
রিপোর্টার

২২তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের আকস্মিক পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ ২৩তম রাষ্ট্রপতির আসনে কে বসছেন, তা নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হওয়া একরকম নিশ্চিত। দলটির নীতিনির্ধারক ও সরকারি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই দৌড়ে মূলত দলের শীর্ষস্থানীয় তিন নেতা এবং একজন দক্ষ আমলার নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে উঠে আসছে।
দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন রাষ্ট্রপতির এই দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষক তাঁর দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে অতীতে স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন। দলীয় হাইকমান্ডের কাছে অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির (ক্লিন ইমেজ) অধিকারী হওয়ায় তিনি এই সাংবিধানিক পদের জন্য অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
আলোচনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপির বর্তমান মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামটিও রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য তালিকার শীর্ষে রয়েছে। দীর্ঘকাল ধরে দলের চরম দুর্দিনে রাজপথে নেতৃত্ব দান এবং অসামান্য ত্যাগের কারণে বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে তিনি অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও আস্থার প্রতীক। দলের ভেতরে ও বাইরে তাঁর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা থাকায় দেশের এই সর্বোচ্চ পদে তাকে বসিয়ে দলীয়ভাবে সম্মানিত করার একটি জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রবীণ নেতা ড. আবদুল মঈন খান ও আমলা এম নাসিমুল গণির নাম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক প্রবীণ ও সম্মানিত সদস্য ড. আবদুল মঈন খানও রয়েছেন এই আলোচনায়। নরসিংদী থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া মঈন খান তাঁর মৃদুভাষী ও মার্জিত ব্যক্তিত্বের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। অতীতে সফলভাবে মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমান মন্ত্রিসভায় তাকে না রাখায় রাজনৈতিক মহলে ধারণা তৈরি হচ্ছে যে তাকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্যই মূলত বিবেচনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে বড় চমক হিসেবে আলোচনায় এসেছেন বর্তমান ২৬তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম নাসিমুল গণি। ১৯৮২ ব্যাচের এই সিনিয়র সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা অতীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের গণবিভাগের সচিব হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলনিরপেক্ষ বা আমলাতান্ত্রিক ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে কাউকে বেছে নেওয়া হলে তিনি সরকারের প্রথম পছন্দ হতে পারেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে শীর্ষ নেতৃত্বের ওপররাজনৈতিক অঙ্গনের কিছু অংশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমদের নাম নিয়ে ক্ষীণ গুঞ্জন শোনা গেলেও, শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি নির্ভর করবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের ওপর। এখন দেশবাসীর নজর—কার মাথায় উঠতে চলেছে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতির মুকুট।

অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নুরুল ইসলাম
৫ দিন আগে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা মন্তব্য করেছেন যে, তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মূল্যায়ন ও সাধারণ বিচারবুদ্ধি (কমন সেন্স) অনুযায়ী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একসময়ে বাংলাদেশে ঠিকই ফিরে আসবেন। গত বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন।
৬ দিন আগে

আগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে, আর এই মাইলফলক সামনে রেখেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সরকারি মহলে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের অভ্যন্তরীণ ও দলীয় উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে যে, বিগত ছয় মাসের কর্মদক্ষতা, রাজনৈতিক ভাবমূর্তি এবং নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের কঠোর মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করেই মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল আসতে পারে। এই পরিবর্তনের ধারায় কিছু বর্তমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী তাদের দায়িত্ব হারাতে পারেন, অন্যদিকে নতুন ও পরিচ্ছন্ন মুখের অন্তর্ভুক্তি ঘটে মন্ত্রিসভার কলেবর ও কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
৫ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত ও কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিষয়টি হলো দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া এই সাংবিধানিক ও সর্বোচ্চ পদে কে আসীন হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন চলছে। যদিও এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির নাম নিয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি, তবুও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও দলীয় সূত্রে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বিএনপির তিনজন জ্যেষ্ঠ ও হেভিওয়েট নেতার নাম জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে।
২ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া এই সাংবিধানিক পদে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে কে আসীন হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির অভ্যন্তরীণ ভাবনা এবং মনোনয়নের মাপকাঠি নিয়ে নতুন সব তথ্য সামনে আসায় রাজনৈতিক অঙ্গনের উষ্ণতা আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে।
১ আগস্ট ২০২৬

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনা, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং চাকরির নিয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগে ভারতের তরুণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার ও তীব্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। দিন যত গড়াচ্ছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতি ততই জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়ে এখন নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এক কঠিন ও ঐতিহাসিক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে পরিস্থিতি রূপ নিচ্ছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
২৫ জুলাই ২০২৬

গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা ও স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে দেশের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন।
২৫ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে তৈরি হওয়া দেশজোড়া আলোচিত ভিডিও ও বিতর্ক নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি দাবি করেছেন, ভাইরাল হওয়া ওই তরুণী নিজেই গাজী নজরুলের আজীবন সেবা করার চরম আবদার করেছিলেন।
২৪ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একাধিক ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
২৩ জুলাই ২০২৬