
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের তরুণ লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) অভিষেকেই করে চলেছেন বিস্ময়। প্রথম দুই ম্যাচেই ৩টি করে উইকেট নিয়ে নজর কেড়েছেন সবাইকে। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কারস্বরূপ মাথায় উঠেছে ‘ফজল মাহমুদ ক্যাপ’—যা প্রতি মৌসুমে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী বোলারকে দেওয়া হয়।
তবে এখানেই থেমে নেই রিশাদের কীর্তি। তিনি ভেঙেছেন এক দীর্ঘ ৯ বছরের রেকর্ড! ঠিক ৩,৩৪৯ দিন পর, পিএসএলের ইতিহাসে আবারও দেখা গেল এমন অভিষেক—যেখানে কোনো বোলার টানা দুই ম্যাচে ৩ বা তার বেশি উইকেট নেন। এতদিন এ কৃতিত্ব ছিল কেবল নিউজিল্যান্ডের গ্রান্ট এলিয়টের, যিনি ২০১৬ সালে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে প্রথম দুই ম্যাচে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট। রিশাদ পেয়েছেন ৬ উইকেট—তবে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছেন সমান মর্যাদায়।
তার অভিষেক ম্যাচ ছিল কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে, যেখানে শিকার করেছিলেন রাইলি রুশো, মোহাম্মদ আমির ও আবরার আহমেদকে, মাত্র ৩১ রানে। পরের ম্যাচে করাচি কিংসের বিপক্ষে তার শিকার শান মাসুদ, ইরফান খান এবং আব্বাস আফ্রিদি।
এই দুর্দান্ত শুরু রিশাদকে এনে দিয়েছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। তিনিই হতে পারেন পিএসএলে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার। অভিষেক মৌসুমেই গড়ে তুলতে পারেন এক গর্বিত অধ্যায়।
আগামী ২২ এপ্রিল তার সামনে চ্যালেঞ্জ আরও বড়—প্রতিপক্ষ শক্তিশালী মুলতান সুলতানস। এখন দেখার বিষয়, রিশাদ কি পারবে তার দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রাখতে? ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন সেদিকেই।
সোহাগ/

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
৪ দিন আগে

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
৪ দিন আগে

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
৪ দিন আগে

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে প্রথম দিনেই। টস জিতে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরু থেকেই চাপে ফেলে বাংলাদেশকে। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে টাইগার ব্যাটাররা।
১৬ মে ২০২৬