
নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র' সম্পর্কে স্পষ্ট ও প্রকাশ্য মন্তব্যের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি বিতর্কিত প্রতিবেদন ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।
প্রতিবেদনটিতে হাসনাতের কথিত ‘বিলাসী জীবনযাপন’ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, যা অনেকের কাছেই সময় ও উদ্দেশ্যের দিক থেকে সন্দেহজনক বলে মনে হয়েছে। কারণ, এর মাত্র দুই দিন আগেই তিনি ফেসবুকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-কে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন।
প্রতিবেদনের জবাবে এক সরাসরি প্রতিক্রিয়ায় হাসনাত বলেন, “প্রথম আলো বহুদিন ধরেই দেশপ্রেমিক ও সৎ নেতাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই টার্গেটে পরিণত হতে হয়—এখন সেই তালিকার নতুন নাম আমি।”
তিনি আরও বলেন, “এই প্রতিবেদন কোনো সাংবাদিকতার ফল নয়, এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আঘাত, যার লক্ষ্য আমাকে চুপ করিয়ে দেওয়া। যদি কেউ ভেবে থাকে দিল্লি থেকে বানানো কন্টেন্ট দিয়ে আমার কণ্ঠ রোধ করবে—তাহলে তারা দিবাস্বপ্ন দেখছে।”
নিজের ফেসবুক পোস্টে প্রথম আলোর প্রতিবেদকের উদ্দেশে হাসনাত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “যদি সত্যিই মনে করেন আমি বিলাসবহুল জীবনযাপন করি—তাহলে সাহস থাকলে আমার বাসায় আসুন, নিজ চোখে দেখে যান।”
তিনি আরও বলেন, “আমি যদি ঘুষ বা অনৈতিকভাবে এক টাকাও গ্রহণ করে থাকি এবং তা কেউ প্রমাণ করতে পারে—তবে আমি আজীবনের জন্য রাজনীতি ছাড়ব।”
হাসনাত দাবি করেন, তার সব ব্যাংক হিসাব, আয়কর রিটার্নসহ আর্থিক তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত। “চাইলেই যাচাই করা সম্ভব,”—বলেছেন তিনি।
প্রথম আলোর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ১৮ এপ্রিল এনসিপির একটি বৈঠকে হাসনাতের জীবনযাপন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে হাসনাত বলেন, “সেই বৈঠকে এ বিষয়ে একটি শব্দও উচ্চারিত হয়নি। তাহলে এত বড় একটি মিথ্যা কিভাবে ছাপা হয়?”
পুরো ঘটনার পেছনে কেউ কেউ ‘অদৃশ্য চাপ’ ও ‘পাওয়ার পলিটিক্স’-এর ইঙ্গিত দেখছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কি সত্য অনুসন্ধান, নাকি একটি সুপরিকল্পিত ‘প্রোপাগান্ডা অভিযান’—এই প্রশ্ন এখন সামাজিক মাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে।
প্রথম আলো ইতোমধ্যেই তাদের প্রতিবেদনটির কিছু অংশ ‘আপডেট’ করেছে, যা অনেকের কাছে প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্য এবং প্রথম আলোর প্রতিবেদন—উভয়ের পরিপ্রেক্ষিতে এখন একটি প্রশ্ন সামনে আসছে: **কারা সত্য তুলে ধরছে, আর কারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গল্প বলছে?**
সোহাগ/

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়, তা নিয়ে এবার নতুন তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। ওই দিন বোনকে নিয়ে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে

রাজশাহীর মাদরাসা মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোড়ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিএনপির বিরুদ্ধে সরাসরি চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন জাতীয়তাবাদী দল নয়, ‘চাঁদাবাজি দল’ বলেই বিএনপিকে ডাকছে।
২ দিন আগে

চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঘোষিত নতুন আহ্বায়ক কমিটিকে কেন্দ্র করে দলে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ সংকট। কমিটি ঘোষণার মাত্র একদিনের মাথায় একযোগে পদত্যাগ করেছেন ২২ জন নেতা-কর্মী। এতে দলটির ভেতরে চরম অসন্তোষ ও বিভক্তির চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে।
৩ দিন আগে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অন্যতম আলোচিত নেতা সারজিস আলমকে উদ্দেশ্য করে তীব্র সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন দলটির সাবেক নেত্রী নীলা ইসরাফিল। বুধবার (১৩ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক উন্মুক্ত বার্তায় তিনি এনসিপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, জনগণের আস্থা এবং রাজনৈতিক টিকে থাকা নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন।
৫ দিন আগে

সরাইল উপজেলার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
৯ মে ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সিকিউরিটি গার্ড জুলহাস মিয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্কে পড়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সদ্য ঘোষিত কমিটি। কমিটিতে তাকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে রাখা হলেও তার পেশাগত পরিচয় প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের ভেতরে শুরু হয়েছে তোলপাড়।
৮ মে ২০২৬

প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও পাঁচবারের সংসদ সদস্য মো. মোসলেম উদ্দিন আর নেই। শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
২ মে ২০২৬

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আদর্শ ও তৃণমূল শক্তিকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে নতুন সংগঠন হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ‘শেখ হাসিনা ঐক্যজোট’। গত ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে সংগঠনটি আওয়ামী লীগের একটি সহযোগী শক্তি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
২ মে ২০২৬

জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার শাহেদুল আজম। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হয়েছে।
৩০ এপ্রিল ২০২৬