
নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার এক মাদ্রাসা শিক্ষক সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে 'ইমাম মাহদী' হিসেবে দাবি করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় গজালিয়া সালিয়া দাখিল মাদ্রাসায় গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গ্রেপ্তারের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও বক্তব্যে তিনি বলেন, “তাহাজ্জুদের নামাজের পর ফজরের আগে এক নূরের আলোয় আমি আল্লাহর নাম দেখতে পাই। আমি জিজ্ঞেস করি মাহদী কে? তখন আল্লাহ বলেন, ‘তুমিই আমার মাহদী।’”
হাদিসের সঙ্গে নিজের পরিচয় মেলেনা কেন—এই প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, “আল্লাহ বলেছেন, এটা ছিল তাঁর বিশেষ কৌশল। যদি আগেই পরিচয় প্রকাশ হতো, তাহলে আমার ওপর অত্যাচার হতো—যেমন হয়েছিল এক ইয়েমেনি যুবকের, যিনি বিষ প্রয়োগে নিহত হন।”
ওই শিক্ষক জানান, তার নাম ‘মুহাম্মদ’ না হলেও, তার দাদী তাকে ‘আমানতুল্লাহ’ নামে ডাকতেন এবং মায়ের নাম ‘রমজা বেগম’। তিনি বলেন, “শৈশবে আমি নিজেকে ‘জবিউল্লাহ’র সন্তান’ বলেই পরিচয় দিতাম।”
ভিডিওতে তিনি আরও দাবি করেন, “২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নাকি আলেমদের মাধ্যমে প্রকৃত মাহদীর সন্ধান চান।” তবে এই বক্তব্যের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি, বরং সংশ্লিষ্ট মহল এটিকে বিভ্রান্তিকর ও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে সক্ষম বলে মনে করছে।
এছাড়াও ভিডিওতে তিনি আল-আকসা মসজিদ ও ইহুদি সম্প্রদায় নিয়ে বেশ কিছু রাজনৈতিক ও ধর্মীয়ভাবে স্পর্শকাতর মন্তব্য করেন, যা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই শিক্ষককে “ধর্মীয় উসকানি” এবং “ভুয়া পরিচয় প্রচার” সংক্রান্ত অভিযোগে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ একাধিক ধারায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সাদিয়া/

দাম্পত্য জীবনে নানা কারণে টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলতে থাকলে এবং পারস্পরিকভাবে তা সমাধানের কোনো পথ খুঁজে পাওয়া না গেলে ইসলামে বিবাহবিচ্ছেদের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বিচ্ছেদকে সহজ বা প্রথম সমাধান হিসেবে গ্রহণ না করে সম্ভব হলে দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য উদ্যোগ নেওয়ার প্রতি কোরআন ও হাদিসে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইমানের পর ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ এবং একজন মুমিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায়ের পাশাপাশি ইসলামী শরিয়তে বিভিন্ন নফল নামাজ আদায়েরও বিধান রয়েছে।
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মুসলমানদের কাছে জুমার দিন সপ্তাহের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ দিন। এ দিনকে ঘিরে রয়েছে বিশেষ কিছু ইবাদত ও আমল। এর মধ্যে অন্যতম হলো বেশি বেশি দোয়া করা। হাদিসে জুমার দিনের এমন একটি বিশেষ সময়ের কথা বর্ণিত হয়েছে, যখন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে কল্যাণকর কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে তা দান করেন। তবে সেই বিশেষ সময়টি দিনের ঠিক কোন অংশ—এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে একাধিক মত রয়েছে।
২৮ আগস্ট ২০২৬

ইমানের পর একজন মুমিনের জন্য ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো নামাজ। একজন মুমিন ও কাফেরের মধ্যে বড় পার্থক্যগুলোর একটি হলো নামাজ। নিয়মিত নামাজ মানুষকে দুনিয়ার বিভিন্ন খারাপ ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
২১ আগস্ট ২০২৬

চলতি বছরটি শেষ হওয়ার আগেই আগামী ২০২৭ সালের (১৪৪৮ হিজরি) পবিত্র রমজান মাস এবং ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে মুসলিম বিশ্বের পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষের মাঝেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহ। মধ্যপ্রাচ্যের জ্যোতির্বিজ্ঞান ভিত্তিক গবেষণা এবং প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৭ সালে পবিত্র রমজান মাস শুরুর সম্ভাব্য তারিখ এবং দুই ঈদের মূল কাঠামো কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে একটি প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে।
৩০ জুলাই ২০২৬

দিনভর ব্যস্ততা, কর্মজীবনের চাপ আর নানা দুশ্চিন্তার পর রাতের ঘুমই হয়ে ওঠে মানুষের সবচেয়ে বড় প্রশান্তির সময়। কিন্তু অনেকেই ঘুমানোর আগে সময় কাটান মোবাইল ফোনে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবা অপ্রয়োজনীয় কাজে। অথচ ইসলাম একজন মুমিনের জন্য ঘুমানোর আগেও রেখে দিয়েছে সহজ কিন্তু অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল, যা পালন করতে সময় লাগে মাত্র এক মিনিট।
১৮ জুন ২০২৬

পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ শুধু জীবদ্দশায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাদের মৃত্যুর পরও এই দায়িত্ব অব্যাহত রাখার নির্দেশনা এসেছে হাদিসে।
১ জুন ২০২৬

মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর একটি ঈদুল আজহা। ত্যাগ, আনুগত্য ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের শিক্ষা নিয়ে প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আসে কোরবানির এই ঈদ। এই দিনটিকে ঘিরে মুসলমানদের মধ্যে থাকে বিশেষ প্রস্তুতি, আর দিনের শুরু হয় ঈদের নামাজের মাধ্যমে।
২৭ মে ২০২৬

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মুসলমানদের মধ্যে কুরবানি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা যায়। বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, পরিবারের একজন সদস্য, বিশেষ করে পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলেই পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি ভিন্ন।
২২ মে ২০২৬