
নিজস্ব প্রতিবেদক: অনেকের মুখে শোনা যায়—কেউ মারা গেলে তার আত্মা নাকি আরও কিছুদিন বাড়ির আশপাশে ঘুরে বেড়ায়। কেউ বলেন, আত্মা আপনজনদের দেখে যায়, কারও কারও মতে আত্মা ঘরের মধ্যে বা ব্যবহৃত জিনিসপত্রের পাশে অবস্থান করে। কেউ আবার বলেন, তারা অনুভব করেন মৃত ব্যক্তি যেন এখনও কাছেই আছেন।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই বিশ্বাসের পেছনে বাস্তবতা কতটা? এবং ইসলামের দৃষ্টিতে এর ব্যাখ্যা কী?
ইসলামী শরিয়তের মতে, মৃত্যু মানেই দুনিয়ার জীবনের পরিসমাপ্তি। মানুষের আত্মা তখন দেহ ত্যাগ করে এক নতুন জগতে প্রবেশ করে, যেটিকে বলা হয় বারযাখ—যেটা মৃত্যুর পর এবং কেয়ামতের আগে আত্মার অবস্থানস্থল।
পবিত্র কুরআন ও হাদীস অনুযায়ী, মৃত্যুর পর আত্মা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না বা দুনিয়ায় ঘোরাফেরা করে না।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:“কবর জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান, অথবা জাহান্নামের গর্তসমূহের একটি গর্ত।”— (তিরমিজি, হাদীস: ২৪৬০)
অর্থাৎ মৃত্যুর পর মানুষকে তার আমল অনুযায়ী শান্তি বা শাস্তি দেওয়া শুরু হয় কবরেই। তাই আত্মা দুনিয়ায় ঘোরাফেরা করার প্রশ্নই ওঠে না।
এটি মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক প্রতিক্রিয়া। প্রিয়জনকে হারানোর শোক, তার স্মৃতিচিহ্ন, ব্যবহৃত জিনিস বা প্রতিদিনের অভ্যাসগুলো তাকে ঘিরে রাখে। ফলে মনে হয় তিনি এখনও কাছেই আছেন। এই অনুভব বাস্তব নয়, এটি একধরনের আবেগগত প্রতিচ্ছবি।
ইসলামের দৃষ্টিতে, “মৃত আত্মা চার দিন বা নির্দিষ্ট সময় ধরে বাড়ির আশপাশে ঘোরে”—এমন বিশ্বাসের কোনও ভিত্তি নেই। বরং এসব ধারণা ইসলামি আকিদার পরিপন্থী এবং ভুল পথে নিয়ে যেতে পারে।
সুতরাং মুসলিমদের উচিত—আখিরাত, কবরের জীবন এবং কিয়ামতের দিনে আত্মার অবস্থা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা এবং ভ্রান্ত বিশ্বাস থেকে বিরত থাকা।
রাকিব/

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মুসলমানদের মধ্যে কুরবানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা যায়। বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পরিবারের একজন সদস্য, বিশেষ করে পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলেই পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি ভিন্ন।
১ দিন আগে

প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ছেড়ে চিরস্থায়ী জীবনের পথে যাত্রা করতে হবে এটাই মানবজীবনের চিরন্তন বাস্তবতা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেই-ই প্রকৃত সফল। আর পার্থিব জীবন শুধুই ছলনার বস্তু।
২ মে ২০২৬

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬

জীবনে মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজন কখনোই শেষ হয় না। অভাব ও লোভের চাপ অনেক সময় মানুষকে হালাল-হারামের সীমা ভুলিয়ে দেয়। কিন্তু ইসলামে একজন মুমিনকে শেখানো হয়েছে, সে যেন সবসময় পবিত্র ও বরকতময় রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে।
১০ এপ্রিল ২০২৬

মুসলমানদের জন্য জুমার দিন শুধু সাপ্তাহিক দিবস নয় এটি বরকত, রহমত ও নূরে পরিপূর্ণ এক মহান দিন। এই দিনের প্রতিটি মুহূর্ত আল্লাহর মেহেরবানির ছায়ায় ঢাকা। আর সেই বিশেষ দিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হলো সুরা কাহাফ তিলাওয়াত।
১০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর যখন শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তখন মুসলিম বিশ্বের হৃদয়ে নেমে আসে আনন্দ, প্রশান্তি ও কৃতজ্ঞতার আবহ। সেই আনন্দকে পূর্ণতা দেয় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত নামাজ। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে ঈদের নামাজ মুসলিম সমাজে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
২১ মার্চ ২০২৬