
নিজস্ব প্রতিবেদন: জীবনের শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়ে মানুষ অনেক সময় এমন কিছু স্বপ্ন দেখে, যা যেন এক অদৃশ্য বার্তা বহন করে। অনেকের মতে, এসব স্বপ্ন শুধু কল্পনা নয়, বরং আসন্ন পরিবর্তন, অন্তর্জাগতিক উদ্বেগ কিংবা পরকালীন প্রস্তুতির প্রতিফলন হতে পারে। গবেষক ও আধ্যাত্মিক বিশ্লেষকদের মতে, মৃত্যুর আগে কিছু স্বপ্ন ঘুরে ফিরে দেখা দেয়, যেগুলোর গভীরে লুকিয়ে থাকতে পারে জীবনের শেষ অধ্যায়ের সংকেত।
মৃত্যুর আগে যে স্বপ্নগুলো বেশি দেখা যায়
১. নিজের বা প্রিয়জনের মৃত্যু
এই ধরনের স্বপ্ন কেবল ভয় বা শোকের প্রতিফলন নয়, বরং জীবনে বড় কোনো পরিবর্তন, বিচ্ছেদ বা হারানোর ইঙ্গিতও হতে পারে।
২. পরিচিত স্থান বা পুরনো মানুষের মুখ
স্বপ্নে বারবার শৈশবের বাড়ি, মৃত আত্মীয় বা পুরনো বন্ধুদের দেখা দেওয়া মানে হতে পারে জীবনাবসানের সময় স্মৃতির দিকে ফিরে দেখা।
৩. অতীতের ঘটনা বা ভুল ফিরে দেখা
অনেকে মৃত্যুর আগে এমন স্বপ্ন দেখে যেখানে পুরনো ভুল, অপূর্ণ কাজ বা অমীমাংসিত ঘটনা আবার ফিরে আসে। এসব স্বপ্ন আত্মিক ভারমুক্তির চিহ্ন হতে পারে।
৪. ভীতিকর বা দুঃস্বপ্ন
এই স্বপ্নগুলো আসন্ন বিপদ, মানসিক অস্থিরতা, অথবা শারীরিক দুর্বলতা থেকে উৎসারিত হতে পারে।
৫. উড়ন্ত বা ভেসে থাকার অনুভূতি
অনেক সময় মানুষ অনুভব করে সে ভেসে বেড়াচ্ছে বা কোথাও উড়ছে। এ ধরনের স্বপ্ন জীবনের নিয়ন্ত্রণ হারানো কিংবা মৃত্যুর পরে আত্মিক মুক্তির ইঙ্গিত হতে পারে।
ভালো স্বপ্ন সাধারণত শান্তিপূর্ণ ও পরিষ্কার হয়, যা দেখে মনে প্রশান্তি আসে। অন্যদিকে, খারাপ স্বপ্ন হয় অস্পষ্ট, অস্বস্তিকর এবং ঘুম ভাঙার পরেও তা দীর্ঘ সময় মনকে প্রভাবিত করে।
দুঃস্বপ্ন দেখলে ইসলাম কী বলে (হাদিস অনুযায়ী করণীয়)
১. ঘুম থেকে উঠে বাম দিকে হালকা করে তিনবার থুতু ফেলা
২. "আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম" পড়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া
৩. যদি সম্ভব হয়, দাঁড়িয়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা
৪. সেই দুঃস্বপ্ন কারো সঙ্গে আলোচনা না করা, চুপ থাকা
এই চারটি আমল করলে, ইনশাআল্লাহ, দুঃস্বপ্নের কোনো ক্ষতিকর প্রভাব থাকবে না।
মৃত্যু অনিবার্য বাস্তবতা। তবে শান্ত স্বপ্ন, আত্মিক প্রস্তুতি আর আল্লাহর উপর ভরসা মানুষকে জীবনের শেষ পথে সাহসী করে তোলে। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে শান্তিপূর্ণ ভালো স্বপ্ন দান করেন এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে হেফাজত করেন — এই কামনা রইল।
সিদ্দিকা/

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মুসলমানদের মধ্যে কুরবানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা যায়। বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পরিবারের একজন সদস্য, বিশেষ করে পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলেই পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি ভিন্ন।
১ দিন আগে

প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ছেড়ে চিরস্থায়ী জীবনের পথে যাত্রা করতে হবে এটাই মানবজীবনের চিরন্তন বাস্তবতা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেই-ই প্রকৃত সফল। আর পার্থিব জীবন শুধুই ছলনার বস্তু।
২ মে ২০২৬

ঈদুল ফিতরের আনন্দ-উৎসব শেষ না হতেই মুসলিম বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে আগাম আলোচনা ও অপেক্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালী দিয়েই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে।
১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার মাঝেও আত্মিক শান্তির সন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম আমাদের শেখায়, দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়।
১৮ এপ্রিল ২০২৬

রোগ মানুষের জীবনের এমন এক অধ্যায়, যা কখনোই পুরোপুরি এড়ানো যায় না। শরীর অসুস্থ হলে শুধু দেহ নয়, মনও ভেঙে পড়ে। এই দুর্বল মুহূর্তেই একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বোধ করে আশ্রয়, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর রহমতের।
১৬ এপ্রিল ২০২৬

জীবনে মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজন কখনোই শেষ হয় না। অভাব ও লোভের চাপ অনেক সময় মানুষকে হালাল-হারামের সীমা ভুলিয়ে দেয়। কিন্তু ইসলামে একজন মুমিনকে শেখানো হয়েছে, সে যেন সবসময় পবিত্র ও বরকতময় রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে।
১০ এপ্রিল ২০২৬

মুসলমানদের জন্য জুমার দিন শুধু সাপ্তাহিক দিবস নয় এটি বরকত, রহমত ও নূরে পরিপূর্ণ এক মহান দিন। এই দিনের প্রতিটি মুহূর্ত আল্লাহর মেহেরবানির ছায়ায় ঢাকা। আর সেই বিশেষ দিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হলো সুরা কাহাফ তিলাওয়াত।
১০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর যখন শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তখন মুসলিম বিশ্বের হৃদয়ে নেমে আসে আনন্দ, প্রশান্তি ও কৃতজ্ঞতার আবহ। সেই আনন্দকে পূর্ণতা দেয় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত নামাজ। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে ঈদের নামাজ মুসলিম সমাজে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
২১ মার্চ ২০২৬