিয়েও এক পূর্বনির্ধারিত বিষয়। অর্থাৎ, কে কার জীবনসঙ্গী হবেন, তা আগেই ঠিক হয়ে আছে। তবে বিষয়টি নিয়ে রয়েছে মতভেদ—বিশেষ করে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি এবং ব্যক্তিগত বিশ্বাসের জায়গা থেকে। কেউ বলেন, সবই আল্লাহর পরিকল্পনা, আবার কেউ মনে করেন, মানুষ নিজের চেষ্টা আর পছন্দের মাধ্যমে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করে।
ইসলামে বিয়ে ও তাকদিরের সম্পর্ক
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টির বহু আগে থেকেই সবার জীবন ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানেন। এক হাদীসে উল্লেখ আছে, আসমান-জমিন সৃষ্টি হওয়ার ৫০ হাজার বছর আগেই প্রতিটি মানুষের তাকদির লেখা হয়েছে। সে দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে গেলে—কার সঙ্গে কার বিয়ে হবে, সেটাও আল্লাহর জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত।
চেষ্টা, পছন্দ ও দোয়ার গুরুত্ব
তবে ইসলাম শুধুমাত্র তাকদিরকেই সব কিছু মনে করে না—মানুষের ইচ্ছা, পরিশ্রম এবং দোয়ারও গুরুত্ব আছে। মানুষ বিয়ের জন্য কাউকে পছন্দ করে, চিন্তা করে, পরিবার পরামর্শ করে, ইস্তিখারা করে এবং অবশেষে সিদ্ধান্ত নেয়। কখনো সেই প্রস্তাব গ্রহণ হয়, আবার কখনো প্রত্যাখ্যাত হয়। এই সবকিছুই মানুষের সচেতন ভূমিকার পরিচায়ক।
তাকদির ও চেষ্টা—দুটোই সত্য
ইসলামী চিন্তাবিদেরা বলেন, মানুষের চেষ্টা নিজেই তাকদিরের অংশ। আপনি যেভাবে চেষ্টা করছেন, দোয়া করছেন, সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন—সবই সেই বড় পরিকল্পনার অন্তর্গত, যেটি আল্লাহ জানেন। আপনি যে পথ বেছে নিচ্ছেন, তাকদির সেভাবেই আপনার জন্য বাস্তবতা সৃষ্টি করে।
বিয়ে না হওয়া বা বিচ্ছেদও তাকদিরের অন্তর্গত
কখনো বিয়ে হয় না, কখনো ভেঙেও যায়। এটাও আল্লাহর জ্ঞানের বাইরে নয়। হতে পারে, সেই ব্যক্তি আপনার জন্য ঠিক ছিলেন না—আর কেউ একজন অপেক্ষা করছেন, যিনি আপনার জন্য আরও উপযুক্ত। তাই কোনো অবস্থাতেই নিজেকে ব্যর্থ ভাবার সুযোগ নেই।
কে কার সঙ্গে বিয়ে করবে, তা একদিকে যেমন আল্লাহর পূর্বজ্ঞান ও পরিকল্পনার অংশ, তেমনি মানুষের চেষ্টাও এই প্রক্রিয়ার অপরিহার্য দিক। বিয়ে একমাত্র তাকদির নয়, বরং তাকদির ও চেষ্টার এক অপূর্ব সমন্বয়।
সোহাগ/

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মুসলমানদের মধ্যে কুরবানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা যায়। বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পরিবারের একজন সদস্য, বিশেষ করে পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলেই পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি ভিন্ন।
১ দিন আগে

প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ছেড়ে চিরস্থায়ী জীবনের পথে যাত্রা করতে হবে এটাই মানবজীবনের চিরন্তন বাস্তবতা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেই-ই প্রকৃত সফল। আর পার্থিব জীবন শুধুই ছলনার বস্তু।
২ মে ২০২৬

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬

জীবনে মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজন কখনোই শেষ হয় না। অভাব ও লোভের চাপ অনেক সময় মানুষকে হালাল-হারামের সীমা ভুলিয়ে দেয়। কিন্তু ইসলামে একজন মুমিনকে শেখানো হয়েছে, সে যেন সবসময় পবিত্র ও বরকতময় রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে।
১০ এপ্রিল ২০২৬

মুসলমানদের জন্য জুমার দিন শুধু সাপ্তাহিক দিবস নয় এটি বরকত, রহমত ও নূরে পরিপূর্ণ এক মহান দিন। এই দিনের প্রতিটি মুহূর্ত আল্লাহর মেহেরবানির ছায়ায় ঢাকা। আর সেই বিশেষ দিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হলো সুরা কাহাফ তিলাওয়াত।
১০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর যখন শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তখন মুসলিম বিশ্বের হৃদয়ে নেমে আসে আনন্দ, প্রশান্তি ও কৃতজ্ঞতার আবহ। সেই আনন্দকে পূর্ণতা দেয় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত নামাজ। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে ঈদের নামাজ মুসলিম সমাজে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
২১ মার্চ ২০২৬