
সিনিয়ার রিপোর্টার

দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে নতুন বেতন কাঠামোর অপেক্ষায় থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে উদ্বেগ ও প্রত্যাশা। এমন পরিস্থিতিতে নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের দাবিতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতারা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ফলে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বিদ্যমান বেতন কাঠামো অনেক ক্ষেত্রেই কর্মচারীদের জীবনযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য হারিয়েছে।
কর্মচারী নেতাদের মতে, বর্তমানে সব গ্রেডে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি মাত্র ৫ শতাংশ নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু বাজারদর, বাসাভাড়া, শিক্ষা ব্যয়, চিকিৎসা খরচ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির তুলনায় এই বৃদ্ধি অত্যন্ত অপ্রতুল। বিশেষ করে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা সবচেয়ে বেশি আর্থিক চাপে রয়েছেন।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, একজন কর্মচারী যখন তার গ্রেডের সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছে যান, তখন পদোন্নতি না হলে তার আর কোনো বেতন বৃদ্ধির সুযোগ থাকে না। ফলে দীর্ঘ সময় একই বেতনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই আর্থিক সংকটে পড়ছেন।
কর্মচারী নেতারা দাবি করেন, গত এক দশকে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ৫০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। এর ফলে খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা, পরিবহন ও আবাসন খাতে ব্যয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় সরকারি কর্মচারীদের আয় বাড়েনি। ফলে বর্তমান বেতন কাঠামো বাস্তব জীবনের চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত নয়।
বর্তমানে সরকারি ও আধা-সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৯ লাখের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছেন।
বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। কমিশন দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে ১৮৪টি সভা আয়োজন করে এবং দুই হাজার ৫০০-এর বেশি মতামত সংগ্রহের মাধ্যমে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেয়।
তবে সুপারিশ জমা দেওয়ার কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো তা বাস্তবায়নের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ বাড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নবম পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে বলেও অভিযোগ করেছেন কর্মচারী নেতারা। তাদের মতে, এসব তথ্য কর্মচারীদের মধ্যে অযথা উদ্বেগ সৃষ্টি করছে এবং বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করছে।
বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি ম. নূরুল ইসলাম বলেন, সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে এবং নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে আন্তরিক রয়েছে। তাই বিভ্রান্তিকর মন্তব্য বা অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বয়ক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা কর্মচারীদের আর্থিক দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসাভাড়া ও অন্যান্য নিত্যব্যয়ের চাপ সামাল দিতে অনেক পরিবারকেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর করতে নবম জাতীয় পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। তাই কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।

অবশেষে প্রতীক্ষার পালা শেষ হতে চলেছে দেশের কোটি শিক্ষার্থীর জীবনে। আগামী ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখ সোমবার দেশের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই ফল প্রকাশের খবরে লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে এক মিশ্র অনুভূতির উৎকণ্ঠা আর স্বস্তির এক অন্যরকম মেলবন্ধন। কাঙ্ক্ষিত ফল হাতে পাওয়ার দিন ঘনিয়ে আসায় চারদিকে এখন শুধু ফলাফলের আলোচনা।
৮ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশের সোনার বাজারে আরও একবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যার ফলে ক্রেতা সাধারণের জন্য গহনা কেনার খরচ কিছুটা বাড়ল। দেশের সোনার বাজারের একমাত্র শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) তাদের সর্বশেষ ও নতুন মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর বড় ঘোষণা দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ জোরেশোরে ছড়িয়ে পড়েছিল যে, আগামী ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। তবে লাখ লাখ পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া এই তথ্যটিকে সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
২১ ঘণ্টা আগে

দেশের শিক্ষাঙ্গনের সাড়ে ১৮ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী এবং তাদের উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহলে চলা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত ২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
২১ ঘণ্টা আগে

দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রত্যাশিত ও আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও চূড়ান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আরও অন্তত দুই থেকে তিন মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে। নতুন এই বেতন কাঠামো চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নের রূপরেখা নির্ধারণ নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটির দীর্ঘ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, পুরো প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া নিখুঁতভাবে শেষ করে সরকারি গেজেট প্রকাশের ক্ষেত্রে কিছুটা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হতে পারে। তবে সরকারের বর্তমান নীতিগত লক্ষ্য রয়েছে চলতি বছরের আগামী অক্টোবরের আগেই এই গেজেট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করার, যার জন্য সচিব কমিটিকে সামনে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফা বৈঠকে অংশ নিতে হবে।
২২ ঘণ্টা আগে

দেশের সাড়ে ১৪ লাখেরও বেশি সরকারি চাকরিজীবীর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সাম্প্রতিক ভাষ্য অনুযায়ী, বেতন কমিশনের সুপারিশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করার জন্য গঠিত উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটি আগামীতে আরও দুই থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবে এবং এরপরই তাদের চূড়ান্ত সুপারিশমালা আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের উচ্চ মহলে জমা দেবে। এরপরে মন্ত্রিসভার সবুজ সংকেত ও চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই নতুন পে-স্কেলের বহুল প্রত্যাশিত গেজেট প্রকাশের পথ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হবে। সব কিছু যদি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বিঘ্নে এগোতে থাকে, তবে আগামী আগস্ট মাসের মধ্যেই এই গেজেট প্রকাশিত হতে পারে বলে জোরালো আশা করা হচ্ছে।
২২ ঘণ্টা আগে

মালয়েশিয়ায় কঠোর পরিশ্রম করে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য নিয়ে এল এক চমৎকার ও স্বস্তিদায়ক সুসংবাদ। আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে ১ মালয়েশিয়ান রিংগিত (MYR) বিনিময়মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০.২২ বাংলাদেশি টাকায়। এর আগের কার্যদিবসের তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রতি রিংগিতের বিনিময় হার ছিল ২৯.৮১ টাকা। সেই হিসাবে মাত্র একদিনের ব্যবধানে বাংলাদেশি মুদ্রার বিপরীতে মালয়েশিয়ার মুদ্রার মান বেড়েছে ০.৪১ টাকা। মুদ্রাবাজারে রিংগিতের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা প্রবাসীদের কষ্টার্জিত আয়ের দেশে পাঠানোকে আরও বেশি লাভজনক করে তুলেছে।
২২ ঘণ্টা আগে

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। আজ সোমবার দুপুরে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক। শিক্ষা সচিব জানান
১ দিন আগে

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনক্ষণ নিয়ে তৈরি হওয়া দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে খুব শিগগিরই। দেশের প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ পরীক্ষার্থী ও তাদের উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের উৎকণ্ঠা দূর করতে জুলাই মাসের শেষেই ফলাফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলো। সব প্রক্রিয়া ঠিকঠাকভাবে শেষ হলে আগামী ৩০ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হতে পারে ২০২৬ সালের এই গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল। এর আগে পরীক্ষা শেষ হওয়ার নির্দিষ্ট ৬০ দিনের সময়সীমা কিছুটা পার হলেও বোর্ডগুলোর জোর তৎপরতায় চলতি মাসেই ফলাফল হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে।
১ দিন আগে