
নিজস্ব প্রতিবেদক: নামমাত্র মুসলমান হলেই জান্নাত নিশ্চিত নয়—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ও বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ। সম্প্রতি এক আলোচনায় তিনি এমন ১৭ শ্রেণির মানুষের কথা উল্লেখ করেন, যারা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত থাকার কারণে জান্নাতের অধিকার হারাতে পারেন।
তার মতে, মুখে মুসলমান বললেই জান্নাতে যাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। ঈমান, সঠিক বিশ্বাস, নেক আমল এবং খাঁটি নিয়ত—এই চারটি বিষয় মিলেই জান্নাতের পথ তৈরি হয়।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, যারা ইসলামের ফরজ বিধান অবহেলা করে, গোনাহকে হালকা ভাবে দেখে কিংবা ধর্মীয় দায়িত্ব ভুলে যায়, তারা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে, যদিও তারা মুসলমান পরিচয় বহন করে।
তিনি যেসব শ্রেণির মানুষকে সতর্ক করেছেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
1. লোক দেখানো ইবাদতকারী (রিয়া করা ব্যক্তি)
2. জাকাত, ফিতরা বা ফরজ দান এড়িয়ে যাওয়া
3. গিবত, অপবাদ ও পরনিন্দায় লিপ্ত থাকা
4. অহংকার, হিংসা ও দম্ভে জীবনযাপন করা
5. নামাজ ও রোজায় অবহেলা করা
6. কুফরি বা শিরকি বক্তব্যকে তুচ্ছ ভাবা
7. বিদআত প্রচলন ও অনুসরণ করা
8. বিপথগামী মতবাদ বা গোমরাহ দলের অনুসারী হওয়া
9. আল্লাহ ও রাসূলের আদেশ-নিষেধকে অবজ্ঞা করা
10. ইসলামকে দুনিয়ার স্বার্থে বিক্রি করা
11. অন্যের অধিকার জেনে-শুনে নষ্ট করা
12. পরিবার ও সমাজে অন্যায় ছড়িয়ে দেওয়া
13. মুসলমানদের মধ্যে ফিতনা সৃষ্টি করা
14. সত্য জেনেও তা গোপন রাখা
15. ইসলামের শত্রুদের সহযোগিতা করা
16. ইচ্ছাকৃতভাবে হক পথ ছেড়ে দেওয়া
17. আল্লাহভীতিহীন ও গাফেল জীবন যাপন করা
শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, এদের অনেকেই ইসলামী দৃষ্টিকোণে মুনাফিক বা ফাসিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যদি তারা তওবা না করে মৃত্যুবরণ করে, তবে কুরআন ও হাদীস অনুযায়ী জান্নাত তাদের জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে।
তিনি মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানান—নিজের পরিচয়, বিশ্বাস ও আমলের বিশুদ্ধতার দিকে নজর দিতে হবে। সময় থাকতে গাফিলতি, ভুল আকীদা ও পাপ থেকে ফিরে এসে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে ফিরে আসাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মুসলমানদের মধ্যে কুরবানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা যায়। বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পরিবারের একজন সদস্য, বিশেষ করে পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলেই পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি ভিন্ন।
১ দিন আগে

প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ছেড়ে চিরস্থায়ী জীবনের পথে যাত্রা করতে হবে এটাই মানবজীবনের চিরন্তন বাস্তবতা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেই-ই প্রকৃত সফল। আর পার্থিব জীবন শুধুই ছলনার বস্তু।
২ মে ২০২৬

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬

জীবনে মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজন কখনোই শেষ হয় না। অভাব ও লোভের চাপ অনেক সময় মানুষকে হালাল-হারামের সীমা ভুলিয়ে দেয়। কিন্তু ইসলামে একজন মুমিনকে শেখানো হয়েছে, সে যেন সবসময় পবিত্র ও বরকতময় রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে।
১০ এপ্রিল ২০২৬

মুসলমানদের জন্য জুমার দিন শুধু সাপ্তাহিক দিবস নয় এটি বরকত, রহমত ও নূরে পরিপূর্ণ এক মহান দিন। এই দিনের প্রতিটি মুহূর্ত আল্লাহর মেহেরবানির ছায়ায় ঢাকা। আর সেই বিশেষ দিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হলো সুরা কাহাফ তিলাওয়াত।
১০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর যখন শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তখন মুসলিম বিশ্বের হৃদয়ে নেমে আসে আনন্দ, প্রশান্তি ও কৃতজ্ঞতার আবহ। সেই আনন্দকে পূর্ণতা দেয় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত নামাজ। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে ঈদের নামাজ মুসলিম সমাজে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
২১ মার্চ ২০২৬