
রিপোর্টার

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনা, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং চাকরির নিয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগে ভারতের তরুণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার ও তীব্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। দিন যত গড়াচ্ছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতি ততই জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়ে এখন নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এক কঠিন ও ঐতিহাসিক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে পরিস্থিতি রূপ নিচ্ছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
মোদির সম্ভাব্য গন্তব্য ও নেটিজেনদের জল্পনা
ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের আবহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হলে নরেন্দ্র মোদি কোথায় আশ্রয় নিতে পারেন, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। নেটিজেনদের মতে, মোদির সম্ভাব্য নিরাপদ গন্তব্য হতে পারে তাঁর ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশ ইসরায়েল। অতীতে বিভিন্ন সময় ইসরায়েলের প্রতি তাঁর অকুণ্ঠ সমর্থন ও আদর্শিক মিলের কথা প্রকাশ পেয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেটিজেনরা মনে করছেন, আদর্শিক ও বন্ধুত্বের জায়গা থেকে মোদি যদি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন, তবে ইসরায়েলেই তিনি সবচেয়ে বেশি নিরাপদ বোধ করবেন।
মোদির পতন হলে কোথায় ঠাঁই পাবেন শেখ হাসিনা?
এই সমীকরণের মাঝেই তৈরি হয়েছে আরেকটি বড় ভূরাজনৈতিক প্রশ্ন। ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে নরেন্দ্র মোদি সরকারের আশ্রয়েই অবস্থান করছেন। অতীতে মোদি ও হাসিনার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর ও বন্ধুত্বের প্রতীক। সেই সুদৃঢ় সম্পর্কের জোরেই ভারত তাঁকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে—যিনি আশ্রয় দিয়েছেন, সেই মোদি নিজেই যদি ক্ষমতা হারিয়ে বিপাকে পড়েন, তবে শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ কী হবে? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে চলছে নানা ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ও কাটাছেঁড়া। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই কৌতূহল—মোদি যদি শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলে পাড়ি জমান, তবে কি তিনি তাঁর এই পরম বন্ধুকেও সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন, নাকি হাসিনাকে সম্পূর্ণ নতুন কোনো দেশের খোঁজ করতে হবে? মোদির সম্ভাব্য পতনের প্রভাবে শেখ হাসিনা যে আবারও এক গভীর অনিশ্চয়তা ও বিপাকে পড়তে যাচ্ছেন, তা নিয়ে এখন দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে চলছে নানা গুঞ্জন।
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির নতুন রহস্য
রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই এবং ক্ষমতার পালাবদল কখনোই আগাম বার্তা দিয়ে আসে না। ভারতের অভ্যন্তরীণ এই ছাত্র আন্দোলন ও অস্থিরতা কেবল তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং এটি সরাসরি জড়িয়ে আছে শেখ হাসিনার ভাগ্যের সঙ্গে। মোদির রাজনৈতিক পতনের পর তাঁর গন্তব্য হয়তো ইসরায়েলে হতে পারে, তবে সেই পরিবর্তনের স্রোতে শেখ হাসিনার ঠাঁই কোথায় হবে—এটাই এখন দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির সবচেয়ে বড় ও রোমাঞ্চকর রহস্য।

বিশ্বজুড়ে আবারও বেড়েছে ভূমিকম্পের তৎপরতা। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একাধিক ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে অন্তত ১২টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ২ দশমিক ০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। একদিনের ব্যবধানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিকভাবে ভূকম্পন রেকর্ড হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
৬ দিন আগে

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশির কাছে প্রতিদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোর একটি হলো বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কাতার, কুয়েত, ওমান, সিঙ্গাপুর, ইতালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা নিয়মিত দেশে অর্থ পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিস্তার এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের কাছেও প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
১৯ জুলাই ২০২৬

পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার জমির মূল্য এখন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল রিয়েল এস্টেট বাজারগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর আশপাশের জমির দাম এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা বিশ্বের শীর্ষ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর জমির মূল্যের সঙ্গেও প্রতিযোগিতা করছে। ধর্মীয় গুরুত্ব, সীমিত জমি, বিপুল সংখ্যক মুসল্লির আগমন এবং সৌদি আরবের ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রকল্প সবকিছু মিলিয়ে এই দুই শহরের ভূমির মূল্য ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।
১৮ জুলাই ২০২৬

মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো অঞ্চলে। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পের কম্পন শুধু মেক্সিকোতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পার্শ্ববর্তী গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরেও তা স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই সম্ভাব্য সুনামির ঝুঁকি বিবেচনায় উপকূলীয় এলাকাগুলোর জন্য সতর্কতা জারি করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে উপকূলজুড়ে শুরু হয়েছে সতর্কতা, উদ্বেগ এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের তৎপরতা।
১৮ জুলাই ২০২৬

বিদেশে কর্মরত লাখো প্রবাসী বাংলাদেশি, আমদানি-রপ্তানিকারক, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং বিদেশ ভ্রমণপ্রত্যাশীদের জন্য প্রতিদিনের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং স্থানীয় ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের ওপর নির্ভর করে প্রতিদিনই মুদ্রার দামে কিছু না কিছু পরিবর্তন ঘটে।
১৪ জুলাই ২০২৬

ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করার পথে একটি বড় অগ্রগতি হয়েছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে দুই দেশ ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং অ্যাস্ট্রা দূরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সমঝোতা শুধু দুই দেশের সামরিক সম্পর্কই নয়, বরং পুরো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও কৌশলগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
৯ জুলাই ২০২৬

বিদেশি পর্যটক, দক্ষ পেশাজীবী এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি আকৃষ্ট করতে ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে প্রবেশ এবং বসবাসের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত করতে একগুচ্ছ নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণ, মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় পর্যটক ভিসা অনুমোদন, বিনিয়োগকারীদের আবাসিক ভিসার নিয়ম শিথিল করা এবং চিকিৎসাপ্রার্থীদের জন্য নতুন স্মার্ট মেডিকেল ভিসা চালুর উদ্যোগ।
৪ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন এক অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে এবং এই ঘটনার দায়ীরা রেহাই পাবে না।
৩ জুলাই ২০২৬

শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও তোলপাড় সৃষ্টি করেছে বহুল আলোচিত রাজাপক্ষ পরিবারের বিরুদ্ধে নতুন আইনি পদক্ষেপ। সাবেক রাষ্ট্রপতি মাহিন্দা রাজাপক্ষের ছেলে যোশিতা রাজাপক্ষকে অবৈধভাবে নৌবাহিনীতে নিয়োগ এবং বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দেওয়ার অভিযোগে দেশটির সাবেক নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল অব দ্য ফ্লিট ওয়াসান্থা কারান্নাগোডাকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন
৩ জুলাই ২০২৬