
সিনিয়ার রিপোর্টার

গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা ও স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে দেশের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে তিনি তার সাংবিধানিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন। পদত্যাগপত্রে তিনি নিজের অবনতিশীল শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত কারণ তুলে ধরেছেন।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং কিডনি জটিলতার মতো নানা দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন। অতীতে তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারিও সম্পন্ন হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক এক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তাঁর শরীরে 'অটোনমিক নিউরোপ্যাথি' (Autonomic Neuropathy) নামক একটি জটিল স্নায়বিক রোগ ধরা পড়ে।
দায়িত্ব ছাড়ার নেপথ্যে জটিল স্নায়বিক রোগ ও চিকিৎসকদের পরামর্শ
পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন, অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামের এই স্নায়বিক জটিলতার কারণে তিনি মাঝে মাঝেই হঠাৎ ক্ষণিকের জন্য জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন বা অচেতন হয়ে পড়েন। এসব শারীরিক জটিলতার ফলে তাঁর স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে। রাষ্ট্রপতির মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব নিয়মিত ও সফলভাবে পালন করা বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না।
চিকিৎসকদের কঠোর পরামর্শ এবং নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রেখেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বর্তমানে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং পূর্ণ বিশ্রামের একান্ত প্রয়োজন রয়েছে।
সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ও পরবর্তী দায়িত্বভার
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদে বর্ণিত বিধান ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তিনি রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁর এই পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণের পর এবং সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনা, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং চাকরির নিয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগে ভারতের তরুণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার ও তীব্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। দিন যত গড়াচ্ছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতি ততই জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়ে এখন নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এক কঠিন ও ঐতিহাসিক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে পরিস্থিতি রূপ নিচ্ছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
১০ ঘণ্টা আগে

২২তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের আকস্মিক পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ ২৩তম রাষ্ট্রপতির আসনে কে বসছেন, তা নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হওয়া একরকম নিশ্চিত। দলটির নীতিনির্ধারক ও সরকারি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই দৌড়ে মূলত দলের শীর্ষস্থানীয় তিন নেতা এবং একজন দক্ষ আমলার নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে উঠে আসছে।
১১ ঘণ্টা আগে

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে তৈরি হওয়া দেশজোড়া আলোচিত ভিডিও ও বিতর্ক নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি দাবি করেছেন, ভাইরাল হওয়া ওই তরুণী নিজেই গাজী নজরুলের আজীবন সেবা করার চরম আবদার করেছিলেন।
১ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একাধিক ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
২ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের আরও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে ভিডিওটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ভিডিওটি কবে এবং কোথায় ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি।
৩ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি দাবি করেছেন, ভিডিওটি পরিকল্পিতভাবে গোপনে ধারণ করা হয়েছে এবং পরে সেটি ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে।
৪ দিন আগে

মৃত্যুদণ্ডের সাজা মাথায় নিয়ে প্রায় দুই বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটাতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ডিসেম্বরের দিকেই তিনি দেশে ফেরার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করছেন। তবে লুকিয়ে নয়, বরং দেশে ফিরেই দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে নিয়ে তিনি স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
১০ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি মন্তব্যকে ঘিরে বুধবার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। সকালে সিলেটে সফরের শুরুতেই বিমানবন্দরে উপস্থিত কয়েকজন সংসদ সদস্যকে দেখে প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর বিকেলেই সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে জাতীয় সংসদে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
১৭ জুন ২০২৬

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনি প্রচারণায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তার দাবি, সরকারি কোষাগারের অর্থ ব্যবহার করে প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা গণতান্ত্রিক চর্চা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার পরিপন্থী।
৯ জুন ২০২৬