
বিশ্বজুড়ে ইসলাম ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে প্রায় ৩৫ কোটি মানুষ নতুনভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে।
সম্প্রতি পিউ রিসার্চ সেন্টারের ‘গ্লোবাল রিলিজিয়াস ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা অনুযায়ী, এখনও বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্ম হলো খ্রিষ্টধর্ম—এ ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ২৩০ কোটি। তবে ইসলাম ও খ্রিষ্টধর্মের মধ্যকার ব্যবধান দ্রুত কমে আসছে। গত এক দশকে খ্রিষ্টান জনসংখ্যা যেখানে ১.৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, সেখানে মুসলিম জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বর্তমানে প্রায় ২০০ কোটি মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী, যা বৈশ্বিক জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ। গত দশকে ইসলাম ধর্মে যে ৩৫ কোটি নতুন অনুসারী যুক্ত হয়েছেন, সেই সংখ্যা খ্রিষ্টধর্মের বৃদ্ধির চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি এবং অন্যান্য ধর্মের সম্মিলিত বৃদ্ধির তুলনাতেও বেশি।
গবেষণা অনুযায়ী, ইসলাম ধর্মে জনসংখ্যা বৃদ্ধির মূল কারণ ধর্মান্তর নয়, বরং প্রাকৃতিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি। মুসলিম পরিবারে সন্তানসংখ্যা অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের তুলনায় বেশি, এবং মুসলিমদের গড় বয়সও তুলনামূলকভাবে কম। এ ছাড়া ইসলাম একমাত্র ধর্ম, যেখানে ধর্মান্তরিত হয়ে ধর্মে প্রবেশকারীর সংখ্যা, ধর্মত্যাগীদের চেয়ে বেশি।
বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম ধর্ম হলো হিন্দুধর্ম। বর্তমানে হিন্দু অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১২০ কোটি, যা ২০১০ সালের তুলনায় ১২ কোটি ৬০ লাখ বেড়েছে। ইহুদি ধর্মাবলম্বী বেড়েছে প্রায় ১০ লাখ, যা বৈশ্বিক জনসংখ্যার মাত্র ০.২ শতাংশ। অন্য ধর্ম যেমন শিখ, বাহাইসহ বিভিন্ন ধর্মের মোট অনুসারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ কোটি।
অন্যদিকে, বৌদ্ধধর্মে অনুসারীর সংখ্যা কমেছে। ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ। তবে যাঁরা কোনো ধর্ম মানেন না—এমন মানুষদের সংখ্যা বেড়েছে দ্রুতগতিতে।
বিশ্বে ধর্মহীন মানুষের সংখ্যা এখন প্রায় ২০০ কোটি, যার মধ্যে শুধু চীনেই রয়েছে প্রায় ১৩০ কোটি। ২০১০ সালের তুলনায় ধর্মহীন মানুষের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২৭ কোটি।

দিনভর ব্যস্ততা, কর্মজীবনের চাপ আর নানা দুশ্চিন্তার পর রাতের ঘুমই হয়ে ওঠে মানুষের সবচেয়ে বড় প্রশান্তির সময়। কিন্তু অনেকেই ঘুমানোর আগে সময় কাটান মোবাইল ফোনে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবা অপ্রয়োজনীয় কাজে। অথচ ইসলাম একজন মুমিনের জন্য ঘুমানোর আগেও রেখে দিয়েছে সহজ কিন্তু অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল, যা পালন করতে সময় লাগে মাত্র এক মিনিট।
১৮ জুন ২০২৬

পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ শুধু জীবদ্দশায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাদের মৃত্যুর পরও এই দায়িত্ব অব্যাহত রাখার নির্দেশনা এসেছে হাদিসে।
১ জুন ২০২৬

মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর একটি ঈদুল আজহা। ত্যাগ, আনুগত্য ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের শিক্ষা নিয়ে প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আসে কোরবানির এই ঈদ। এই দিনটিকে ঘিরে মুসলমানদের মধ্যে থাকে বিশেষ প্রস্তুতি, আর দিনের শুরু হয় ঈদের নামাজের মাধ্যমে।
২৭ মে ২০২৬

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মুসলমানদের মধ্যে কুরবানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা যায়। বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পরিবারের একজন সদস্য, বিশেষ করে পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলেই পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি ভিন্ন।
২২ মে ২০২৬

প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ছেড়ে চিরস্থায়ী জীবনের পথে যাত্রা করতে হবে এটাই মানবজীবনের চিরন্তন বাস্তবতা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেই-ই প্রকৃত সফল। আর পার্থিব জীবন শুধুই ছলনার বস্তু।
২ মে ২০২৬

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬