
রিপোর্টার

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আসন্ন আসরে সব আলো যেন কেড়ে নিয়েছেন বাংলাদেশের ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমান। নিলামের টেবিলে তাকে নিয়ে রীতিমতো কাড়াকাড়ি পড়ে গিয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে। শেষ পর্যন্ত রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে (প্রায় ১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা) তাকে নিজেদের ডেরায় ভিড়িয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। মুস্তাফিজের এই আকাশচুম্বী দামের পর এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে তিনি কি পুরো মৌসুম কলকাতার বেগুনি জার্সিতে মাঠ মাতাতে পারবেন?
বিসিবি সভাপতির অবস্থান: মুস্তাফিজের আইপিএল খেলা এবং জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি নিয়ে বুধবার নতুন ক্রীড়া উপদেষ্টার সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট জানান, মুস্তাফিজের আইপিএল খেলা বা না খেলার বিষয়টি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়।
বুলবুল বলেন, “মুস্তাফিজ আমাদের জাতীয় সম্পদ। তিনি দেশের হয়ে খেলেন। তাঁর আইপিএল খেলার ক্ষেত্রে উচিত-অনুচিত বিবেচনার দায়িত্ব ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের। তারাই সূচি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবে কোনটি দেশের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।” তবে বিষয়টি নিয়ে তিনি নিজেও আলোচনা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।
পূর্ব পরিকল্পনা ও শাহরিয়ার নাফিসের বক্তব্য: আইপিএলে মুস্তাফিজের প্রাপ্যতা নিয়ে সৃষ্ট ধোঁয়াশা অনেকটাই পরিষ্কার করেছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিস। তিনি জানান, কলকাতা নাইট রাইডার্স মুস্তাফিজকে কেনার আগেই জানত তিনি কতদিন এভেইলেবল থাকবেন।
নাফিস বলেন, “আমরা আগে থেকেই আইপিএল কর্তৃপক্ষ ও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছি। মুস্তাফিজ কতদিন খেলতে পারবেন, সেটি মেনেই কলকাতা তাকে দলে নিয়েছে। তাই এখানে কোনো পক্ষেরই অসন্তুষ্ট হওয়ার কারণ নেই।” তিনি আরও যোগ করেন যে, মুস্তাফিজ আইপিএলের সব গুরুত্বপূর্ণ এবং বড় ম্যাচগুলোতে অংশ নিতে পারবেন, যা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির জন্যও ইতিবাচক।
জাতীয় স্বার্থ ও আইপিএলের সমন্বয়: বিসিবির বর্তমান অবস্থান থেকে বোঝা যাচ্ছে, জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের সাথে সাংঘর্ষিক না হলে মুস্তাফিজকে পূর্ণ বা দীর্ঘ সময়ের জন্যই ছাড়পত্র দেওয়া হবে। বিশেষ করে কেকেআরের মতো বড় দলে মুস্তাফিজের সুযোগ পাওয়া দেশের ক্রিকেটের ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়াতে সাহায্য করবে। এখন দেখার বিষয়, ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগ চূড়ান্ত সূচি পর্যালোচনা করে ঠিক কত দিনের জন্য ‘দ্য ফিজ’-কে অনাপত্তিপত্র (NOC) প্রদান করে।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬